টানা চার সাফের সেমিতে উঠতে ব্যর্থ ফুটবলারদের ‘পুরস্কার’ বেতন

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:০৩ পিএম, ১০ জুন ২০২১

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওটাই ছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীদের দক্ষিণ এশিয়ার ‘বিশ্বকাপখ্যাত’ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সর্বশেষ সেমিফাইনাল খেলা। এরপর টানা ৪ সাফে বাংলাদেশ বিদায় নিয়েছে গ্রুপপর্ব থেকেই।

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে একের পর এক ব্যর্থতার পরিচয় দেয়া ফুটবলারদের এখন বেতনের আওতায় নিয়ে আসছে বাফুফে। বৃহস্পতিবার এ ঘোষণা দিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন। তার এই হঠাৎ ঘোষণায় ফুটবলাররা বেশ খুশি।

শীর্ষস্থানীয় ফুটবলাররা ক্লাব থেকে কাড়িকাড়ি টাকা পাওয়ার পরও জাতীয় দলে তাদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক। সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ ফুটবলাররা দেখিয়েছেন, সব জায়গায় কতটা পিছিয়ে তারা। ক্লাব ফুটবলে বিগত বছরগুলোয় অর্থের যে অঢেল প্রবাহ, সে তুলনায় ফলাফল শূন্য।

অনেকের মতে, ক্লাব ফুটবলে খেলোয়াড়রা অতিমূল্যায়িত। অর্ধকোটি টাকা পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলাররাও গরম করেন বেঞ্চ। তাহলে হঠাৎ এই বেতনের ঘোষণা কেন?

বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, ‘জাতীয় দলে খেলার আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে ও জাতীয় দলে ডাক পাওয়াদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়বে বেতনের আওতায় আনলে। ৩০ জন খেলোয়াড় নিয়ে আমরা পুল করব। প্রথম ক্যাটাগরিতে থাকবেন ২ জন গোলরক্ষকসহ ১৫ জন, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে ১০ জন এবং তৃতীয় ক্যাটাগরিতে ৫ জন। ক্লাবে খেলে সবাই সমান টাকা পান না। ৪০ থেকে ৫০ লাখ কিছু প্লেয়ার পায়। এই টাকা দিয়েই তাদের চলতে হয়। আমরা মনে করছি, ক্লাবের থেকে যে টাকা পায়, ফুটবলাররা তার বাইরে জাতীয় দলে খেলেও কিছু পাক।’

বেতনের আওতায় আসা খেলোয়াড়দের মূল্যায়নের ব্যবস্থাও থাকবে, জানান বাফুফে সভাপতি। তিনি বলেন, ‘আমাদের টেকনিক্যাল কমিটি থাকবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের ক্যাটাগরি পরিবর্তন হবে। ভালো করলে বেশি বেতন পাবেন, খারাপ করলে বাদ পড়বেন। কার্ড ও শৃঙ্খলাজনিত কারণে কার কী শাস্তি হবে, সেটাও বিবেচনা করা হবে গ্রেড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে।’

আরআই/এমএমআর/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]