তের বছর পর কাতারের মুখোমুখি বাংলাদেশ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৫:৪৭ পিএম, ০৯ অক্টোবর ২০১৯

ফিফার সর্বশেষ র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ ১৮৭, কাতার ৬২। মধ্য প্রাচ্যের দেশটি এগিয়ে ১২৫ ধাপ। এই ব্যবধানের প্রভাব কি মাঠে পড়বে?

কাতারের স্প্যানিশ কোচ ফেলিক্স সানচেজ পরিস্কার বলে দিয়েছেন র‍্যাংকিং একটি সংখ্যা মাত্র। পার্থক্যটা প্রমাণ করতে হয় মাঠে। আজ (বুধবার) ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নদের কোচ বলেছেন, ‘প্রতিপক্ষ প্রতিপক্ষই। আমরা মাঠ থেকে ভালো ফল নিয়ে ফিরতে চাই।’

আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা ৭ টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে কাতারের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। যে কাতার ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক। এ ম্যাচ নিয়ে রোমাঞ্চিত দেশের ফুটবলামোদীরা। আবার শঙ্কিতও। কারণ, ফুটবলে দুই দেশের শক্তি সামর্থ্যের পার্থক্যের প্রভাবটা মাঠে পড়লে দুঃখই আছে বাংলাদেশের কপালে।

বাছাইয়ের দ্বিতীয় পর্বে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ। গত ১০ সেপ্টেম্বর তাজিকিস্তানে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ১-০ গোলে হেরেছে আফগানিস্তানের কাছে। আর কাতারের এটি তৃতীয় ম্যাচ। তারা দুটি ম্যাচই খেলেছে ঘরের মাঠে। প্রথমটিতে ৬-০ গোলে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে এবং দ্বিতীয়টি গোলশূন্যৈ ড্র করেছে ভারতের বিপক্ষে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে কাতারের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলছে এক যুগেরও বেশি সময় পর। ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দোহায় এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ফিরতি ম্যাচটির পর দুই দেশের জাতীয় দল আর মুখোমুখি হয়নি। ওই ম্যাচে কাতার জিতেছিল ৩-০ গোলে। এর আগে ওই বছরের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামে হোম ম্যাচ বাংলাদেশ হেরেছিল ৪-১ গোলে।

এরপর যে ম্যাচটি খেলেছে বাংলাদেশ ও কাতার সেটি জাতীয় দলের নয়, অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমস ফুটবলে কাতারকে ১-০ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই জয়ে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো উঠেছিল এশিয়ান গেমস ফুটবলের দ্বিতীয় পর্বে।

অসম শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ইংলিশ কোচ জেমি ডে লড়াইয়ের কথা শুনিয়েছেন। কাতারের কোচ বলেছেন তারা জয় নিয়েই ঘরে ফিরতে চান। কারণ, আগের ম্যাচটি ড্র করেছে তারা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পূর্ণ পয়েন্ট পেলে টেবিলে তাদের অবস্থান আরো মজবুত হবে।

আরআই/আইএইচএস/এমকেএইচ