রোনালদোকে ‘অপমান’ করেছেন দ. কোরিয়ার এক খেলোয়াড়!

ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৯:২৯ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালের গ্রুপের শেষ ম্যাচটি ছিল নিয়ম রক্ষার। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই পর্তুগিজরা নিশ্চিত করেছিল শেষ ষোলতে খেলা। গ্রুপের শেষ ম্যাচে দলপতি রোনালদো পুরোটা খেলেননি। কোচ ফার্নান্দো সান্তোস তাকে উঠিয়ে নিয়েছিলেন ৬৫ মিনিটের মাথায়।

মাঠ ত্যাগের সময় বিরক্তি ফুটে উঠেছিল রোনালদোর চোখেমুখে। অখুশি লাগছিল তাকে। সবাই ধরে নিয়েছিলেন মাঠ থেকে উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটায় তিনি খুশি হতে পারেননি। তবে বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। রোনালদোর মন মেজাজ খারাপ ছিল এক দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলার তাকে অপমান করায়।

কোরিয়ান খেলোয়াড় চো গুয়ে সুং রোনালদোকে দ্রুত মাঠ ছাড়তে বলেছিলেন। এ নিয়ে চো-এর সঙ্গে কথা কাটাকাটিও হয়েছিল রোনালদোর। ‘কোরিয়ান খেলোয়াড় চো গুয়ে সুং এর সঙ্গে কথা কাটাকাটির পরই রাগান্বিত হয়েছিলেন রোনালদো। কোরিয়ান খেলোয়াড় তাকে দ্রুত মাঠ ছাড়তে বলেছিলেন। যে কারণে তিনি মাঠ ছাড়ার সময় রাগান্বিত হয়েছিলেন। এটা সবাই দেখেছেন। চো এর শরীরী ভাষা আক্রমণাত্মক না থাকলেও তার মুখের ভাষা আক্রমণাত্মক ছিল’ - ম্যাচের পর বলেছেন রোনালদোদের কোচ সান্তোস।

রোনালদোকে তার কোচ যখন তুলে নেন, তখন ম্যাচ চলছিল ১-১ এ। পর্তুগালের জন্য ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকতার থাকলেও টিকে থাকার লড়াই ছিল কোরিয়ানদের। তখন তাদের জন্য এক মুহূর্তও ছিল মূল্যবান। এ কারণেই হয়তো কোরিয়ান খেলোয়াড় রোনালদোকে মাঠ থেকে দ্রুত বের হতে বলেছিলেন।

Ronaldo

পরে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন রোনালদো নিজেও। পর্তুগালের এক সাংবাদিককে তিনি জানান, কোচের সিদ্ধান্তে তিনি অখুশি ছিলেন না। তিনি বলেন, ‘চো আমাকে দ্রুত মাঠ ছাড়তে বলেছিলেন। আমি তাকে বলেছিলাম, মুখ বন্ধ রাখতে। কারণ, এমন কথা বলার সে কেউ নয়। কোচের সঙ্গে আমার কোন মতবিরোধ হয়নি।’

শেষ পর্যন্ত ওই ম্যাচ ২-১ গোলে জিতে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। গ্রুপের অন্য ম্যাচে উরুগুয়ে ২-০ গোলে ঘানাকে হারালেও গোল বেশি দেয়ার সুবাধে কপাল খুলে গেছে এশিয়ার অন্যতম প্রতিনিধিদের। ২০১০-এর পর আবার কোরিয়া খেলবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে।

আরআই/আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।