পাতানো খেলায় অভিযুক্ত হওয়ায় ব্যথিত জামাল ভূঁইয়া

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১০:০২ পিএম, ২২ মার্চ ২০১৯

ডেনমার্কে বড় হয়েছেন। ফুটবলে হাতেখড়িও সেখানে। ইউরোপের আলো-বাতাস গায়ে মেখে বড় হলেও বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা বুকে লাগিয়ে জাতীয় ফুটবল দলে খেলছেন এ প্লে-মেকার। বাংলাদেশের অধিনায়কত্ব তার হাতে।

জামাল ভূঁইয়ার দেয়া গোলেই গত এশিয়ান গেমস ফুটবলে কাতারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে বাংলাদেশ। তার অধিনয়াকত্বেই গত ৯ মার্চ কম্বোডিয়ার মাটিতে তাদের হারিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। সেই জামাল ভূঁইয়ার মাথায় এখন ঘরোয়া ফুটবলে পাতানো খেলার অভিযোগ।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে জামাল ভূঁইয়া খেলেন সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবে। দলটির অধিনায়কও ডেনমার্ক প্রবাসী এ মিডফিল্ডার।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ও চট্টগ্রাম আবাহনীর মধ্যেকার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গোলশূন্য ম্যাচটি সমঝোতার সন্দেহ করে তদন্ত করছে বাফুফে পাতানো খেলা সনাক্তকরণ কমিটি। বৃহস্পতিবার এই কমিটি সভা করে ওই ম্যাচের ভিডিও দেখে দুই দলের ৩ জন করে যে ৬ ফুটবলারকে সন্দেহ করে তলব করেছে তাদের মধ্যে আছেন জামাল ভূঁইয়া।

বাফুফের চিঠি ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে দুই ক্লাবে। পাতানো খেলা সন্দেহে অভিযুক্ত হওয়ায় জামাল ভূঁইয়া ব্যথিত। শুক্রবার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে গিয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক বলেছেন, ‘বিষয়টা আমাকে খুব হতাশ করেছে। আমি ব্যথিত। আমরা কেন চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে পাতানো খেলতে যাবো। ওদের সঙ্গে ড্র করে আমাদের কী অর্জন হয়েছে? আমাদের দল তো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য খেলছে।’

পাতানো খেলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর ম্যানেজার আরমান আজিজ বলেছেন, ‘কোনো প্রশ্নই আসে না। ম্যাচে আমাদের একটি পেনাল্টি দেয়নি রেফারি। তবে বাফুফে মনে হচ্ছে ম্যাচটি পাতানো, তারা তদন্ত করে দেখুক। আমাদের তিন ফুটবলারকে কমিটি ডেকেছে। আমরা চিঠি পেয়েছি। ওরা যাবে।’

আরআই/এমএমআর/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :