মাশরাফি, তামিম ও রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক অনেক আন্তরিক: বাবুল

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৫৫ পিএম, ১৭ জানুয়ারি ২০২২

নাম, ডাক, সুনাম, সুখ্যাতি-যশ হিসেব করলে তারা অগ্রগণ্য। দেশের ক্রিকেটের তিন প্রবাদপ্রতিম ক্রিকেটার। দেশের সম্মুখসারির ক্রিকেটার। পঞ্চ পান্ডবের অন্যতম সদস্য মাশরাফি, তামিম ও রিয়াদ এবার বিপিএলে খেলবেন ঢাকার হয়ে।

দেশের ক্রিকেটের অতি সফল তিন তারকা পারফরমার, যারা আবার জাতীয় দলকে নেতৃত্বও দিয়েছেন- এত নামী ও দামি এবং দেশসেরা তিন শীর্ষ তারকার এবারের দল ঢাকার কোচ মিজানুর রহমান বাবুল। মাশরাফি, তামিম ও রিয়াদের তারকাখ্যাতি না আবার দেশি কোচ মিজানুর রহমান বাবুলের জন্য অস্তস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়?

কারো কারো মনে আছে এমন সংশয়মাখা প্রশ্ন। তবে তাদের জন্য আছে এক বড় তথ্য। তাহলো- ২০২০ সালে হওয়া বঙ্গবন্ধু বিপিএলেও মিজানুর রহমান বাবুল ছিলেন জেমকন খুলনার হেড কোচ এবং ওই দলে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ, সাকিব এবং মাশরাফি। এবং মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বে জেমকন খুলনা চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল সেবার।

এই ত্রয়ীর শুধু সাকিব নেই এবার। এ বিশ্বমানের অল রাউন্ডারের এবারের ঠিকানা ফরচুন বরিশাল। বাকি দু’জন মাশরাফি আর রিয়াদ এবারও বাবুলের দলে। কোচ বাবুলের বিশ্বাস, মাশরাফি, তামিম ও রিয়াদের উপস্থিতি মোটেই অস্তস্তির কারণ না। বরং তাদের উপস্থিতিতে ঢাকার পথচলা হবে সহজ ও মসৃন।

তামিম, মাশরাফি আর রিয়াদের সঙ্গে তার সম্পর্ক অনেক পুরনো। সখ্যও দারুণ। এক অন্যরকম নীবিঢ় বন্ধনে আবদ্ধ। জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত আলাপে তা জানিয়ে কোচ বাবুল বলে ওঠেন, ‘আমার সাথেও তিনজনেরই অনেক দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। তামিমের প্রিমিয়ার ক্রিকেটে প্রথম দল ওরিয়েন্টেরও কোচ ছিলাম আমি।

‘মাশরাফির সঙ্গে কুমিল্লায় বিপিএলে কাজ করেছি একসঙ্গে। আগের বার আমি যখন বিপিএল চ্যাম্পিয়ন জেমকন খুলনার কোচ, তখন রিয়াদ ক্যাপ্টেন। মনে হয় না, তেমন কোন বেগ পেতে হবে।’

তামিম, মাশরাফি আর রিয়াদের বন্ধন খুব দৃঢ় এবং সম্পর্কটা দারুণ নিবিঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ- এমন জানিয়ে বাবুল বলে ওঠেন, ‘তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেক পুরনো। সখ্যও বেশ। এখন হয়ত তারা অনেক বড় তারকা, ওই দিকটা স্পর্ম করেনা। স্পর্শ করে আন্তরিকতা আর বন্ধুত্বটা। এতে করে অনেক সুবিধা হয়। মিশতে, প্ল্যানিং করতে। দুরত্ব থাকে না একদমই।’

মাশরাফি, তামিম ও রিয়াদের সম্পর্ক কতটা নিবিঢ়, আন্তরিক? তা জানিয়ে কোচ বাবুল বলেন, তারা তিনজন আসলে এত অভিজ্ঞ যে বাংলাদেশ টিমকে এত দীর্ঘদিন সার্ভ করেছে যে বলে শেষ করা যাবে না। সবচেয়ে বড় কথা এদের বন্ডিংটা দারুণ। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক জাতীয় দলের টিম হোটেল, ড্রেসিং রুম, ডাগআউট, মাঠ, প্র্যাকটিসে ডাইনিংয়ে এত সময় এক সঙ্গে কেটেছে তাদের।

যে কারণে বন্ধনটা অনেক দৃঢ়। মাশরাফি, তামিম আর রিয়াদের বন্ধন অনেক নিবিঢ়। গাঢ়। সারাক্ষণ খুঁনসুটি করে। কিন্তু মনের মিল দারুণ। সম্পর্কটাও একদমই বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক। এমন তিন দেশ বরেণ্য ও সিনিয়র মোস্ট ক্রিকেটারের অন্তর্ভূক্তি অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট বলে মনে করেন কোচ বাবুল।

তার দাবি, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অভিজ্ঞ ও পরিণত পারফরমাররা অনেক বেশি কার্যকর। তাদের অভিজ্ঞতা এ ফরম্যাটে অনেক কাজে দেয়। বিশেষ করে ওঠা নামার পালা বা উত্থান পতনের সময়গুলোয় এক্সপেরিয়েন্স পারফরমারদের উপস্থিতি অনেক কাজে দেয়। সেই জায়গায় আমরা অন্য দলগুলোর চেয়ে বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পাব। সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবো।’

এআরবি/আইএইচএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]