‘মেসি’র মত একজনকে পেয়ে মহাখুশি গার্দিওলা

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৩৭ পিএম, ১০ আগস্ট ২০২২

লিওনেল মেসির উত্থান এবং সোনালি সময়ের শুরুটাতেই বার্সেলোনার কোচ ছিলেন পেপ গার্দিওলা। তার কোচিংয়েই প্রস্ফুটিত হয়ে উঠেছিলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। বার্সা ছেড়ে গার্দিওলা কোচ হয়েছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের। এখন কোচের দায়িত্ব পালন করছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটির।

ম্যানসিটিতেও কাটিয়ে ফেলেছেন প্রায় অর্ধযুগ। দলটিতে অবশেষে তিনি পেয়েছেন একজন ‘মেসি’র দেখা। যাকে পেয়ে মহাখুশি লিওনেল মেসির সাবেক কোচ। গার্দিওলার সেই ‘মেসি’ হলেন আর্লিং হালান্ড। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড থেকে এই মৌসুমেই ম্যানসিটিতে যোগ দিয়েছেন নরওয়ের এই ফুটবলার।

ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় দিয়ে মৌসুম শুরু করেছে ম্যানসিটি। এই ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন দলটির নতুন রিক্রুট আর্লিং হালান্ড। জোড়া গোল করেও যেন তার গোলক্ষুদা মেটেনি। আরো গোল কেন করতে পারলেন না এটা নিয়ে দারুণ আক্ষেপ হালান্ডের। হ্যাটট্রিক করতে না পারার কারণে সরাসরিই নিজের বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি।

হালান্ডের এই প্রতিক্রিয়া দেখে খুব খুশি কোচ পেপ গার্দিওলা। মুহূর্তেই তার লিওনেল মেসির কথা মনে পড়ে গেলো। মেসিরও এমন গোলক্ষুদা রয়েছে। দুটি করলে, তৃতীয়টি কেন করতে পারলেন না- তা নিয়ে আক্ষেপ করতেন। তিনটি করলে আক্ষেপ করতেন কেন চতুর্থ গোলটি করতে পারলেন না।

মেসির বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে আর্লিং হালান্ডের বৈশিষ্টের মিল পেয়ে দারুণ খুশি পেপ গার্দিওলা বলেন, ‘এটা অনেক ভালো। আমি এটাকেই বেশি পছন্দ করি। আমি সৌভাগ্যবান ছিলাম যে, মেসির মত ফুটবলারের কোচ হয়েছিলাম। যখন তিনি দুই গোল করতেন, তখন তিনটি কেন করতে পারেননি, সে জন্য হা-হুতাশ করতেন। তিনটি করলে কেন চারটি করতে পারেননি সে আক্ষেপ করতেন।’

‘সেরা গোলস্কোরাররা কখনোই সন্তুষ্ট হতে পারেন না। তারা সব সময়ই গোলের জন্য ক্ষুদার্ত, তৃষ্ণার্ত হয়ে থাকে। তাদের আরও গোল চাই। এই চাওয়াটাই তাদেরকে অন্যদের কাছ থেকে আলাদা করে দেয়।’

ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন হালান্ড তাতে করে আগের ম্যাচে লিভারপুলের বিপক্ষে নিষ্প্রভ থাকাকে কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন তিনি। কম্যুনিটি শিল্ডে লিভারপুলের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে ম্যানসিটি। এরপর নানা বিদ্রুপ সইতে হয়েছে তাকে। এ নিয়ে গার্দিওলা বলেন, ‘আমি জানি কিভাবে এই সপ্তাহে অনেকগুলো সমালোচনা তাকে সইতে হয়েছে। সত্যিই সে অনেক শান্ত ছিল এবং ভালো ট্রেনিং করেছে। তবে, পেনাল্টি থেকে যেভাবে গোল করেছে, তা দেখে স্বাভাবিকভাবেই বলে ফেলেছিল, এটাই আমি পছন্দ করি বেশি।’

আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।