সিংহভাগ খেলা বাইরে রেখে বাংলাদেশ যুব গেমস!

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০২:০৫ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭

গেমসের নাম ‘বাংলাদেশ যুব গেমস।’ কিন্তু বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) এ গেমস আয়োজন করছে দেশের সিংহভাগ খেলা বাইরে রেখে। দেশে এখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের স্বীকৃত ফেডারেশন ৪৬ টি। তালিকায় অন্তর্ভূক্তির অপেক্ষায় আরো চারটি।

স্বীকৃত খেলার অর্ধেকের বেশি বাইরে রেখে মাত্র ২১ ডিসিপ্লিনে সোমবার শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম যুব গেমস। এ নিয়ে বাদ পড়া খেলাগুলোর কর্মকর্তাদের আছে নানা অভিযোগ। সিংহভাগ খেলা বাইরে রেখে আয়োজিত টুর্নামেন্টের নাম ‘বাংলাদেশ যুব গেমস’ কী করে হয়-এ প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

প্রথম আসরে সুযোগ পাওয়া খেলাগুলো হচ্ছে-ফুটবল, কাবাডি, বাস্কেটবল, ভলিবল, হ্যান্ডবল, হকি, অ্যাথলেটিক, সাঁতার, টেবিল টেনিস, ভারোত্তোলন, কুস্তি, শ্যুটিং, উশু, আরচারি, ব্যাডমিন্টন, বক্সিং, দাবা, জুডো, কারাতে, তায়কোয়ানদো ও স্কোয়াশ।

দেশে অপ্রচলিত স্কোয়াশের মতো খেলা থাকলেও বাদ পড়াগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-ক্রিকেট, জিমন্যাস্টিকস, সাইক্লিং, শরীর গঠণ, কারাতে, খো খো।

বিওএর সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ রোববার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমরা উপজেলা পর্যায়ে সার্ভে করেই দলগুলো চূড়ান্ত করেছি। আমি জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সভাপতি। কিন্তু এ খেলাকেও রাখতে পারিনি। আর ক্রিকেট রাখিনি কারণ, ক্রিকেট বোর্ড এ খেলার নানা বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। আমরা আসলে যাদের খেলার সুযোগ কম তাদের বেছে নিয়েছি। তবে আগামীতে সব খেলা নিয়েই এই গেমস আয়োজনের পরিকল্পনা আমাদের আছে। প্রথমবার বলে আমাদের অনেক কিছুতেই ছাড় দিতে হয়েছে।’

অংশগ্রহণকারী ডিসিপ্লিনগুলোর মধ্যে উপজেলায় পর্যায়ে সবচেয়ে বড় অংশগ্রহণ থাকছে ফুটবলে। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এ খেলাটিতে অংশ নিচ্ছে ৫১ জেলার ৩৬০ উপজেলা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১ জেলার ৩১৫ উপজেলা খেলবে অ্যাথলেটিকস।

রোববার শুরু হয়ে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষ হবে ২৪ ডিসেম্বর। ৬ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বিভাগীয় পর্যায়ের খেলা। ঢাকা চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলা হবে ৯ থেকে ১৭ মার্চ।

আরআই/এমএমআর/আরআইপি

আপনার মতামত লিখুন :