প্রথমার্ধেই ৪ গোল হজম করলো বার্সা

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০২:০৪ এএম, ১৫ আগস্ট ২০২০

খেলার মাত্র অর্ধেক শেষ হলো। এর মধ্যেই গোল হয়ে গেছে মোট ৫টি। যার প্রতিটিই দিলো বায়ার্ন মিউনিখ। কিন্তু ম্যাচের স্কোরলাইন ৪-১। একটি গোল বায়ার্ন নিজেদের জালে যদি না জড়াতো, তাহলে বার্সার ভাগে গোলের পাল্লা থাকতো পুরোপুরি শূন্য।

ম্যাচটিকে সবাই ধরে নিয়েছিল, ফাইনালের আগে আরেক ফাইনাল হিসেবে। বার্সেলোনা এবং বায়ার্ন মিউনিখের খেলা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই তো হওয়ারই কথা।

কিন্তু মাঠের খেলায় বার্সাকে খুঁজে পাওয়াই যেন দায়। লিওনেল মেসিরা মাঠে নেমেছে যেন শুধু বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকানোর জন্যই। নিশ্চিত আরও কয়েকটি গোলের সুযোগ মিস না হলে স্কোরলাইন আরও বাজে হতে পারতো। লিখতে হতো হয়তো, বার্সার জালে একের পর এক গোল দিয়েই গেলো বায়ার্ন।

প্রথমার্ধের খেলা দেখে মনে হচ্ছে, বার্সেলোনার ডিফেন্স বলতে কিছুই নেই। মাঝ মাঠে ভিদাল আর বুস্কেটস উপরে-নিচে দৌড়াচ্ছেন শুধু। মেসি বারবার জায়গা পরিবর্তন করে চেষ্টা করছেন একটা-দুটা বল পাওয়া যায় কি না। সুয়ারেজ মাঠে ছিলেন কি না দেখা গেছে শুধুমাত্র প্রথমার্ধের শেষ দিকে বায়ার্নের পোস্টে একটি শট নেয়ার পর। বলা বাহূল্য, সেই শট কোনো কাজেই আসেনি।

মেসি ওয়ান-টু-ওয়ান একটি বল পেয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সামনে ছিলেন শুধু গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নুয়্যার। কিন্তু তার বাম পায়ের শটটি ট্রেডমার্ক শট ছিল না। সুতরাং, জালের দেখা পায়নি মেসির সেই শট। ওই একটি ছাড়া পুরো ৪৫ মিনিটে আর শটই নেয়ার সুযোগ মেলেনি মেসির।

প্রথম থেকেই এক তরফা খেলছে বায়ার্ন আর বার্সা। দেখে মনে হচ্ছিল পাড়ার বড় ভাই আর ছোট ভাই খেলছে। ছোট ভাইয়ের কাজই হলো বড় ভাইয়ের আক্রমণ ঠেকানো। যার ধারাবাহিকতা শুরু হয়েছিল ম্যাচের একদম প্রথম দিকে।

৪র্থ মিনিটেই বার্সার জালে বল জড়িয়ে দেন বায়ার্নের থমাস মুলার। রবার্ট লেওয়াডস্কির পাসকে আলতো পায়ে বার্সার জালে ঠেলে দিলেন মুলার। খেলার সপ্তম মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন ডেভিড আলাবা। ব্যবধান ১-১।

২১তম মিনিটে ইভান পেরিসিক বাম পায়ের দারুণ এক প্লেসিং শটে বার্সার জালে বল জড়ান। গোলরক্ষক টার স্টেগান ঝাঁপিয়ে পড়ে, পায়ে ঠেকিয়েও পারেননি গোল ঠেকাতে। ২৭ মিনিটে সার্জি গিনাব্রি বক্সের মাঝ বরাবর থেকে ডান পায়ের শটে বল জড়িয়ে দেন বার্সার জালে। গোরেৎজকার পাস থেকে বল পেয়েছিলেন তিনি।

৩১ মিনিটেই ৪-১ ব্যবধান করে ফেলেন থমাস মুলার। ডান কর্নার থেকে জসুয়া কিমিচের দারুণ একটি পাস থেকে আসা বলে শুধু পা ঠেকিয়ে দেন মুলার। টার স্টেগানকে ফাঁকি দিয়ে বলটা জড়িয়ে গেলো মেসিদের জালে। হয়ে গেলো ৪-১।

আইএইচএস /

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]