ছোটন বললেন জয়ের কথা, সাবিনার লক্ষ্য দর্শকদের খুশি করা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:৩২ পিএম, ২৫ জুন ২০২২

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে কোচ কিংবা অধিনায়ক কেউই সাহস করে জয়ের কথা মুখে আনেননি। ভাল খেলবো- এতটুকু প্রতিশ্রুতিই ছিল ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে।

তবে দ্বিতীয় ম্যাচের আগের বিকেলে বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ও অধিনায়ক সাবিনা খাতুনকে দেখা গেলো অন্যরকম আশাবাদী। হবে না কেন? প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়াকে যে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা!

অর্ধডজন গোলের জয়ের পর ওই ম্যাচ থেকে ভুল ধরাটা কঠিন বৈকি? সামর্থ্যের পুরোটা দিয়ে সাবিনা-কৃষ্ণারা বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন ম্যাচের পরই বলেছিলেন পুরো কৃতিত্ব মেয়েদের।

বললেন আরো একবার। আজ বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, 'পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা একটা ম্যাচ খেলে ফেলেছি। মেয়েরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চটা দিয়েই খেলেছে এবং আমরা ভালোভাবেই জয় লাভ করেছি। এখন আমাদের সামনে আরেকটা ম্যাচ আছে, ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আগের ম্যাচের যে পারফরম্যান্স হয়েছে এ ম্যাচেও সেটা করার পরিকল্পনা থাকবে'- বলছিলেন ছোটন।

দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামার আগে মেয়েদের কাছে কী বার্তা থাকবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ কোচ বলেছেন, ‘মেয়েদের কাছে বার্তা থাকবে- যেহেতু আমরা তাদের বিপক্ষে একটা ম্যাচ খেলেছি, আমাদের সম্পর্কে তারা পুরো ধারণাটাই পেয়েছে। এ ম্যাচেও আমরা সর্বশক্তি প্রযোগ করব, পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলব। আগেও বলেছি, আমরা ভালো খেলব। দর্শকদের আনন্দ দিব, সঙ্গে জয় নিয়ে ফিরব।'

অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলেছেন, ‘আগের ম্যাচটা যেহেতু আমরা ভালোভাবে শুরু করতে পেরেছিলাম, শেষও করেছি ভালোভাবে। আগামীকাল আমাদের টার্গেট থাকবে দর্শকদের বিনোদন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষকে ভালো খেলা উপহার দেওয়া। দর্শক যখন মাঠে আসে, ভালো খেলা দেখার আশা নিয়েই আসে, আমাদের চেষ্টা করব, তারা যেন খুশি হয়ে বাড়ি ফিরতে পারে।'

দেশের নারী ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোল সাবিনার। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৬ গোল পেয়েছে। সাবিনা গোল করেছেন একটি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘প্রথমত আমার রেকর্ডের চেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের সিনিয়র টিম ভালো রেজাল্ট করছে। জাতীয় দলের এত বড় একটা সাফল্য। এটা বাংলাদেশের জন্য বড় একটা পাওয়া। আমার এখন গোল করার চেয়ে গোল করাতেও অনেক ভালো লাগে। গত ম্যাচে আমাদের বিশেষ করে সেটপিসগুলো আমি নিয়েছি, পরিকল্পনাও ছিল এরকম। যখন আমার ছোটরা গোল করে, সেটা দেখতে আমার ভালো লাগে। গোল করা অবশ্যই বেশি আনন্দের, তবে গোল করাতেও আনন্দ লাগে।'

আরআই/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]