সাঁতার ক্যাম্পে অমানবিক শাস্তি, ক্ষোভে চাকরি ছাড়লেন জাপানি কোচ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:৩২ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০১৯

জুনিয়র সাঁতারুদের অনুশীলন ক্যাম্পের অমানবিক দৃশ্য দেখে চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে গেছেন জাপানি কোচ তাকিও ইনোকি। এসএ গেমস সামনে রেখে আগস্টে এই কোচকে নিয়োগ দিয়েছিল বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে ফেডারেশন।

রোববার মিরপুর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সুইমিংপুলে জুনিয়র সাঁতার ক্যাম্পের অনুশীলন চলাকালীন সেখানেই ছিলেন জাতীয় দলের জাপানি কোচ। তখন জুনিয়র ক্যাম্পের কয়েকজন সাঁতারুকে মোবাইল ব্যবহারের অপরাধে প্রখর রোদের মধ্যে শাস্তি দিচ্ছিলেন স্থানীয় কোচ ও অফিশিয়ালরা।

সেই শাস্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন শরিফা আক্তার মিম নামের এক জুনিয়র সাঁতারু। তাকে হাসপাতাল পর্যন্তও নিতে হয়েছিল। এসব অমানবিক দৃশ্য দেখে হঠাৎ করেই দেশে ফিরে গেছেন জাপানি কোচ।

কোচের এই যাওয়ার খবরটা তিনি প্রকাশ করেছেন ফেসবুক ওয়ালে। নিজের ওয়ালে স্ট্যাটাস দিয়ে পুরো ঘটনা বর্ণনা করেছেন। কোচ স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘যারা সাঁতারুদের এই ধরনের শাস্তি দিতে পারে তাদের সঙ্গে আমি কাজ করতে পারি না।’

বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা বদরুল সাইফ কোচের চলে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, রোববার বিকেল ৫টার দিকে কোচ আমাকে বললেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি চলে যাচ্ছি’। আজ ফেসবুকে তার স্ট্যাটাস দেখে বুঝলাম চলে যাওয়ার কারণ। হঠাৎ কোচের চলে যাওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবো। কোচ হিসেবে আমি তাকে ইতিবাচকই দেখেছি। আমাদের ট্রেনিং একটা ভালো অবস্থানে ছিল।

জুনিয়র সাঁতারুদের রোদের মধ্যে শাস্তি দেয়া দুই কোচ হলেন মাহবুবুর রহমান ও কারার সামেদুল। ঘটনা তদন্তে ফেডারেশন যে তিনজনকে দিয়ে কমিটি গঠন করেছে তারা হলেন- ক্যাম্প কমান্ডার লে. কর্নেল মাহাদিউল হাসান, ফেডারেশন যুগ্ম সম্পাদক সেলিম মিয়া ও সদস্য নিবেদিতা দাস।

আরআই/এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]