জানতাম কঠিন হবে, তবে জিতেছি এটাই বড় : মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০০ এএম, ০৯ অক্টোবর ২০২০

গতবছরের ১৯ নভেম্বর সবশেষ ম্যাচ খেলেছিল আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্র’তে শেষ হয়েছিল সেই ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচটি। এরপর প্রায় বছরখানেক পেরিয়ে গেলেও, করোনাভাইরাসের কারণে একসঙ্গে মাঠে নামা হয়নি লিওনেল মেসি, পাওলো দিবালাদের।

অবশেষে একসঙ্গে ম্যাচ খেলতে পেরেছেন আর্জেন্টাইন তারকারা। তাও কি না বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে। শুক্রবার শুরু হয়ে গেছে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের খেলা। যেখানে প্রথমদিন ইকুয়েডরের মুখোমুখি হয়েছে আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির করা গোলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শুভসূচনাই করেছে আলবিসেলেস্তেরা

স্কোরলাইন দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ম্যাচটা খুব একটা সহজে জিততে পারেনি আর্জেন্টিনা। মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় লিওনেল মেসির পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যাওয়া, এই এক গোলের লিডেই স্বস্তির জয়ে মাঠ ছাড়া; এর বাইরে মাঠের খেলায় খুব একটা আশা জাগানিয়া ছিলো না আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স।

প্রায় এক বছর পর খেলতে নেমে খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলো বোঝাপড়ার অভাব, মাঠে দেখা গেছে ভুল পাসের ছড়াছড়ি। এর সঙ্গে আবার যোগ হয় ইকুয়েডরের শরীরী ফুটবলের মেলা। যে কারণে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবু জয় পাওয়ায় সন্তুষ্টি অধিনায়ক মেসির কণ্ঠে।

ম্যাচশেষে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক জানালেন, ‘আমরা জানতাম এটা খুবই কঠিন হতে চলেছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা ম্যাচটা জিতেছি এবং আমাদের এখন নিজেদের খেলার উন্নতির জন্য কাজ করে যেতে হবে।’

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শুরুটা জয় দিয়ে করার গুরুত্ব বুঝিয়ে মেসি আরও বলেন, ‘বাছাইপর্ব কতটা কঠিন হয় তা সবারই জানা। তাই জয় দিয়ে শুরুটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখানে সব ম্যাচই কঠিন। আমরা এমন লড়াইয়ের কথা ভেবেই রেখেছিলাম। লম্বা সময় ধরে খেলার বাইরে। যে কারণে উদ্বেগটাও ছিলো চরমে।’

এসময় চলতি বছরের নানান ঝামেলা ও খেলায় বিরতির কথাও তুলে ধরেন মেসি। তবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলতে পারার আনন্দটা সবকিছুকে ছাপিয়ে যায় বলেই এসব ম্যাচে বাড়তি আনন্দ তার। এই খেলার মাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি বাড়তি শক্তি সঞ্চার করার কথাও জানান মেসি।

তার শেষ কথা, ‘পুরো বছরটা খুবই কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং। আমরা এখন যা দেখছি তা কেউ কখনও আশা করেনি। তবে জাতীয় দলের হয়ে আবার খেলতে পারা, ম্যাচ জেতার মাধ্যমে মানুষদের আনন্দ দিতে পারাটা আসলে খেলার স্বার্থেরও ঊর্ধ্বে; এটা চাপ কমিয়ে দেয়। আমি এই খেলার মাধ্যমে প্রত্যেক আর্জেন্টাইনকে সাহস ও শক্তি পাঠাতে চাই।’

এসএএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]