সবুজে হাসলো বসুন্ধরা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:৩৭ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০১৮

ম্যাচ তখন গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের ১৩ মিনিটে। স্কোর বোর্ডে তখনো গোলশূন্য। পরক্ষণেই ভোজবাজির মতো বদলে গেলো ম্যাচের পুরো চিত্র। বদলি স্ট্রাইকার তৌহিদুল আলম সবুজের গোলে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠলো নবাগত বসুন্ধরা কিংস।

প্রিমিয়ার লিগে উঠেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল গড়েছে বসুন্ধরা কিংস। স্থানীয় তারকাদের নিয়ে সেরা দল, বিদেশি কোচ ও খেলোয়াড় সংগ্রহেও অন্যদের ছাড়িয়ে গেছে ঘরোয়া ফুটবলের নতুন শক্তির দলটি। মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে নিজেদের শক্তিমত্তাও দেখালো তারা।

৭৩ মিনিটে ইমন মাহমুদ বাবুর জায়গায় মাঠে নেমেছিলেন তৌহিদুল আলম সবুজ। বদলি এ স্ট্রাইকারের গোলেই শেষ হাসি হাসলো বসুন্ধরা কিংস। ফুটবলের শীর্ষ আসরে নাম লিখিয়েই তারা ফাইনালে। ২৩ নভেম্বর আবাহনীর সঙ্গে বসুন্ধরা কিংসের ইতিহাস গড়ার লড়াই।

বসুন্ধরা কিংস আগের চার ম্যাচে করেছিল ১২ গোল। অথচ গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালই খুঁজে পাচ্ছিলেন না দলের ফরোয়ার্ডরা। শেখ রাসেলের রক্ষণভাগ তছনছ করেও বারবার তাদের হতাশ হতে হয়েছে। রাসেলের গোলরক্ষক আশরফুল রানাই একাই যেন ম্যাচটিকে নিয়ে গেলেন অতিরিক্ত সময়ে।

রাসেলর কোচ সাইফুল বারী টিটুর কৌশল ছিল ম্যাচটাকে টাইব্রেকারে টেনে নেয়ার। পোস্টে আশরাফুল ইসলাম রানার মতো গোলরক্ষক থাকলে যে কোনো কোচই চাইতেন এটা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়নদের। ১১৮ মিনিটে গোল খেয়ে সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয় ব্লুজদের।

ইনজুরিতে থাকায় এ ম্যাচে খেলার কথাই ছিল না তৌহিদুল আলম সবুজের। কেউ যখন গোল পাচ্ছিলেন না তখন স্প্যানিশ কোচ ওসকার ব্রুজান ডাগআউটে বসা সবুজের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তার কী অবস্থা। সবুজ নিজের আগ্রহেই খেলার কথা বলেছিলেন কোচকে। সেই সবুজই রাঙিয়ে দিলেন গ্যালারি রঙিন করা বসুন্ধরা কিংসকে।

আরআই/আইএইচএস/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :