বার্সাকে জিম্মি করে রেখেছেন রিয়াল প্রেসিডেন্ট পেরেজ!

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:২০ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

লিওনেল মেসিকে ধরে রাখতে না পারা কিংবা বার্সেলোনার বর্তমান তুমুল অর্থনৈতিক সমস্যার পেছনে পরোক্ষভাবে রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের হাত রয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ লা লিগা প্রেসিডেন্ট হ্যাভিয়ের তেবাস। তিনি সরাসরি দাবি করেছেন, ‘পেরেজের কাছে পুরোপুরি জিম্মি হয়ে আছে বার্সেলোনা।’

ইউরোপিয়ান সুপার লিগ আয়োজন নিয়ে রিয়াল-বার্সা দোস্তির বিষয়টা অনেককেই অবাক করেছিল। তখন থেকেই সবাই দেখছে বার্সেলোনা কীভাবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে রিয়াল মাদ্রিদের ওপর নির্ভরশীল। ব্যাপারটা যখন লা লিগা প্রস্তাবিত সিভিসি ডিল-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়, তখন স্প্যানিশ লিগের প্রেসিডেন্ট তা নিয়ে কথা বলবেনই।

সিভিসি হচ্ছে, আগামী ৫০ বছরের জন্য লা লিগা এবং সেগুন্ডা ডিভিশনের ক্লাবগুলোর সঙ্গে টিভি সম্প্রচার সম্পর্কিত একটি বিশেষ চুক্তি। যেটার সঙ্গে একমত হতে পারেনি লা লিগার সেরা তিন ক্লাব বার্সা, রিয়াল, অ্যাটলেটিকো এবং সেগুন্ডা ডিভিশনের একটি ক্লাব।

এ নিয়ে লা লিগা সভাপতি হ্যাভিয়ের তেবাস স্পোর্টের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘বার্সেলোনা সিভিসি ডিলে যখন স্বাক্ষর করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই সেখানে বাধা প্রদান করেছেন ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। যে কারণে তারা নিজেদের মত পরিবর্তন করে ফেলেছে। বার্সাকে পুরোপুরি জিম্মি করে রেখেছেন পেরেজ।’

‘বার্সেলোনা সিভিসি ডিলের সঙ্গে সর্বশেষ একমাস একমত ছিলো এবং স্বাক্ষরেরও প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদ তাদেরকে যখনই বলেছে ‘না’, তখনই তারা মত পরিবর্তন করে ফেলেছে। রিয়ালের কারণে সবসময়ই দেখি বার্সা হীনমন্যতায় ভোগে।’

সাক্ষাৎকারে মেসির চলে যাওয়া নিয়েও কথা বলেছেন তেবাস। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবেই জানি যে, মেসির চলে যাওয়াটা মোটেও অর্থনৈতিক কারণে ছিল না। এই সমস্যাটা এড়ানো অসম্ভব ছিল না বার্সার পক্ষে। মেসির চলে যাওয়াটা আমাকেও বেশ কষ্ট দিয়েছিল। তিনি হচ্ছেন ইতিহাসের সেরা ফুটবলার। শুধু বার্সার জন্যই নয়, পুরো লা লিগার জন্যই মেসির চলে যাওয়াটা ছিল ক্ষতিকর।’

আইএইচএস/এসএএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]