সুন্দরী নারী দিয়ে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ যাত্রা আটকাবে রাশিয়া!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:১২ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

সের্গেই স্ক্রিপল ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সাথে রাশিয়ার সম্পর্কটা একদম তলানির দিকে। তার উপর সম্প্রতি সিরিয়াতে ইঙ্গো-মার্কিন-ফ্রেঞ্চ জোটের হামলায় সিরিয়ার মিত্র জোট রাশিয়া বেজায় ক্ষুব্ধ। রাশিয়াতেই বসছে ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের মানসিকভাবে মুষড়ে ফেলতেই রাশিয়া ‘মধুর ফাঁদ’ এঁটেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।

২০১৬ সালের ইউরো কাপে রাশিয়ার তথাকথিত গুণ্ডারা অনেক অরাজকতার সৃষ্টি করেছিল। রাশিয়ার প্রশক্ষিত গুণ্ডাবাহিনী মার্শেইতে একটি ম্যাচে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের সঙ্গে হাতাহাতি, মারামারিতে পর্যন্ত জড়িয়ে যান গ্যালারিতে; যেটি আজও একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা হিসেবে পরিচিত সারা বিশ্বে।

প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার দিক দিয়ে ক্রেমলিনের সবথেকে প্রতিষ্ঠিত কৌশল হল ‘হানি-ট্র্যাপ’, যাকে বাংলা করলে হয় মধুর ফাঁদ। একজন ব্রিটিশ কূটনৈতিক স্যার আন্ড্রু উড ইতোমধ্যে রাশিয়ান সুন্দরী নারীদের থেকে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি তাদের এমন একটি কৌশল যা প্রায় সবাই জানে।’

media

এস্তোনিয়ায় অবস্থানরত ব্রিটিশ সৈন্যদের এই হানি-ট্র্যাপের মাধ্যমে রাশিয়ানরা তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল। এস্তোনিয়ার গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক প্রধান মিক মারান গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে এমনটাই জানিয়েছেন।

ইংল্যান্ডের বাকিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক অ্যান্থনি গ্লিস ইংল্যান্ডের ফুটবলাদের সতর্ক করে বলেছেন তাদের জন্য রাশিয়া ‘মধুর ফাঁদ’ তৈরি করে রেখেছে। এক্ষেত্রে মোক্ষম পন্থা হিসেবে তারা সুন্দরী নারীর আশ্রয় নিতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

media

ইংল্যান্ডের এক্সপ্রেস ডট কমকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে গ্লিস বলেন, ‘আমি জানি ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জেতার খুব বেশি সম্ভাবনা নেই। কিন্তু ইংল্যান্ডের সর্বনাশ করার সম্ভাবনা খুব বেশিই রয়েছে সেখানে। সেক্ষেত্রে খাদ্যে বিষক্রিয়া, প্রধান খেলোয়াড়দের জন্য মধুর ফাঁদ, এমনকি সুন্দরী নারীদের মাধ্যমেও রাশিয়া এটা করতে পারে।’

‘আমি এই ব্যাপারে তেমন ইতিহাসবেত্তা নই। এইসব কিছু হবেই এমন কিছুও আমি ঘটা করে বলছি না। কিন্তু আমি বলতে পারি, তারা আমাদের খেলোয়াড়দের ফাঁদে ফেলার জন্য এমন কিছু করতে পারে। ফুটবল সুন্দর খেলা। কিন্তু ১৯৩৬ সালের বার্লিং অলিম্পিকের পর প্রায় সবকটি স্পোর্টিং ইভেন্টেই স্বাগতিক দল নানারকম ভাবে সুবিধা আদায় এবং অন্যান্যদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করে আসছে।’

আরআর/এমএমআর/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :