মেসিকে কিভাবে আটকাবে, জবাব খুঁজছে বায়ার্ন

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:০৪ পিএম, ১২ আগস্ট ২০২০

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের বাকি আর সাতটি ম্যাচ। যেকোনো একটি দল সর্বোচ্চ পাবে তিন ম্যাচ; কোয়ার্টার, সেমিফাইনাল ও ফাইনাল। এ তিন ম্যাচ জিততে পারলেই ক্লাবের ট্রফি ক্যাবিনেটে যোগ হবে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা। সে লক্ষ্যে শেষ আটে মুখোমুখি স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের এস্তাদিও দ্য লুজে হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচে বার্সেলোনা বরাবরের মতোই তাকিয়ে থাকবে অধিনায়ক লিওনেল মেসির দিকে। বিশেষ করে জার্মান ক্লাবগুলোর বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার পারফরম্যান্স বাড়তি আশা জাগাচ্ছে বার্সা সমর্থকদের মনে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে মেসির করা মোট ১১৮ গোলের মধ্যে ১৭টি এসেছে জার্মান দলগুলোর বিপক্ষে, তাও মাত্র ১৬ ম্যাচ খেলেই। জার্মান প্রতিপক্ষ পেলে প্রতি ৭৩ মিনিটেই একবার করে স্কোরশিটে নাম লেখান মেসি। এমন পরিসংখ্যান ভয় ধরাচ্ছে বায়ার্নের মনেও। বিশেষ করে ২০১৪-১৫ মৌসুমে বায়ার্নের বিপক্ষে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্স এখনও সবার মুখে মুখে।

বায়ার্নের জার্মান মিডফিল্ডার লিওন গোরেৎজকা তো প্রায় বলেই দিলেন, মেসিকে আটকানোর পথ জানা নেই তাদের। তার মরো আরও হাজারও মানুষ মেসিকে থামানোর পথ খুঁজছে জানিয়ে মঙ্গলবার লিসবনে সংবাদমাধ্যমে গোরেৎজকা বলেছেন, ‘মেসিকে থামানোর পথ হাজারও মানুষ খুঁজছে। তবে এটা ভালো। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিপক্ষে খেলার পর এখন গত দশকের আরেক সেরা খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলতে পারা দারুণ অভিজ্ঞতা হবে।’

এসময় নিজ থেকেই মেসিকে থামানোর কৌশল সম্পর্কে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘হয়তো দলীয়ভাবে এটা (মেসি আটকে রাখা) সম্ভব। কারণ সে একজন প্রকৃতিপ্রদত্ত ফুটবলার। আমি জানি না কীভাবে হবে, তবে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আমাদের খেলতে হবে।’

এদিকে সেরা ছন্দে রয়েছে বায়ার্ন। করোনা লকডাউনের পর খেলা ১৩টি ম্যাচের সবকয়টিতে জিতেছে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে আসার পথে শেষ ষোলোর দুই লেগ মিলে চেলসির জালে ৭ গোল দিয়েছে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেই এবার তাদের ট্রেবল পূরণ হয়ে যাবে।

তবে এটি যে সহজ হবে না, তা জানেন গোরেৎজকা। তার ভাষ্য, ‘এখন আর কোনো সহজ পথ নেই। আমরা এখন পর্তুগালে আছি এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে নকআউট ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা এর জন্য প্রস্তুত আছি। নকআউট ম্যাচগুলো দারুণ হয়ে থাকে। আমরা এখন দলগত ফুটবল খেলছি। যেখানে একক নৈপুণ্যগুলো বেশ কাজে দিচ্ছে।’

এসএএস/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]