একটু নয়, এখানে রান করা অনেক কঠিন: বিজয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৬:২২ পিএম, ২২ জানুয়ারি ২০২২

প্রতিপক্ষ রান করেছে মাত্র ৯৬। পরের ইনিংসে সেটি তাড়া করতে খেলতে হয়েছে ১৮.৪ ওভার, পড়েছে ৮টি উইকেট। এটুকুতেই বোঝা যায়, চলতি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচের উইকেট ঠিক কেমন ছিল।

টস জিতে আগে বোলিং করতে নেমে সিলেট সানরাইজার্সকে শুরু থেকেই চেপে ধরেছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। তাদের বিশেষজ্ঞ স্পিনার তানভির ইসলামের বোলিংয়ে মিলেছে বেশ কয়েকটি বড় বড় টার্ন। যা দেখে পার্টটাইমার মুমিনুল হককেও বোলিংয়ে আনেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস।

কাজে লেগে যায় মুমিনুলকে বোলিং করানোর পরিকল্পনা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে রবি বোপারার উইকেট তুলে নেন মুমিনুল। পরে দ্বিতীয় ইনিংসেও স্পিনারদের দিয়েই কুমিল্লাকে প্রায় ঠেকিয়ে দিয়েছিল সিলেট। তাদের তিন স্পিনার মোসাদ্দেক সৈকত, সোহাগ গাজী ও নাজমুল অপু মিলে নেন ৭টি উইকেট।

স্পিনারদের বাড়তি সুবিধা থাকা এ উইকেটকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মতো বলে মনে হয়নি সিলেটের উইকেটরক্ষক ব্যাটার এনামুল হক বিজয়ের। যিনি নিজেও রান করতে ধুঁকতে ধুঁকতে শেষ পর্যন্ত ৯ বলে ৩ রানে নাহিদুলের অফস্পিনে ধরা পড়েন।

ম্যাচ শেষে বিজয় বলেছেন, ‘আসলে আমাদের কাছে উইকেটটা টি-টোয়েন্টির মতো মনে হয়নি। ব্যাটিং করা বেশ কঠিন ছিল ব্যাটারদের জন্য। উইকেট ভেজা ছিল, টার্ন ছিল। যে কারণে ব্যাটাররা কমফর্টেবলি খেলতে পারেনি এটাও সত্য।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘দুইটা দলই একইভাবে খেলেছে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে কঠিনই মনে হয়েছে। সবার কাছেই আসলে কঠিন মনে হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে একটু কঠিন এমন উইকেট থাকলে রান বের করা। ওভারল এ কারণেই আমার কাছে মনে হয়েছে রানটা হয়নি।’

এসময় উইকেটের চরিত্রের কারণে টসটাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মন্তব্য করেন এনামুল বিজয়। এমন টার্নিং উইকেটে রান করা ব্যাটারদের জন্য অনেকখানিই কঠিন ছিল বলে জানালেন তিনি।

বিজয় বলেছেন, ‘উইকেট তো আমরা সবাই-ই দেখেছি প্রত্যাশানুযায়ী ওইরকম পাইনি। টসটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা যদি টসে জিততাম, আমরাও ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতাম। আপনারা সবাই দেখেছেন কী পরিমাণ টার্ন হচ্ছিল। বল কাট করছিল। তো একটু কঠিন ছিল ব্যাটারদের জন্য। একটু নয়, অনেকখানিই কঠিন ছিল।’

মাত্র ৯৬ রানের পুঁজি নিয়েও লড়াই করেছিল সিলেট। শেষ পর্যন্ত মাত্র ২ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে তারা। এমন ফলের পর ২০ রানের আক্ষেপ শোনা গেলো বিজয়ের কণ্ঠে। তার মতে দলীয় সংগ্রহটা ১২০ রানের কাছাকাছি হলেও ম্যাচটা আরও জমতো।

তিনি বলেন, ‘আসলে প্রথমেই আমরা দেখেছি রানটা একটু কম হয়ে গেছে। উইকেট অনুযায়ী আমাদের ব্যাটাররা একটু হলেও তাড়াহুড়ো করেছি আমরা। ওই জায়গায় আমরা যদি একটু সময় নিতে পারতাম, আর কিছু রান করতে পারতাম... আর ২০টা রান বেশি হলেও খেলাটা জমতে পারতো।’

এসএএস/এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]