ক্লাব জার্সিতে বাংলাদেশ-ভারত ফুটবল লড়াই

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:১৫ পিএম, ১৪ মে ২০১৯

২০১৪ সালের ৫মার্চ সর্বশেষ লড়াই হয়েছিল বাংলাদেশ-ভারতের। ২-২ গোলে ড্র হওয়া সেই ম্যাচের পর গত ৫ বছর ফুটবল মাঠে দেখা হয়নি দুই দেশের জাতীয় দলের। তবে নারী ফুটবল, ক্লাব ও বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে দুই পড়শি দেশের দেখা হয়েছে অনেকবার।
খেলাটা যে পর্যায়েরই হোক-মাঠে নামলে সেটা হয়ে যায় দুই দেশের। মাঠে উত্তেজনা ছড়ায়। বুধবার দুই দেশের দুই ক্লাব মুখোমুখি হচ্ছে এএফসি কাপের ফিরতি ম্যাচে। আবাহনী ও চেন্নাইন এএফসির আড়ালে লড়াইটা আসলে বাংলাদেশ-ভারতের ফুটবলেরই।

ক্লাব পর্যায়ে গত এক মাসে দুইবার দেখা হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের ফুটবলারদের। ১৭ এপ্রিল ঢাকায় খেলে গেছে মিনারভা পাঞ্জাব, ৩০ এপ্রিল আবাহনী খেলে এসেছে আহমেদাবাদ থেকে চেন্নাইন এফসির বিপক্ষে। বাংলাদেশের ক্লাবটি একবারও জিততে পারেনি। মিনারভা পাঞ্জাবের সঙ্গে ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছেন, আহমেদাবাদে গিয়ে হেরে এসেছে ১-০ গোলে।

তিন ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ৪। চেন্নাইন এফসি ৭ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে। দুই দলের জন্যই এই ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে আবাহনীর জন্য একটু বেশি। এ ম্যাচ জিততে না পারলে টিকে থাকার কোনো সুযোগই থাকবে না আবাহনী। চেন্নাইন হারলেও পড়বে না আবাহনীর মতো অতটা বিপদে।

আবাহনী আগের তিন ম্যাচের একটি জিতেছে নেপালের মানাং মার্সিয়াংদি ক্লাবের বিপক্ষে। অন্য দিকে চেন্নাইন এএফসি নিজ দেশের ক্লাব মিনারভা পাঞ্জাবের সঙ্গে ড্র করে পরের দুই ম্যাচে হারিয়েছে আবাহনী ও নেপালের দলটিকে।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী ও চেন্নাইনের ম্যাচটি শুরু হবে সন্ধ্যা ৭ টায়। মঙ্গলবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের কোচই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। আবাহনীর কোচ ফাবিও লেমস বলেছেন, ‘এ ম্যাচ জিততে না পারলে আমাদের আর কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না। আমার ঘরের মাঠের ম্যাচটি জেতার জন্যই মাঠে নামবো।’

চেন্নাইনের ইংলিশ কোচ জন গ্রেগরির চোখেও জয়ের নেশা, ‘আবাহনী কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে আমরা জয়ের জন্য সেরা খেলাটাই খেলবো। এ ম্যাচ জিতলে আমার কোয়ালিফাই করার ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে অনেকটা।’

আরআই/আইএইচএস/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :