প্রথমার্ধেই ২ গোল খেয়ে বসেছে বসুন্ধরা কিংস

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:০২ পিএম, ২১ মে ২০২২

ম্যাচের ২৪ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য। পঁচিশ মিনিটে মোহনবাগান-১, বসুন্ধরা কিংস-০। অথচ ২৪ মিনিটেই ম্যাচের স্কোর থাকতে পারতো বসুন্ধরা কিংস-৩, মোহনবাগান-০। ফুটবলের রঙটা ক্ষণেক্ষণেই বদলায়। যেমন শনিবার বদলালো কলকাতার যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। ২৪ মিনিটের মধ্যে তিনটি সুযোগ হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নরা। যার খেসারত দিয়েছে ২৫ ও ৩৪ মিনিটে দুটি গোল খেয়ে।

গোল হওয়ার আগ পর্যন্ত তেড়েফুঁড়ে খেলছিল বসুন্ধরাই। মনে হয়েছিল ঘরের মাঠে নাকানি-চুবানি খাবে মোহনবাগান। কিংসও একুট বেশি আগ্রাসী হয়ে খেলেছে। রক্ষণভাগ সুরক্ষিত না করে যে ভুলটা করেছে তার খেসারত দিয়েছে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে পিছিয়ে।

প্রথম গোল হজম করেছে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষের দোষে। নিজেদের ৩ জন খেলোয়াড় কাছে থাকলে বলটি তিনি কাউকে বল না দিয়ে হারিয়ে ফেলেন। ভারতীয় ফুটবলে এ সময়ের অন্যতম তারকা লিস্টন কোলাসোই করেছেন দুটি গোল। দ্বিতীয় গোলটি করেছেন বেশ দুর থেকে বল নিয়ে ঢুকে গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোকে কাটিয়ে।

অফসা্উটের ফাঁদ পেতেছিলেন তারিক কাজি। কিন্তু সেই ফাঁদ ভেঙ্গে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন কোলাসো। তার পিছে পিছে দৌড়েও কোলাসোর নাগাল পাননি তারিক কাজী।

এর আগে ঝড়বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ ছিল প্রায় পৌনে এক ঘন্টা। মোহনবাগান ও বসুন্ধরা কিংসের মধ্যেকার এএফসি কাপের ডি গ্রুপের ম্যাচটি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫ টায় কলকাতার যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। ম্যাচটি শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে বৃষ্টির সঙ্গে প্রবল বাতাসও শুরু হয়। কিছু সময় বন্ধ থাকার পর রেফারি বৃষ্টির মধ্যেই খেলা শুরু করে। কিন্তু ১১ মিনিট পর বৃষ্টি বেশি বাড়লে রেফারি খেলা বন্ধ করে দেন।

বসুন্ধরা কিংস একাদশ

আনিসুর রহমান জিকো, ইয়াসিন আরাফাত, মাসুক মিয়া জনি, রবসন, বিশ্বনাথ ঘোষ, ম্যাথু চিনেদু, সোহেল রানা, মিগুয়েল ফেরেইরা, রিমন হোসেন, তারিক কাজী ও খালেদ সাফি।

আরআই/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]