দক্ষিণ কোরিয়াকে চ্যালেঞ্জ ভারতীয় তীরন্দাজদের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৩:১৯ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০১৭

এশিয়ান আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপের তিন আসর আগে তেহরান থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্য ছাড়া ফিরেছিলেন ভারতীয় আরচাররা। সর্বসাকুল্যে তাদের ঝুলিতে জমা হয়েছিল ২টি ব্রোঞ্জ। ২০১৩ সালে তাইওয়ান থেকে সেই ভারতই ঘরে ফিরেছিল সর্বাধিক ৪টি স্বর্ণসহ ৬টি পদক নিয়ে। ৩ স্বর্ণসহ ১০ পদক নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। তবে এশিয়ান আরচারিতে ভারত আধিপত্য হারায় পরের আসরেই।

২০১৫ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়নশিপের ১৯তম আসরে ভারতকে পেছনে ঠেলে দিয়ে পদক তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে দক্ষিণ কোরিয়া। তারা পেয়েছিল ৬টি স্বর্ণসহ ১৩ পদক, ভারতের অর্জন ছিল ৩ স্বর্ণসহ ৬ পদক। এবার ঢাকার লড়াইয়ে এ দুটি দেশের মধ্যেই প্রধান লড়াইটা হবে। ঘরের পাশের টুর্নামেন্ট থেকে বেশি পদক নিয়ে ফেরার প্রত্যয়ই দেখা গেলো ভারতের তীরন্দাজদের চোখে-মুখে।

ভারতের ২২ আরচারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন দিপিকা কুমারী, ওতোনিয়া দাস এবং জয়ন্ত তালুকদার। তারা তিনজনই অলিম্পিয়ান। আরো আছেন তৃশা দেব ও জোতি সুরেখা। জোতি সুরেখা সর্বশেষ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ জিতেছেন নারীদের কম্পাউন্ড এককে। তৃশা দেব এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জজয়ী।

‘আমরা ঢাকা থেকে সবেচেয় বেশি স্বর্ণ নিয়ে ফিরতে চাই। আমাদের সবার মধ্যে সে তাগিদ আছে’- অনুশীলন শেষে বলছিলেন জোতি সুরেখা। নির্দিষ্ট কোনো আরচারের নাম না উল্লেখ করলেও জোতি দক্ষিণ কোরিয়াকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন, ‘কোরিয়ার কারো নাম উল্লেখ করবো না। তবে ওই দেশটিই হবে আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ।’

তিশা এবং জোতি দুইজনই ২০১৫ সালের অক্টোবরে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড আরচারি চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছেন। ‘আমরা এ টুর্নামেন্টের জন্য ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। সর্বশেষ ২০ দিন আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। আশা করি স্বর্ণ জিতবো’- বলেছেন তৃশা দেব। পশ্চিম বঙ্গের এ আরচার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ভালো করেছেন। ২০১৪ সালে দেশটির জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ জিতেছেন তৃশা।

নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বর্ণনা দিয়ে তৃশা বলেন, ‘আমি ২০১৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আসছি। চারটি ব্রোঞ্জ জিতেছি। যার দুটি ওয়ার্ল্ড কাপ ও দুটি এশিয়ান গেমস থেকে। এবার আমি ব্রোঞ্জ পদককে স্বর্ণ বানাতে চাই। দক্ষিণ কোরিয়া আমাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। তবে আমি স্বর্ণ জিততে চাই একক এবং দলগত ইভেন্টে।’

আরআই/আইএইচএস/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :