কিছু খেলা নিয়ে ‘বিশেষ পরিকল্পনা’ সরকারের

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৪৩ পিএম, ১৯ জুন ২০২১

দেশে ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশন মিলিয়ে সংখ্যাটা পঞ্চাশের বেশি। এত খেলার পৃষ্ঠপোষকতা সমানভাবে করলে কোনোটি থেকেই আসবে না সাফল্য। যে কারণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১২ থেকে ১৫টি খেলাকে বাছাই করে উন্নয়নের জন্য নেবে বিশেষ পরিকল্পনা।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. মাসুদ করিম জাগো নিউজকে বলেছেন,‘গত নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ইশতেহারে ক্রীড়া উন্নয়নের জন্য যে প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল তা বাস্তবায়নে আমরা কাজ শুরু করেছি। ইতিমধ্যেই আমরা এ নিয়ে ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলোর সাথে সভাও করেছি। এখন একটা নীতিমালা তৈরি করে তার ভিত্তিতেই কিছু খেলা বেছে নেবো উন্নয়নের জন্য।’

আওয়ামী লীগের ইশতেহারের ৩.২৮ অনুচ্ছেদে ছিল দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়ার বিষয়ে অতীত অর্জন ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের গৌরব জাগানো অবস্থান আরো সুদৃঢ় করা, ফুটবল-হকিসহ অন্যান্য খেলাকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করা, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণে পরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়া, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরণীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে খেলাধুলা ও শরীরচর্চাকে শিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করা।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব বলেছেন, ‘কিভাবে খেলাগুলো বাছাই করবো তার জন্য প্রথমে একটা নীতিমাল তৈরি করা হবে। খুব তাড়াতাড়ি নীতিমালা তৈরির জন্য সর্বোচ্চ ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিতে আমরা মন্ত্রণালয়কে বলবো। ওই কমিটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করবে। এরপর আমরা একটি সেমিনার আয়োজন করে উপস্থাপন করবো। সেমিনারের মতামতের আলোকে নীতিমালা চূড়ান্ত করে খেলাগুলো বাছাই করবো।’

অগ্রাধিকার খেলাগুলো বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দেবে খেলাগুলোর অতীত পারফরম্যান্স ও সম্ভাবনাকে। কারো সুপারিশের ভিত্তিতে কোনো খেলা অন্তর্ভূক্ত হবে না। প্রয়োজনে খেলার সংখ্যা ১৫টিও হতে পারে। আবার কমে ১০টিও হতে পারে।

যেসব খেলাকে বাছাই করা হবে সেগুলোর তৃণমূলে প্রতিভা অন্বেষণ থেকে শুরু করে কিভাবে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য পাওয়া যায় সে উদ্যোগ নেবে সরকার। বাছাই করা খেলাগুলোর জন্য ভেন্যু নিশ্চিত করণ, অর্থ সহায়তা, উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।

আরআই/আইএইচএস/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]