পাঁচ হাজারের মিশনে জুটি বেঁধেছেন তামিম-মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক চট্টগ্রাম থেকে
প্রকাশিত: ০২:৪৮ পিএম, ১৭ মে ২০২২

ম্যাচটি শুরুর আগে ৮৪ রানে এগিয়ে ছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই ব্যবধান শেষ করে উল্টো এগিয়ে গেছেন তামিম ইকবাল। এখন দুজনের সামনেই অভিন্ন মাইলফলক। প্রথম ব্যাটার হিসেবে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়ার সুযোগ তামিম ও মুশফিকের সামনে।

কে আগে করবেন ৫ হাজার সেটিই দেখার। সেই মিশনে চতুর্থ উইকেটে জুটি বেঁধেছেন মাইলফলকের অপেক্ষায় থাকা তামিম ও মুশফিক। চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২২০ রান। শ্রীলঙ্কার ৩৯৭ রানের চেয়ে আর ১৭৭ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরিতে তামিম অপরাজিত রয়েছেন ১৩৩ রান করে। পাঁচ হাজারের ক্লাবে ঢুকতে তার প্রয়োজন আর ১৯ রান। অন্যদিকে ১৪ রান করা মুশফিকের প্রয়োজন আরও ৪৮ রান। তাই আপাতত তামিমেরই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে পাঁচ হাজার রান করার সম্ভাবনা বেশি।

আজ দিনের দ্বিতীয় সেশনটি নিজেদের করে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। এই সেশনে সাজঘরে ফিরেছেন তিন ব্যাটার, ২৫ ওভারে এসেছে মাত্র ৬৩ রান। তবে তামিম একপ্রান্ত ধরে রাখায় এবং মুশফিকের সঙ্গে জুটি এরই মধ্যে ৩৬ রান যোগ করে ফেলায় খুব একটা বিপদে নেই বাংলাদেশ।

মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে খেলা শুরু হওয়ার পর সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান তরুণ ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। আসিথা ফার্নান্দোর বলে প্রথম সেশনে ব্যক্তিত ৫১ রানের মাথায় জীবন পেয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে আর মাত্র ৭ রান যোগ করে লেগস্ট্যাম্পের বাইরের বলে কট বিহাইন্ড হন জয়।

তার বিদায়ে ভাঙে ১৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি। টেস্ট ক্রিকেটে উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। এরপর বিশ্ব ফার্নান্দোর জায়গা কনকাশন সাব হিসেবে নামা কাসুন রাজিথার বলে সাজঘরে ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুল হক।

অফস্ট্যাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়েও থেমে যান শান্ত। বল তার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে জমা পড়ে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। এরপর মুমিনুল হকের ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলিয়ে স্ট্যাম্পে আঘাত করেন রাজিথা। দুজনই করেন সমান ২ রান। এ নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে এক অঙ্কে আউট হলেন টাইগার অধিনায়ক।

অবশ্য তামিমও ফিরে যেতে পারতেন ব্যক্তিগত ১১৪ রানের মাথায়। ইনিংসের ৬২তম ওভারে রমেশ মেন্ডিসের বলে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন তামিম। কিন্তু সেটি হাতে রাখতে পারেননি ধনঞ্জয় ডি সিলভা। ফলে জীবন পেয়ে যান সেঞ্চুরিয়ান তামিম।

এর আগে ব্যক্তিগত ১০২ রানের সময় রিভিউ নিয়ে নিজের উইকেট বাঁচান তিনি। রমেশের ওভারেই তামিমকে কট বিহাইন্ড আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার শরফৌদ্দৌল্লা ইবনে সৈকত। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন তামিম। রিপ্লে'তে দেখা যায় ব্যাটে লাগেনি সেটি। তাই বেঁচে যান তামিম।

এসএএস/এমএমআর/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]