আমার বন্ধু আর নেই : রোমারিও

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:২৬ এএম, ২৬ নভেম্বর ২০২০

মাত্র কিছুদিন আগেই ৬০তম জন্মদিন পালন করেছিলেন। যদিও মস্তিষ্কে রক্ত জমে যাওয়ার কারণে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল এবং যে কারণে অসুস্থ ছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। কিন্তু মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচারের পরও যখন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন, তখন তার হঠাৎ মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো ফুটবল বিশ্ব।

সারা বিশ্বে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ থেকে শুরু করে সারা বিশ্বের সব শ্রেণী-পেশার মানুষ শোক জানাচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি শোকস্তব্ধ ম্যারাডোনার সময়কার ফুটবলাররা। নিজ দেশের কিংবা অন্য দেশের ফুটবলার, যারা ম্যারাডোনার সঙ্গে কিংবা বিপক্ষে খেলেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি শোকগ্রস্ত।

ম্যারাডোনার বিপক্ষে খেলেছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের রোমারিও। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার কিন্তু মাঠের বাইরে ছিলেন ম্যারাডোনার গুনমুগ্ধ এবং বন্ধু। এ কারণে ম্যারাডোনার মৃত্যুতে বেশি কষ্ট পেয়েছেন হয়তো।

টুইট বার্তায় সেই কষ্টের কথাই জানাচ্ছেন। টুইটারে ১৯৯৪ বিশ্বকাপের নায়ক, ব্রাজিলিয়ান তারকা রোমারিও লিখেছেন, ‘আমার বন্ধু আর নেই। ম্যারাডোনা, তুমি কিংবদন্তি। ফুটবল দিয়ে বিশ্ব জিতে নিয়েছিলে তুমি।’

১৯৮৬’র বিশ্বকাপ যদি হয় ম্যারাডোনার, তাহলে ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপ মারিও কেম্পেসের। সেবারের বিশ্বকাপে লুই সিজার মেনোত্তির দলে জায়গা হয়নি ম্যারাডোনার।

এর চার বছর পরে ১৯৮২ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে বিশ্বকাপে খেলতে নামেন দিয়েগো। তখন তার সতীর্থ ছিলেন কেম্পেস। সেই কেম্পেস টুইট করেন, ‘আমাদের ছেড়ে আজ চলে গেল ম্যারাডোনা। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। ফ্লাই হাই দিয়েগো।’

এই প্রজন্মের তারকা, ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে টুইটারে শ্রদ্ধা নিবেদন করে লিখেছেন, ‘ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল তুমি থেকে যাবে। পুরো বিশ্বকে তুমি যেভাবে আনন্দ দিয়েছো তার জন্য ধন্যবাদ।’

আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]