রোনালদোকেও কেনার সুযোগ পেয়েছিল বার্সা, তবে...

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:২৭ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

কে জানতো, এক সময় বিশ্ব ফুটবল শাসন করবে ছেলেটি! ২০০৩ সালে মাত্র ১৭ কি ১৮ বছর বয়স। ওই সময় খেলছিলেন পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপিতে। স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা সুযোগ পেয়েছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কিনে নেয়ার। কেনার খুব কাছাকাছিও চলে গিয়েছিল তারা। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার রোনালদিনহোর জন্যই পর্তুগিজ তারকাকে কেনা হয়নি কাতালান ক্লাবটির।

সবারই জানা, স্পোর্টিং সিপিতে থাকাকালেই রোনালদোর ওপর নজর পড়ে ম্যানইউর তখনকার কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের। স্পোর্টিং সিপি থেকে ২০০৩ সালে ১৯ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কিনে নেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

অথচ, তার আগেই সিআর সেভেনকে কেনার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল বার্সা। এমনকি মাত্র ১৭ মিলিয়ন ইউরোয় স্পোর্টিং সিপি থেকে কিনতে পারতো রোনালদোকে। কিন্তু সেই সুযোগ তারা তখন হেলায় হারিয়েছে।

কেন রোনালদোকে সুযোগ পেয়েও কেনেনি কাতালান ক্লাবটি! সে রহস্য জানিয়েছেন বার্সার তখনকার প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা। তিনি জানিয়েছেন, ব্রাজিলিয়ান রোনালদিনহো এবং মেক্সিকান ডিফেন্ডার রাফায়েল মার্কুয়েজকে কিনে ফেলার কারণেই রোনালাদোকে তখন কেনা হয়নি বার্সার।

টুইটারে একটি কথোপকথনে (চ্যাট) লাপোর্তা বলেন, ‘আমরা তখন রোনালদিনহো এবং রাফা মার্কুয়েজকে ক্লাবের সঙ্গে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছিলাম। তবে ক্লাবের লোকজন তখন আমাকে বলেছিল, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে কেনার জন্য। তখন সে স্পোর্টিং ক্লাবে ছিল। (স্পোর্টিংয়ের) এক এজেন্ট এসে জানাল, তাদের কাছে একজন খেলোয়াড় আছে যাকে ম্যানইউর কাছে ১৯ মিলিয়ন ইউরোয় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে, তারা ম্যানইউর চেয়ে আমাদের কাছেই ফুটবলারটিকে বিক্রি করতে চায় এবং এ জন্য মাত্র ১৭ মিলিয়ন ইউরো প্রয়োজন হবে।’

পরের ঘটনা নিয়ে লাপোর্তা বলেন, ‘কিন্তু ততক্ষণে আমরা রোনালদিনহোকে কিনে ফেলেছি। রোনালদো তখন খেলতো সেন্টারের চেয়ে অনেক বাইরে। কিন্তু রোনালদিনহো ছিল পুরোদস্তুর আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। সেন্টারেই খেলতেন। যে কারণে আমাদের প্রয়োজন ছিল না আর এবং রোনালদোকে কেনার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। তবে, সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়াতে আমার কোনো দুঃখবোধ নেই।’

সেই রোনালদো ম্যানইউতে যাওয়ার পর নিজেকে বিশ্বমানের হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এরপর যান রিয়াল মাদ্রিদে। সেখান থেকে বর্তমানে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাসে। এরই মধ্যে ৫টি ব্যালন ডি’অর। ৫টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগসহ জিতেছেন অসংখ্য ট্রফি এবং ব্যক্তিগত পুরস্কার। জাতীয় দল এবং ক্লাব মিলিয়ে করেছেন ৭৫৯ গোল।

আইএইচএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]