১৫৫ নয়, ২৮০ রানের টার্গেটে নেমেছিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:৩৮ এএম, ২৪ মার্চ ২০২২

লক্ষ্যটা বড় কিছু ছিল না, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জিততে ১৫৫ রান করলেই হতো বাংলাদেশকে। যা ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৬.৩ ওভারেই করে ফেলেছে তামিম ইকবালের দল। তবে স্রেফ ১৫৫ রানের লক্ষ্যেই খেলতে নামেননি তারা, টার্গেট ২৭০-২৮০ ধরেই ব্যাট করছিলেন তামিমরা।

ছোট লক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায় খোলসবন্দী ব্যাটিংয়ের কারণে বাড়তি চাপ চলে আসে। সেটি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতেই মূলত স্বাভাবিক সময়ের মতো ২৭০-২৮০ রান তাড়া করার মানসিকতায় ব্যাটিং শুরু করেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তার সঙ্গী লিটন দাস।

তাদের ইতিবাচক মানসিকতায় প্রথম পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৮ রান পেয়ে যায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ২০.৫ ওভারে আসে ১২৭ রান। যা পুরোপুরি সহজ করে দেয় বাংলাদেশের জয়। ম্যাচ শেষে রান তাড়ার সময় নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তামিম।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘প্রথম ইনিংস শেষে আমার কথা একটাই ছিল, আমরা যেন এটিকে ১৫৪-১৫৫ রানের ইনিংস হিসেবে না দেখি। আমাদের যেন চিন্তা থাকে যেন ২৭০-২৮০ রান তাড়া করছি। এরকম ছোট রানের ম্যাচ অনেক সময় ট্রিকি হয়ে ওঠে। উইকেট পড়ে গেলে বিপদ চলে আসে, চিন্তাই ছিল যেন আগ্রাসী থাকতে পারি।’

শুধু ব্যাটিং নয়, বোলিংয়েও আগ্রাসী মনোভাবের কারণেই সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। কুইন্টন ডি কক ও জানেমান মালানের ব্যাটে শুরুটা বেশ ভালো ছিল তাদের। প্রথম পাওয়ার প্লে’তে আসে ১ উইকেটে ৫৭ রান। পরে একপর্যায়ে মাত্র ১৭ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারায় তারা।

সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি টেম্বা বাভুমার দল। মাত্র ১৫৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ মূলত সেখানেই হেরে যায় প্রোটিয়ারা। এ বিষয়ে তামিম বলেন, ‘আজকে ওরা যেভাবে শুরু করেছিল, তাতে এটা মনে করিনি যে দেড়শ রানে অলআউট করে দেবো। কিন্তু একটা কথাই আমাদের টিম হাডলে বা কোচ বলেন, সবাই বলেছি যে আমাদের যা আছে, আমরা সব যেন দিয়ে আসি মাঠে। এটাই ছিল আলোচনা।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ওরা ভালো শুরুর পর আমরা যখন দ্রুত দুটি উইকেট পেলাম, আমার মাথায় একটাই ভাবনা ছিল, উই উইল গো ফর কিল। নো ম্যাটার হোয়াট। আমরা আগ্রাসী থাকবো। তাসকিন যতো জোরে সম্ভব বল করবে এবং আমরা উইকেট নেবো। কারণ, সাধারণত আমাদের এরকম হয় যে আমরা ৩-৪ উইকেট নিয়ে নেই, এরপর বড় জুটি হয় ও ওরা বড় রান করে। আজকে তাই যতো কমে সম্ভব অলআউট করতে চেয়েছি।’

এসএএস/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]