আহা কান্না, সুখের কান্না!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:২৮ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০২১

দু’চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে অশ্রু। অশ্রু কি সবসময়ই বেদনার? না, কখনও কখনও তো আনন্দের ঢলও দুই চোখ ভাসিয়ে নেমে যেতে চায়। যে আনন্দ অশ্রুতে ভাসলেন নামিবিয়ার ক্রিকেটাররা।

২২ অক্টোবর, নামিবিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় যে দিনটি লিখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে। যে পাতা উল্টাতে গিয়ে নামিবিয়ার পরের প্রজন্মেরও বারবার চোখ ছলছল করে উঠবে!

আইসিসির বিশ্বকাপে এর আগে শুধু একবারই সুযোগ মিলেছিল নামিবিয়ার, সেটা ২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে। ১৪ দলের মধ্যে সেবার সবার শেষে থেকে বিদায় নিয়েছিল আফ্রিকার দেশটি।

এবার প্রথমবারের মতো সুযোগ পেলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। শুরুটা ছিল বিভীষিকাময়। মাত্র ৯৬ রানে অলআউট হয়ে শ্রীলঙ্কার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল নবাগত দলটি।

সেখান থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প। টানা দুই ম্যাচ জিতে সুপার টুয়েলভে। শেষ ম্যাচে আবার তারা হারালো আইসিসির টেস্ট খেলুড়ে দেশ আয়ারল্যান্ডকে।

এই জয়ে শুধু সুপার টুয়েলভই নিশ্চিত হয়নি, আরও একটি অর্জন হয়ে গেছে নামিবিয়ার। আইসিসি আগেই জানিয়ে রেখেছিল, এবার সুপার টুয়েলভে ওঠা দলগুলো ২০২২ বিশ্বকাপে সরাসরিই খেলবে। তাই এই জয়ে পরের বিশ্বকাপও নিশ্চিত হয়ে গেলো নামিবিয়ার।

কাগজ-কলমে, শক্তি আর অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা আইরিশদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর তাই অশ্রু বাঁধ মানেনি নামিবিয়ার খেলোয়াড়দের। উৎসব আর আনন্দের মধ্যেই তাদের অনেককে দেখা গেলো কাঁদতে।

এ কান্না তো সুখের কান্না, এ কান্না তো পাওয়ার! শারজাহ থেকে যে কান্নার জল গড়িয়েছে নামিবিয়ার রাজধানী উইন্ডহক পর্যন্ত। উৎসবের জন্য তো বাকি সময় পরেই রয়েছে!

এমএমআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]