বাংলাদেশের কন্ডিশনেই মূল পার্থক্য দেখছে পাকিস্তান

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২৭ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২১

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও, অতি বড় সমালোচকও মানছেন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এখন দারুণ দল পাকিস্তান। যে কোনো কন্ডিশনে যে কোনো দলের জন্য কঠিন এক প্রতিপক্ষ এখন বাবর আজমের দল।

টেস্টেও কি তাই? নিজের দলকে কোথায় রাখছেন বাবর আজম? বাংলাদেশকে একদম হাওয়ায় উড়িয়ে দিচ্ছেন না তো? ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ সহজ নয়। সে কথা তার কতটা জানা? টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে মাঠে নামার আগে নিজ দল ও প্রতিপক্ষ সম্পর্কে আসলে কী ভাবছেন পাকিস্তান অধিনায়ক?

বাবর আজমের স্থির অনুভব, তার দল এখন টেস্টেও একটা আকার নিয়েছে এবং এই দলের ওপর তার আস্থা ও বিশ্বাস দুই’ই জন্মেছে। তাই তার কন্ঠে এ কথা, ‘অবশ্যই আমাদের দল নিয়ে পুরো আত্মবিশ্বাস আছে আমার। আমরা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিম্বাবুয়ে ও দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পারফর্ম করে এসেছি এবং একটা দল হিসেবে খেলেছি। আশা করি এবার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা ভালো করবো।’

বাবর যোগ করেন, ‘এই দলটি খেলে খেলে একটা আকার নিয়েছে। এখন আমাদের দলটা শেপে আসতে শুরু করেছে। পারফর্ম করছে। অনেকদিন ধরে খেলে থিতু ও অভিজ্ঞ।’

বিপরীতে বাংলাদেশের মাটিতে টাইগাররা যে টেস্টেও কঠিন প্রতিপক্ষ- তা স্বীকার করতে এতটুকু দ্বিধা নেই তার। প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে এবং চট্টগ্রাম টেস্টে নিজ দলের সম্ভাবনার কথা বলতে বলা হলে বাবর আজম অন্য সব প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে প্রথমেই কন্ডিশনের কথা বলেন।

পাকিস্তানি অধিনায়ক মনে করেন, এ সিরিজে কন্ডিশনটাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। তার সোজাসাপটা উচ্চারণ, পার্থক্য এখানে কন্ডিশন। বাংলাদেশের ঘরের মাঠ, নিজেদের কন্ডিশন। ওদেরকে কখনও হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। ঘরের মাঠে কোনো দলকেই আসলে হালকা করে নেওয়ার সুযোগ নেই।’

বাংলাদেশের তামিম, সাকিব, অবসরে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ আর পেসার তাসকিন নেই। তা খুব ভালোই জানা তার। তাই বলেছেন, ‘ওদের কয়েকজন ক্রিকেটার নেই, দলটা তরুণ। তবে যারা আছে, তারা তো এই কন্ডিশনেই খেলে। তাই বাবরের অনুভব তার দলের জন্য কাজটা কঠিনই হবে।’

বাবর অকপটে স্বীকার করেছেন, ‘কন্ডিশন বুঝতে একটু সময় লাগে, বুঝতে হয় কিছুটা। ওরা অবশ্যই আমাদের কঠিন সময় দিতে পারে।’

এটুকু বলার পর বাবর আবার চলে যান কন্ডিশনের প্রসঙ্গে, ‘কন্ডিশনই মূল পার্থক্য আমার মতে। এছাড়া খুব একটা কিছু আর নেই। টেস্ট ম্যাচে ধৈর্য্য রাখতে হবে। যতটা ধৈর্য্য আমরা ধরতে পারবো, ধীরস্থির রাখতে পারবো নিজেদের, সিদ্ধান্ত ঠিকঠাক নিতে পারবো, তা পারলে ফল আমাদের পক্ষে আসবে।’

কন্ডিশনকে বার বার আমলে আনলেও বাবরের নিজ দলের ওপরও আস্থা কম নয়। বাংলাদেশের স্পিনারদের মোকাবিলার ক্ষমতা তার দলের আছে। সরাসরি এমন মন্তব্য না করলেও আভাস ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের যে ব্যাটিং লাইনআপ, তা অভিজ্ঞ ও স্পিনারদের বেশ ভালো খেলে। আগেও দেখেছি, বেশ ভালো ভালো স্পিনারদের বিপক্ষে রান করেছে। আমি বলতে পারি, এখানেও ওরা ভালো করবে ও দলকে জেতাবে।’

এআরবি/এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]