‘ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমাকে বাঁচার আশা দেখিয়েছেন’

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৯:২৩ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০২০

‘আমি কিডনি রোগী। সপ্তাহে ২-৩ বার ডায়ালাইসিস করাতে হয়। প্রতিবারের জন্য খরচ ১ হাজার ২০০ টাকা। এই টাকা আমাকে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন কিংবা পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছ থেকে ধার করতে হয়। আমি প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিলাম। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মহোদয় আমাকে বাঁচার আশা দেখিয়েছেন’- কথাগুলো বলেছেন ফুটবলার সুজন।

এখন শুধু বাঁচতে চান ফুটবলার সুজন’ শিরোনামে গত বছর ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল জাগো নিউজ। সেই প্রতিবেদনের মাধ্যমে ফুটে উঠেছিল সুজনের জীবনের করুণ কাহিনি। সুজন বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন চিকিৎসা সহায়তার জন্য। তবে সেভাবে তিনি সাহায্য পাননি।

অবশেষে দেশের ক্রীড়ার অভিভাবক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। রোববার তাকে চিকিৎসার জন্য দিয়েছেন এক লাখ টাকার চেক। বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে এ অর্থসহায়তা দেয়া হয় দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভোগা ফুটবলার সুজনকে।

কেবল এক লাখ টাকার চেকই দেননি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- সেই সঙ্গে দিয়েছেন বড় সহায়তার ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস। মো. জাহিদ আহসান রাসেল অসুস্থ সুজনকে অভয় দিয়ে বলেছেন, ‘তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমরা তোমার পাশে আছি। আমি প্রধামন্ত্রীকেও বিষয়টি জানাবো এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনে আরো সহযোগিতা করা হবে।’

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে ১ লাখ টাকার চেক ও আরো সহায়তার আশ্বাস পাওয়ার পরই বাঁচার আশা দেখতে শুরু করেন কিডনি রোগী ফুটবলার সুজন। প্রথম বিভাগ স্বাধীনতা ক্রীড়া চক্র এবং চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে অগ্রণী ব্যাংকে খেলার পর ২০১৭ মৌসুমে রহমতগঞ্জের হয়ে খেলেছিলেন সুজন।

চেক প্রদানকালে বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সচিব মো. মোশারফ হোসেন মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।

আরআই/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]