নতুন খেলোয়াড় কিনবে না রিয়াল মাদ্রিদ

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫২ এএম, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

নতুন মৌসুমে এরই মধ্যে গ্যারেথ বেল, হামেস রদ্রিগেজ, আশরাফ হাকিমি, রেগুইলিয়ন ও ব্রাহাম ডিয়াজকে ছেড়ে দিয়েছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু নতুন করে কোনো খেলোয়াড়কে নিজেদের দলে ভেড়ায়নি স্প্যানিশ লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। দলের কোচ জিনেদিন জিদান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের মৌসুমে নতুন কোনো খেলোয়াড় কিনবে না তার দল।

রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করেছিল স্প্যানিশ লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। দ্বিতীয় ম্যাচে রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে জেগেছিল পরাজয়ের শঙ্কা। তবে প্রথমে আত্মঘাতী গোলের উপহার আর শেষে পেনাল্টিতে পাওয়া গোলে মৌসুমের প্রথম জয় পেয়েছে জিনেদিন জিদানের শিষ্যরা।

এমন পারফর‍ম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে স্কোয়াডের শক্তিমত্তা নিয়ে। তবে দলের কোচ জিদান আস্থা রেখেছেন নিজের খেলোয়াড়দের ওপর। নতুন খেলোয়াড় দলের আনার ব্যাপারে তার ভাষ্য, ‘না! আমরা এর আগেও এ বিষয়ে কথা বলেছি। আমাদের স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। আমাদের যা আছে আমরা তাই। আবারও চেষ্টা করব একটি সফল মৌসুম কাটানোর জন্য।’

এসময় রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়েও কথা বলেন জিদান। ম্যাচের শেষদিকে পাওয়া পেনাল্টি নিয়ে চলছে বিতর্ক। যেখানে মার্ক বার্ত্রার হ্যান্ডবল হওয়ায় পেনাল্টিটি পেয়েছিল রিয়াল এবং সেখান থেকে গোল করেই দলকে ৩-২ ব্যবধানের জয় এনে দেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস। জিদানের মতে, এসব ক্ষেত্রে রেফারির সিদ্ধান্ত মেনে নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

রিয়াল কোচ বলেছেন, ‘খেলায় পিছিয়ে থাকলে ইতিবাচক কিছু করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে আমরা তা করতে পেরেছি। প্রতি ম্যাচে এমনটা করতে পারাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম এবং সবাই বলে যে আমরা কেনো বেশি গোল করতে পারি না। আজকে আমরা তিনটি গোল করেছি এবং আরও বেশি করতে পারতাম। আমি খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত। তারা দারুণ করছে, এই ধারা বজায় রাখতে হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যেকোনো কিছু পুনর্বিবেচনা করার জন্য রেফারি রয়েছে। আমার মনে হয়, সবশেষে রেফারির কথাই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দায়িত্বটা তারই। আমি কখনও রেফারির সঙ্গে কিছু নিয়ে বিরোধে যাই না, আজকেও তাই কিছু বলবো না। আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল কঠিন মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফেরা। আমাদের পারফরম্যান্সে আমরা খুশি হতেই পারি। এই তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্য আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]