আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজেও দল সাজাবেন নান্নু অ্যান্ড কোং!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৪৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২২

ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স ইস্যু, তামিম ইকবালের জাতীয় দলের হয়ে আর টি-টোয়েন্টি না খেলা, ওটিস গিবসনের জায়গায় নতুন পেস বোলিং কোচ নেয়া- অনেক বিষয় নিয়েই কথা হচ্ছে। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস এসব নিয়ে খোলামেলা কথাই বলছেন।

তবে হঠাৎ একটি বিষয় নিয়ে কথা একটু কম। তাহলো নির্বাচক প্যানেল। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিন সদস্যের নির্বাচক প্যানেলে প্রধান মিনহাজুল আবেদিন নান্নু এবং অপর নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

ধারণা করা হচ্ছিল, নতুন বছরের প্রথম মাসেই বুঝি তাদের ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত হবে। হয় চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি, না হয় দু’জন বা একজন নতুন নির্বাচক নিয়োগ করা হবে। মনে হচ্ছিল, জানুয়ারি মাসেই হয়ত নির্বাচকদের ব্যাপারে বিসিবি একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

কিন্তু পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে না যে, খুব সহসাই নির্বাচক প্যানেলের ভাগ্য নির্ধারিত হবে না। বরং পরিষ্কার আভাস, গত বছর মাঝামাঝি নিয়োগ পাওয়া আব্দুর রাজ্জাক তো থাকছেনই, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আর হাবিবুল বাশারও আরও কিছুদিন বহাল থাকছেন।

কিছুদিন মানে কতদিন? সেটা সম্ভবত আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে মিনহাজুল আবেদিন নান্নু অ্যান্ড কোংই বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের বাছাই করবেন।

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসের কন্ঠেই মিলেছে এমন আভাস। জালাল জানিয়েছেন, অবস্থাদৃষ্টে আফগানিস্তানের সঙ্গে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজেও প্রধান নির্বাচক পদে থেকে দল নির্বাচনের কাজ তদারক করবেন নান্নু।

এ কারণে জালালের মুখে এমন কথা, ‘দেখেন, ব্যাক টু ব্যাক তারা ছিল। টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ডকাপে তারা (মিনহাজুল আবেদিন নান্নু আর হাবিবুল বাশার সুমন) ছিল। পাকিস্তানের সঙ্গে সিরিজেও তারাই ছিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও তারাই দল সাজিয়েছে। আমাদের সময় কিন্তু বসে নেই। আগেই বলা হয়েছে, টাইট সিডিউল। এ মুহূর্তে আমরা চেঞ্জ করতে পারছি না। ফর দ্য ইন্টারেস্ট অফ দ্য টিম। এ জন্য সময়টা নেয়া হয়েছে। যেহেতু ডিসেম্বর পেরিয়ে গেছে। এখন জানুয়ারি বিপিএল হচ্ছে। সামনে আফগানিস্তানের সঙ্গে তাই তাদেরই কাজ করতে হচ্ছে।’

নতুন কমিটি দেয়া হলে সেই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নতুন কেউ যদি দায়িত্ব পান, তাহলে উক্ত কমিটির দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতেও বিল্ম্ব হবে। বিশ্বকাপের আগে সময় কমে যাবে। তখন কি সমস্যা হবে না?

এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল ইউনুস জানিয়েছেন, ‘আমরা তো কোন টাইম ফ্রেম দেইনি। বলিনি এ সময়ের মধ্যেই নতুন সিলেকশন কমিটি দেব। একটা তো কিছু হবে। হয় এরা কন্টিনিউ করবে, না হয় দেয়ার উইল বি অ্যা চেঞ্জ।’

জালাল যোগ করেন, ‘নতুন কেউ আসবে, নাকি এরাই থাকবে- আমি তো এখনই বলে দিতে পারছি না। আমরা নতুন কাউকে নিয়ে আসছি, না এরাই কন্টিনিউ করছে- এটাও বলতে পারছি না। বলা ঠিকও হবে না। এখনও সময় আছে। আপনারা সামনেই দেখতে পারবেন।'

এআরবি/আইএইচএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]