৮ গোল হজম করে পিকে বলছেন, ‘পুরো বার্সাকেই পরিবর্তন করতে হবে’

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০০ এএম, ১৫ আগস্ট ২০২০

একটি দলের নাম ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা, আরেকটি দলের নাম ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন। দুটি দলকেই সংক্ষেপে বলা হয় এফসিবি (FCB)। নামের মিল থাকার পরেও স্পেনের এফসিবির প্রতি কোনো দয়ামায়া দেখাল না জার্মানির এফসিবি। বার্সেলোনাকে রীতিমতো পাড়ার দল বানিয়ে ৮-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে বায়ার্ন।

এমন পরাজয়ের পর কোনো ব্যাখ্যাই গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা মাঠে বার্সেলোনার হতশ্রী পারফরম্যান্স নিজেদের চোখে দেখেছে কোটি ফুটবলপ্রেমী। বায়ার্ন প্রতিবার বল পেলেই মনে হচ্ছিল এবার বুঝি গোল হজম করবে বার্সেলোনা। আদতে হয়েছেও তাই। একের পর এক গোল হজম করেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে নকআউট স্টেজে প্রথম দল হিসেবে ৮ গোল দিয়েছে বায়ার্ন। আক্ষরিক অর্থেই একদম শুরু থেকেই শুরু হয় বায়ার্নের গোল উৎসব। যা চলেও একদম শেষ পর্যন্ত। ম্যাচের চতুর্থ মিনিট থেকে শুরু হয় গোলের ধারা, যা শেষ হয় ৮৯ মিনিটে গিয়ে। বার্সাকে তারা হারায় ৮-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে

এমন বিব্রতকর পরাজয়ের রাতে হতাশার সব রেকর্ড নিজেদের সঙ্গী করেছে বার্সেলোনা। ৭৪ বছর পর নিজেদের জালে ৮ বার বল প্রবেশ করতে দেখল বার্সা। এমন পরাজয়ের পর দলের অন্যতম বড় তারকা জেরার্ড পিকে এক বাক্যে মেনে নিয়েছেন পুরো দলকেই পরিবর্তন করতে হবে।

ম্যাচ শেষে নিজের হতাশা না লুকিয়ে পিকে সরাসরি বলেন, ‘আমি বেদনাহত। আমরা সবাই কষ্ট পাচ্ছি। আমরা এভাবে খেলতে পারি না। এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন। এর বেশি কিছু বলার নেই। এটা কি একটা যুগের অবসান? আমি নিশ্চিত নই। তবে আমাদের মেনে নিতে হবে যে, আমাদের একেবারে গোড়ায় আঘাত লেগেছে।’

এমন পরাজয় মেনে নেয়ার মতো নয় উল্লেখ করে তিনি আরও বলেছেন, ‘শুধু খেলোয়াড়দের ব্যাপার নয়, ক্লাব হিসেবেও আমরা সঠিক পথে নেই। অনেকগুলো সাফল্যে ভরা বছর পার করে এসেছি। তবে এবার আমরা লিগ জিতিনি, ইউরোপে জিতলাম না। তবে আমাদের চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। আজ মাঠে যা হলো তা মেনে নেয়া যায় না।’

এসময় পুরো ক্লাবেই পরিবর্তন দরকার বলে মন্তব্য করেন পিকে। তার মতে ফুটবল খেলায় নিয়মিতই কিছু কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, ‘ক্লাবে পরিবর্তন দরকার, আমি নির্দিষ্ট করে বলতে চাই না। তবে ফুটবল এমন একটা খেলা যেখানে পরিবর্তন নিয়মিত প্রয়োজন। ঘুরে দাঁড়াতে কী প্রয়োজন, তার খোঁজ করতে হবে আমাদের। যেসব মানুষ এই ক্লাবের জন্য সঠিক কাজটা করবে, তাদের ওপর আস্থা রাখতে হবে আমাদের।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]