শেষ মিনিটের জোড়া গোলে আবাহনীর নাটকীয় জয়

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২৯ পিএম, ২৫ নভেম্বর ২০২১

খেলা তখন গড়িয়েছে শেষ মিনিটে। স্কোরবোর্ডে মেরিনার্স ইয়াংস ৩ : ২ আবাহনী। ম্যাচ ড্র করলেই চ্যাম্পিয়ন মেরিনার্স ইয়াংস ক্লাব। গ্যালারিতে ততক্ষণে শিরোপা পুনরুদ্ধারের উৎসব শুরু মেরিনার্স সমর্থকদের। কিন্তু কে জানতো ম্যাচের সব নাটকীয়কতা জমে আছে শেষ মিনিটের জন্য?

আবাহনী ঐ সময় পেনাল্টি কর্নার পেলে খোরশেদুর রহমানের গোলে ম্যাচের স্কোর ৩:৩ হয়। নাটকীয়তার শুরু তখন। ইলেক্ট্রনিক স্কোরবোর্ডে তখন ম্যাচের বয়স ৫৯ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড। ঠিক দুই সেকেন্ড বাকি থাকতে আবার পেনাল্টি কর্নার পায় আবাহনী।

মওলনা ভাসানী স্টেডিয়ামে তখন পিনপতন নিরাবতা। হকির নিয়ম অনুযায়ী শেষ মূহূর্তে পেনাল্টি কর্নার হলে সেটা শেষ করতে হবে। আশা জাগলো আবাহনীর। আকাশী-হলুদ জার্সিধারীরা কি পারবে গোল করে ম্যাচ জিততে? নাকি ড্র করে এক ম্যাচ হাতে রেখেই দ্বিতীয়বারের মতো প্রিমিয়ার হকি লিগ চ্যাম্পিয়ন হবে মেরিনার্স।

পেনাল্টি কর্নার থেকে আবার খোরশেদুর রহমানের গোল, খেলা শেষ। আবাহনী ৪-৩ গোলে জয়ী। লিগে মেরিনার ইয়াংসের প্রথম হার। জমে গেলো শিরোপার লড়াই। লিগটা আসলে আবাহনীই জমিয়ে দিলো।

তারাই শেষ ম্যাচ পর্যন্ত ঠেলে দিলো সব রোমাঞ্চ। উত্তর পোস্টের পেছনে ওয়ার্মআপ করছিল মোহামেডান। আবাহনী যখন চতুর্থ গোল করলো তখন সাদা-কালো জার্সিধারীর উল্লাস প্রকাশ করলো। আবাহনীর জয়ে যে তাদেরও যে সম্ভাবনা টিকে রইলো।

মেরিনার্সের শেষ ম্যাচ বাকি মোহামেডানের সঙ্গে। ঐ ম্যাচ মোহামেডান জিতলে শিরোপা প্রত্যাশী তিন দলের পয়েন্ট সমান হবে। তখন প্লে-অফে নির্ধারণ হবে চ্যাম্পিয়নশিপ।

আগের ম্যাচে মোহামেডানকে ৪-২ গোলে হারানো আবাহনী এই ম্যাচে ভালো খেলতে পারেনি। যদিও ম্যাচে তারাই প্রথম এগিয়েছিল। নেদারল্যান্ডসের কেলেমানের গোলে ১-০ করে আবাহনী।

এরপর মেরিনার্স দেয় মরণ কামড়। সোহানুর রহমান সোহান হ্যাটট্রিক করে ৩-২ গোলে এগিয়ে দেন দলকে। তার আগে ম্যাচ ২-২ করেছিলেন আবাহনীর মাহবুব।

আরআই/এসএএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]