রোনালদোর জোড়া গোলের পরেও জুভেন্টাসের বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৫২ এএম, ০৮ আগস্ট ২০২০

সমীকরণটা সহজই ছিলো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাসের সামনে। ঘরের মাঠে ম্যাচ, ১-০ ব্যবধানে জিতলে হবে টাইব্রেকার, এর বেশি গোলে জিতলে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল। কিন্তু এক গোল হজম করলেই আবার দিতে হবে দুইটি বেশি। এই শেষের সমীকরণটাই মেলাতে পারেনি জুভেন্টাস, ফলে বেজে গেছে তাদের বিদায়ঘণ্টা।

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচটি অলিম্পিক লিওর মাঠ থেকে ০-১ গোলে হেরে এসেছিল জুভেন্টাস। তবু দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ ঘরের মাঠে হওয়ায় আশা ছিল সামলে নেয়ার। তা নেয়াও গেছে, কিন্তু ঘরের মাঠে এক গোল হজম করে ফেলায়ই বাঁধল বিপত্তি।

নিজেদের মাঠে ১-০ গোলে জেতা লিও জুভেন্টাসের মাঠে হেরেছে ১-২ গোলে। ফলে দুই লেগ মিলে হয় ২-২ ড্র। কিন্তু প্রতিপক্ষের মাঠে এক গোল করায় অ্যাওয়ে গোল নিয়মে শেষ আটের টিকিট পায় ফ্রেঞ্চ ক্লাব লিও। কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ম্যান সিটি। ম্যাচটি হবে ১৫ আগস্ট দিবাগত রাতে।

শুক্রবার রাতের ম্যাচে প্রথম গোল করেছে লিওই। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করলেও, গোল পায় ১২ মিনিটের সময়। রদ্রিগো বেন্টাঙ্কুর ডি-বক্সের মধ্যে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ভিএআরেও বহাল থাকে এই সিদ্ধান্ত। সফল স্পটকিকে দলকে এগিয়ে দেন মেম্ফিস ডিপে।

জুভেন্টাসের সমতাসূচক গোলটিও আসে পেনাল্টি থেকে। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার মিনিট দুয়েক আগে মিরালেম পিয়ানিচের ফ্রি-কিকে আসা বল ডিপের হাতে লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি। সহজ সুযোগ থেকে গোল করতে কোনো ভুল করেননি দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে দলকে এগিয়ে দেয়া গোলটিও করেন রোনালদো। ম্যাচের ৬০ মিনিটের সময় ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন তিনি। গোলরক্ষকের হাতে লাগলেও তা জড়িয়ে যায় জালে। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে রোনালদোর এটি ১৩০তম গোল। চলতি মৌসুমে চতুর্থ।

ম্যাচের স্কোর তখন ২-১। আর একটি গোল করলেই পাওয়া যাবে শেষ আটের টিকিট। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করেছিল জুভেন্টাস। কিন্তু কাজের কাজ আর হয়নি। ফলে ম্যাচ শেষ হয় ২-১ ব্যবধানে। অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে শেষ আটে যায় লিও।

একই সময়ে শুরু হওয়া দিনের অন্য ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দুই লেগ মিলে ৪-২ গোলের অগ্রগামিতায় কোয়ার্টার নিশ্চিত হয়েছে তাদের। সেমিতে ওঠার লড়াইয়ে আগামী ১৫ আগস্ট দিবাগত রাতে সিটিজেনদের প্রতিপক্ষ ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক লিও।

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]