‘আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত’

রফিকুল ইসলাম
রফিকুল ইসলাম রফিকুল ইসলাম , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:১১ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফুটবল মাঠে আগে চারবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মধুময় অভিজ্ঞতা আছে এলিটা কিংসলের। যার তিনটি তার সাবেক দেশ নাইজেরিয়ায়, অন্যটি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে। পঞ্চম ট্রফি নিয়ে উদযাপন করলেন সোমবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বসুন্ধরা কিংসের জার্সি গায়ে।

নাইজেরিয়ান জাতীয়তা ত্যাগ করে বাংলাদেশি হয়েছেন এলিটা কিংসলে। বাংলাদেশি মেয়ে বিয়ে করার সুবাদেই পেয়েছেন এই দেশের পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট। ইতিমধ্যে বাংলাদেশি হিসেবে ঘরোয়া ফুটবল খেলাও হয়ে গেছে তার। এখন অপেক্ষা লাল-সবুজ জার্সিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার।

ক্যারিয়ারের পঞ্চম ট্রফি উঁচিয়ে ধরার মুহূর্তটিকে জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় বলেছেন এলিটা কিংসলে। জাগো নিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশি হিসেবে ট্রফি জয় তার জন্য অন্যরকম মুহূর্ত।

জাগো নিউজ : বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম কোন টুর্নামেন্টের ট্রফি হাতে নিলেন। কেমন অনুভূতি?
এলিটা কিংসলে : অনূভূতি বর্ণনা করার মত নয়। এ মুহূর্তে আমি খুবই আনন্দিত ও উল্লসিত।

জাগো নিউজ : আপনি তো আরও অনেক ট্রফি জিতেছেন। এবার কেন এত উল্লসিত?
এলিটা কিংসলে : কারণ, এই ট্রফি আমি জিতলাম বাংলাদেশি হিসেবে।

জাগো নিউজ : আগের ৪ ট্রফির মধ্যে কোনটি আপনার কাছে স্মরণীয় ছিল?
এলিটা কিংসলে : ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। সেটাও আমার কাছে স্মরণীয় ঘটনা।

জাগো নিউজ : আপনাকে এই সুযোগ করে দেওয়ার পেছনে কার অবদানের কথা বলবেন?
এলিটা কিংসলে : অবশ্যই বসুন্ধরা কিংস। আমাকে বাংলাদেশি খেলোয়াড় হিসেবে খেলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বসুন্ধরা কিংস পরিবারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

জাগো নিউজ : বাংলাদেশের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অনেকটাই কাছাকাছি আপনি। সাফের প্রাথমিক দলে আছেন। খেলার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?
এলিটা কিংসলে : এখনও কিছু আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে। আমি আশাবাদী।

জাগো নিউজ : ধন্যবাদ।
এলিটা কিংসলে : আপনাকেও ধন্যবাদ।

আরআই/এমএমআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]