ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসনের বাবার মর্মান্তিক মৃত্যু

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:২৬ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

লেকের পানিতে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের বাবা হোসে অগাস্তিনহো বেকারের। তার অবকাসকালীন আবাসস্থল দক্ষিণ ব্রাজিলে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

অ্যালিসন বেকারের প্রথম ক্লাব স্পোর্টস ক্লাব ইন্টারন্যাশলান বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে মর্মান্তিক সেই মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে। একইসঙ্গে ক্লাবের সাবেক ফুটবলারকে কঠিন সময়ে সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ক্লাবটি।

ইএসপিএন ব্রাজিলের রিপোর্টে বলা হয়, ‘সাঁতারের জন্য বাড়ি থেকে বেরুনোর পর বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে নিখোঁজ ছিলেন সিনিয়র বেকার। পরে লাভরাস দো সুলে তার হলিডে হোমের নিকটে একটি লেক থেকে উদ্ধার করা হয় হোসে বেকারের মৃতদেহ।’

লেকের পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়েই ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার পর ক্যাসাপাভা দো সুলের দমকল বিভাগ এবং লাভরাস দো সুল পুলিশ যৌথ উদ্যোগে নিখোঁজ সিনিয়রের বেকারের মৃতদেহ লেকের পানি থেকে উদ্ধার করে।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সও জানিয়েছে, ব্রাজিলের দক্ষিণ অংশে হলিডে হোমের কাছাকাছি একটি লেক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫৭ বছরের হোসে বেকারের মৃতদেহ।

এক শোকবার্তায় স্পোর্টস ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল লিখেছে, ‘ক্লাবের সাবেক গোলরক্ষক অ্যালিসন এবং মুরিয়েলের বাবা হোসে অগাস্তিনহো বেকারের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবরে আমরা শোকাহত। কঠিন এই সময়ে ক্লাব তাদের পরিবার এবং প্রিয়জনদের পাশে রয়েছে।’

সিনিয়র বেকারের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে ব্রাজিলের আরেক ফুটবল ক্লাব সাও পাওলো এফসিও।

ফুটবলের সঙ্গে সরাসির কোনো কোনও যোগাযোগ ছিল না। তবে ২০১৮ সালের একটি সাক্ষাৎকারে অ্যালিসন বেকার জানিয়েছিলেন তার পরিবার গোলরক্ষকদের পরিবার।

বেকার দাবি করেছিলেন তার বাবা হোসে বেকার ব্রাজিলের যে ক্লাবে কাজ করতেন সেই ক্লাবের শট-স্টপার হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, অ্যালিসনের ভাই মুরিয়েল ব্রাজিলের বিখ্যাত ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের গোলরক্ষক। ফ্লুমিনেন্সের পক্ষ থেকেও শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে হোসে বেকারের মৃত্যুতে।

আইএইচএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]