তবুও ইসরায়েলেই খেলতে নামছে মেসি-সুয়ারেজরা!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৯ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

একদিকে একের পর এক রকেট হামলা চালিয়ে হত্যা করছে নীরিহ ফিলিস্তিনিদের, অন্যদিকে বিশ্ববাসীকে নিজেদের শান্তিকামী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে ইসরায়েল আয়োজন করছে আর্জেন্টিনা এবং উরুগুয়ের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ।

আজ রাতেই, বাংলাদেশ সময় ১.১৫টায় মাঠে ইসরায়েলের সাবেক রাজধানী তেলআবিবের ব্লুমফিল্ড স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাচ্ছে মেসি-সুরয়ারেজদের লড়াই।

সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষদের শত নিষেধ সত্ত্বেও আর্জেন্টিনা এবং উরুগুয়ে ইসরায়েলের মাটিতে খেলার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেনি। এমনকি মেসি-সুয়ারেজের মত বিশ্বজোড়া খ্যাতি সম্পন্ন ফুটবলাররাও রাজি হয়ে গেলেন ইসরায়েলের মাটিতে খেলতে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল ইসরায়েলের সঙ্গে। ওই সময় সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের তুমুল বাধার কারণে শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে ম্যাচটি বাতিল করে আর্জেন্টিনা।

কিন্তু এর এক বছরের কিছু বেশি সময় পর আবারও ইসরায়েলে খেলতে আসছে মেসি এবং আর্জেন্টিনা। সঙ্গী করে নিয়ে আসছে মেসির ক্লাব সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ এবং তার দেশ উরুগুয়েকে।

কিছুদিন আগেই বার্সেলোনার হোম ভেন্যু ন্যু ক্যাম্পের সামনে একদল ভক্ত-সমর্থক প্ল্যাকার্ড এবং ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ করেছিল। দাবি জানিয়েছিল, মেসি এবং সুয়ারেজ যেন ইসরায়েলে খেলতে না যায়। কিন্তু, সে সব অনুরোধ সত্ত্বেও মেসি-সুয়ারেজরা গেলো ইসরায়েলে খেলতে।

তেল আবিবের ব্লুমফিল্ড স্টেডিয়াম গাজার খুব কাছেই। সেই গাজাতেই একের পর এক রকেট হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করছে ইসরায়েল। তবুও, সেখানে আজ রাত সোয়া একটায় মুখোমুখি হচ্ছে মেসির আর্জেন্টিনা এবং সুয়ারেজের উরুগুয়ে।

আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]