‘আমাদের চেয়ে জহিরের ভালো টাইমিং করা উচিত’

রফিকুল ইসলাম
রফিকুল ইসলাম রফিকুল ইসলাম , বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০১:৫৭ পিএম, ২৮ জুলাই ২০২১

অলিম্পিক গেমস অ্যাথলেটিকসে ৪০০ মিটারে বাংলাদেশ থেকে প্রথম অংশ নিয়েছিলেন মিলজার হোসেন। ১৯৮৮ সালে সিউল অলিম্পিকে মিলজার হোসেন এ ইভেন্টে সময় নিয়েছিলেন ৪৮.৭৬ সেকেন্ড। চার বছর পর বার্সেলোনা অলিম্পিকে একই ইভেন্টে অংশ নিয়ে মেহেদী হাসান সময় নিয়েছিলেন ৪৮.৬২ সেকেন্ড।

দীর্ঘ ২৯ বছর পর বাংলাদেশের হয়ে ৪০০ মিটারে টোকিও অলিম্পিকে দৌড়াবেন জহির রায়হান। এই ইভেন্টে প্রথম অলিম্পিয়ান মিলজার হোসেন মনে করেন তারা আড়াই যুগ আগে যে টাইমিং করেছেন তার চেয়ে এখন টাইমিংটা ভাল হওয়া উচিত।

জাগো নিউজ : অনেক দিন পর ৪০০ মিটারে বাংলাদেশের কেউ অলিম্পিক খেলছেন। কি প্রত্যাশা তার কাছে?

মিলজার : প্রত্যাশা সহজ। আমরা অলিম্পিকে পাদক পাবো সেটা এখনই কেউ আশা করছি না। তবে টাইমিংটা ভালো করতে হবে।

জাগো নিউজ : টাইমিং কেমন প্রত্যাশা করছেন?

মিলজার : আমরা যখন অ্যাথলেটিকস খেলতাম তখন এখনকার মতো এত সুযোগ-সুবিধা ছিল না। আমার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ঘাসের ট্র্যাকে অনুশীলন করেছি। আর্মি স্টেডিয়ামে সিনথেটিক ট্র্যাক থাকলেও চাইলেই অনুশীলন করা যেত না। তাই এখন অবশ্যই আগের চেয়ে ভালো টাইমিং হওয়া উচিত।

জাগো নিউজ : জাহির তো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে আপনার রেকর্ড ভেঙ্গেছেন।

মিলজার : অলিম্পিকের মতো আসরে নিজের সেরাটা দিতে পারলে সেটাই হবে আসল অর্জন। ন্যাশনালে আমার চেয়ে কম টাইমিং করেছে জহির। অলিম্পিকে ইলেক্ট্রনিক্স টাইমিংয়ে কি করে তখন বোঝা যাবে।

জাগো নিউজ : জহিরের জন্য আপনার বার্তা কী?

মিলজার : আমি আগেই বলেছি, অলিম্পিকে আমাদের পদক পাওয়া কঠিন। আমি চাইবো সে যেন তার ক্যারিয়ারের সেরা টাইমিংটা অতিক্রম করতে পারে। তাহলেই খুশি হবো। কারণ, ওখানে হারানোর কিছু নেই। তাই কোন জড়তা বা টেনশনমুক্ত থেকে অংশ নিতে হবে।

আরআই/আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]