আরব আমিরাতজয়ী মারিয়া-কৃষ্ণাদের ছাড়াই অনুশীলন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২৬ পিএম, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

সংযুক্ত আরব আমিরাতবধের পর মঙ্গলবার দুপুরে বাফুফের টার্ফে অনুশীলনের সিডিউল ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের। দুপুর ১২.১৫ মিনিট থেকে ১.১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও তার সহকারীরা মেয়েদের অনুশীলন করিয়েছেন। তবে সে অনুশীলনে তিনি রাখেননি বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপের প্রথম ম্যাচ খেলা ১৪ খেলোয়াড়ের কাউকেই।

একাদশের ও বদলি হিসেবে মাঠে নামা ৩ খেলোয়াড়কে রেখে কোচ অনুশীলন করিয়েছেন যারা খেলার সুযোগই পাননি আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে, তাদের। বাফুফে ক্যাম্পে থাকা বাকি মেয়েদের সঙ্গেই অনুশীলন করেছেন তহুরা, মাসুরা পারভীন, নীলারা।

অনুশীলনের সিডিউল দিয়ে কেন আবার বাতিল করলেন? ‘মেয়েরাতো আগের দিনই ৯০ মিনিট অনুশীলন করলো’- প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন হেসে বললেন, তাদের রিকভারির প্রয়োজন ছিল সেটা করেছে। যারা ম্যাচ খেলেছিল তারা আইসবাথ, সাইক্লিংসহ ফিজিক্যাল এক্সারসাইজগুলো করেছে।

খেলার বাইরে থাকা খেলোয়াড়দের অনুশীলন সেরে কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বলেছেন, তার লক্ষ্যই প্রথম ম্যাচে হওয়া ভুল-ত্রুটিগুলো দুর করে পরের ম্যাচে আরো ভালো খেলা উপহার দেয়া। তিনি মূলতঃ সামনের দুই দিন আক্রমণভাগ নিয়েই বেশি কাজ করবেন। ‘ফিনিশিং দূর্বলতার জন্য আমরা বেশি গোল দিতে পারিনি। এ জায়গাটা নিয়েই আমি বেশি কাজ করবো, যাতে সামনের ম্যাচে ভুল কম হয়’-বলেছেন বাংলাদেশ কোচ।

Football

প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে আবারো সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কোচ বলেছেন, ‘আমাদের সব কিছুই ছিল ম্যাচে। শুধু ফিনিশিংটাই ভালো হয়নি। ৯০ মিনিটই আমাদের মেয়েরা ডমিনেট করেছে। আমার নির্দেশনাই ছিল প্রথম মিনিট থেকে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরার। কারণ, দর্শক মাঠে আসবে, তাদেরকে উপভোগ্য খেলা উপহার দেয়ার জন্য।’

আক্রমণভাগের সবাই যখন গোল বাড়াতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন, তখন তহুরাকে নামিয়ে কেন চেষ্টা করলেন না কোচ? তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন গোলাম রব্বানী ছোটন, ‘মার্জিয়া নেমে ভালো ফুটবল খেলেছে। মারিয়ার জায়গায় নেমে রত্নাও ভালো খেলেছে। আর সাজেদাওতো আমার গুরুত্বপূর্ণ একজন ফুটবলার। ওরাওতো খারাপ করেনি। তহুরাকে আগামীতে সুযোগ দেয়া হবে।’

আরআই/আইএইচএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :