আরও একবার বাংলাদেশের জয়ে ম্যাচসেরা সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭:৫৬ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০২১

সময়টা খুব ভালোই উপভোগ করছেন বাংলাদেশ দলের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। পরপর দুই ম্যাচে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে হয়েছেন ম্যাচসেরা। সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে পাপুয়া নিউগিনিকে ৮৪ রানে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে উঠে গেলো বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট হাতে ৪৬ রান ও পরে বোলিংয়ে ৯ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আবারও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার জিতেছেন সাকিব। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি তার নবম ম্যাচসেরা পুরস্কার। তিন ফরম্যাট মিলে এ নিয়ে ৩৮তমবারের মতো ম্যাচসেরা নির্বাচিত হলেন সাকিব।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আইসিসি ইভেন্টে এ নিয়ে বাংলাদেশের সবশেষ ছয়টি জয়েই ম্যাচসেরা হলেন সাকিব। যার প্রথমটি ছিল ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। পরে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে তিনটি ও এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচসেরা হলেন দুই ম্যাচে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সাকিবকে ইনিংসের তৃতীয় বল থেকেই ব্যাটিংয়ের হাল ধরতে হয়। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন বাঁহাতি ওপেনার নাইম শেখ। ফলে কার্যত ওপেনার হিসেবেই খেলতে হয়েছে সাকিবকে।

যেখানে আরেক ওপেনার লিটন দাসের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ৫০ রানের জুটি গড়ে সামাল দেন প্রাথমিক ধাক্কা। লং অনে চার্লস আমিনির দুর্দান্ত ক্যাচের শিকার হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন সাকিব। তার এই ইনিংসে কোনো চারের মার না থাকলেও, ছিল তিনটি বিশাল ছক্কা।

বোলিংয়ে বিশ্বকাপে নিজের সেরা স্পেলটা যেনো জমিয়ে রেখেছিলেন আজকের জন্যই। চার ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রানে দিয়েছেন ৪ উইকেট। এর দুটি ক্যাচই নাইম ধরেছেন একই জায়গা- লং অনে দাঁড়িয়ে। সাকিবের প্রথম উইকেটের পূর্ণ কৃতিত্ব তো নাইমেরই বলা চলে।

আর এক উইকেট নিলে ফাইফার ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট; এক ঢিলে দুই পাখি মারার আফসোস হয়তো সাকিব করতেই পারেন। তাতে কী! তাকে তো প্রতি ম্যাচেই কোনো না কোনো রেকর্ড হাতছানি দিয়ে ডাকে। বলা তো যায় না, পরের ম্যাচেই হয়তো সাকিব নতুন কোনো রেকর্ড করবেন।

এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]