‘বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেয়ার অনুভূতিই আলাদা’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৮:১৬ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

নাইজেরিয়ান নাগরিকত্ব ত্যাগ করে বাংলাদেশি হওয়া এলিটা কিংসলের একটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে এই দেশের খেলোয়াড় হিসেবে ঘরোয়া ফুটবল খেলে। তবে সবচেয়ে বড় যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক হয়েছেন, তা জাতীয় দলের হয়ে খেলা। সেই স্বপ্ন পুরণের কাছাকাছিও পৌঁছে গেছেন নাইজেরিয়ান বংশোদ্ভূত এই বাংলাদেশি।

নাগরিকত্ব, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট- সব ঠিকঠাক। কিংসলের খেলতে প্রয়োজন শুধু ফিফার ‘ইয়েসকার্ড।’ যে কার্ডের জন্য বাফুফে প্রতিদিনই চিঠি চালাচালি করছে বিশ্ব ও এশিয়ান ফুটবল সংস্থায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্তও ইয়েস-নো কোন উত্তরই মেলেনি বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থার পক্ষ থেকে।

তবে এলিটা কিংসলে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়ে জীবনে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। নতুন কোচ অস্কার ব্রুজন বৃহস্পতিবার বিকেলে যে ২৭ ফুটবলার নিয়ে অনুশীলন শুরু করেছেন সেখানে অন্যরকম আকর্ষণ ছিল এই কিংসলে। শুরুতে ক্যাম্পের একমাত্র নতুন মুখও ছিলেন তিনি। পরে যোগ হয়েছেন আবাহনীর তরুণ মিডফিল্ডার রিদয় খান।

অনুশীলন শেষে এলিটা কিংসলে হাসতে হাসতেই মিডিয়ার সামনে এলেন। গায়ে জড়ানো লাল-সবুজ জার্সির বুকে আঁকা জাতীয় পতাকা ধরে বললেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেয়ার অনুভূতিই আলাদা।’

‘ক্লাব ফুটবল খেলে এখন আমরা সবাই একসঙ্গে। এটা জাতীয় দল। তাই অন্যরকম আনন্দ এখানে। আমি প্রথমবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দিয়েছি। আমি রোমাঞ্চিত। এখন আমার দৃষ্টিটা শুধুই অনুশীলনে, কাজে। ক্লাবেও কাজ করেছি, এখানে শুরু করলাম। ক্লাব ও জাতীয় দলের অনুশীলনে কাজ আলাদা, এখানে আমরা সবাই একসঙ্গে’- যোগ করেছেন নতুন এই বাংলাদেশি।

সাফে নিজের খেলার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে এলিটা কিংসলে বলেছেন, ‘এখানে আমার কিছু করার নেই। এটা বাফুফে দেখছে আমি খেলার জন্য যোগ্য হবো কিনা। যদি সুযোগ আসে তাহলে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করব।’

আরআই/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]