অতীত ভুলে ‘জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জনের লক্ষ্য’ রাবাদার

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪:২৯ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২১

চীনের দুঃখ যদি হয় হোয়াংহো নদী, তাহলে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের দুঃখ বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। সেই ১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত প্রতি আসরেই নকআউট পর্বে বাদ পড়াটা যেন দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একরকম অলিখিত অভিশাপ।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হচ্ছে প্রোটিয়াদের পুরনো ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর উপযুক্ত সময়। আর এ বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ অর্জন নিজের করে নিতে চান তরুণ পেসার কাগিসো রাবাদা।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে রাবাদা বলেছেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় হবে নিঃসন্দেহে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এটা দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ইতিহাসেও অন্যতম সেরা অর্জন হবে। যেটার অভাব প্রোটিয়ারা অনেকদিন ধরে অনুভব করছে।’

ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই এবারের বিশ্বকাপে খেলতে নামছে প্রোটিয়ারা। এ তিন সিরিজের ইতিবাচক ফল নিশ্চিতভাবেই বিশ্বকাপে প্রোটিয়াদের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করবে।

আগের ছয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইবার নকআউট পর্বে শেষ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার মিশন। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে সেমিফাইনালে আটকে গিয়েছিল প্রোটিয়ারা। অন্য চারবার নকআউট পর্বে উঠতে পারেনি প্রোটিয়ারা।

দলের অতীত ইতিহাস সবই জানেন রাবাদা। তবে এসব নিয়ে ভাবতে চান না প্রোটিয়া পেসার, ‘আগে যা ঘটেছে, তা নিয়ে এখন কথা বলতে চাচ্ছি না। আমাদের সামনে এখন অনেক চ্যালেঞ্জ। আমরা এখানে জিততেই এসেছি। অতীত নিয়ে আলোচনা না করে এখন শুধু পারফরম্যানস দেখানোর সময়।’

তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি কেমন, তা রাবাদা ভালো করেই জানেন। ২০১৪ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার শিরোপাজয়ী দলের এই সদস্য বলেছেন, ‘এটা আসলেই অন্যরকম এক অনুভূতি। জাতীয় দলের হয়ে তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তি হলে ভালোই লাগবে।’

এসএএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]