আফগানিস্তান

Team Image

আফগানিস্তান: চমক দেখাতে পারবে এবার তারা?

বিশ্বকাপ শুরুর আগে নিজেদের দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, হয়তো বা চাপ ফেলতে পারে আফগানিস্তান ক্রিকেটারদের ওপর। যার প্রাথমিক ধাক্কা হিসেবে নিয়মিত অধিনায়ক রশিদ খান নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন নেতৃত্ব থেকে। ঘুরে-ফিরে সেই বুড়ো মোহাম্মদ নবির ঘাড়েই দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে এবারের বিশ্বকাপে।

তালিবানরা ক্ষমতায় এলেও আফগান ক্রিকেট দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে কোনো ব্যাঘাত ঘটায়নি। তারা বরং, ক্রিকেট বোর্ড পূনর্গঠন করে দ্রুত দলকে মাঠে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেছে এবং তালিবানরা ঘোষণা দিয়েছে, তারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। ক্রিকেটারদের সব ধরনের সহযোগিতা করে যাবে।

টি-টোয়েন্টিতে একটি বড় চমকের নাম আফগানিস্তান। দেশটির প্রায় সব ক্রিকেটারই টি-টোয়েন্টি মানসিকতার। সবচেয়ে বড় কথা, দলটিতে তিনজন বিশ্বমানের বোলার রয়েছেন। মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান এবং মুজিব-উর রহমান। এই তিনজনের ঘাড়ে চড়ে বিশ্বের যে কোনো পরাশক্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বসতে পারে আফগানরা।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাকিংই অনেকটা সে প্রমাণ বহন করে। দুইবার বিশ্বকাপজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ, তিনবারের বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট এবং একবার জয়ী শ্রীলঙ্কা তাদের পেছনে। বর্তমান র‌্যাংকিং অনুসারে হয়তো বাংলাদেশ তাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। কিন্তু বিশ্বকাপের দল নির্ধারণের সময় তো বাংলাদেশ ছিল তাদেরও অনেক পেছনে, ১১তম স্থানে।

যে কারণে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মত দলকে পেছনে ফেলে আফগানিস্তান এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে খেলছে সরাসরি। ‘গ্রুপ-২’ তে। তাদের প্রতিপক্ষ ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড এবং প্রথম পর্ব থেকে উঠে আসা দুটি দল।

আইসিসির সর্বশেষ তথা ১২তম পূর্ণ সদস্য। এরইমধ্যে সাদা পোশাকে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে ক্রিকেটের নবীন দেশটির। এমনকি টেস্টে বাংলাদেশ এবং আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টেস্ট ম্যাচও জিতে ফেলেছে তারা। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, হযরতুল্লাহ জাজাই, মুজিব-উর রহমান কিংবা মোহাম্মদ শাহজাদদের মত তারকা ক্রিকেটারে ভর্তি একটি দল আফগানিস্তান। সুপার টুয়েলভে এবার আরব আমিরাতের মাটিতে বিশ্বকাপে অনেক বড় চমক দেখানোর প্রত্যাশা নিয়েই খেলতে যাচ্ছে আফগানরা।

রশিদ খান, নবি এবং মুজিব-উর রহমানদের আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা দলটির অন্যতম সেরা পাথেয় হয়ে উঠতে পারে। আরব আমিরাতের উইকেট দেশটির ক্রিকেটারদের কাছে বেশ পরিচিত। এটা বাড়তি একটা সুবিধা এনে দিতে পারে আফগানদের। ব্যাট হাতে রহমানুল্লাহ গুরবাজ এবং হযরতুল্লাহ জাজাই যদি জ্বলে উঠতে পারেন ঠিক মত, তাহলে নিশ্চিত আফগান দলটি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে পারে বিশ্বকাপে।

ক্রিকেটের সঙ্গে দেশটির পরিচয় উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু আফগানিস্তান এমন একটি দেশ, যেখানে দখলদার বিদেশী বেনিয়াদের দৃষ্টি নিবদ্ধ সেই প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে। উনবিংশ শতাব্দী বলুন আর বিংশ শতাব্দী বলুন, দখলদারদের দৃষ্টি কখনওই সরেনি আফগানদের ওপর থেকে। দীর্ঘ সময় সোভিয়েত শ্বেত ভল্লুকদের সঙ্গে লড়াই চালানোর এক দশক পর আবার মার্কিনীদের লোলুপ দৃষ্টি। সব মিলিয়ে দেশটিতে বিকাশ লাভেরই সুযোগ পায়নি ক্রিকেট।

তবুও বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এসে নিত্য বারুদের গন্ধ আর বুলেট-বোমা-মাইনের শব্দ ভেদ করে দেশটিতে গজিয়ে উঠেছে ক্রিকেটের চারা। ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। এখনও শৈশব পেরিয়ে হয়তো কৈশোরে পদার্পন করেছে আফগানদের ক্রিকেট। এরই মাঝে তারা যোগ্যতাবলে ঠাঁই করে নিয়েছে ক্রিকেটের বিশ্ব আসরে। এর আগে খেলে ফেলেছে তিনটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও।

২০১৫ সালে প্রথম অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশটি। দ্বিতীয়বারেরমত ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ খেলেছে তারা। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে ২০১০ সাল থেকেই। এরপর ২০১২, ২০১৪, ২০১৬ সালেও খেলেছে তারা। এবার নিয়ে তারা খেলছে পঞ্চমবার। এত অল্প সময়ে একটি দলের এভাবে এগিয়ে যাওয়া বিস্ময়করই বটে।

পাকিস্তানের রশিদ লতিফের হাত ধরেই মূলতঃ উত্থান আফগান ক্রিকেটের। প্রতিপক্ষের সাথে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনার সব মানসিকতাই তিনি তৈরি করে দিয়েছেন আফগান ক্রিকেটারদের মধ্যে। যদিও এখন রশিদ লতিফ নেই। ২০১৫ বিশ্বকাপে কোচের দায়িত্বে ছিলেন ইংল্যান্ডের অ্যান্ডি মোল। মাঝে কিছুদিন ছিলেন ভারতের লালচাঁদ রাজপুত, পাকিস্তানের ইনজামাম-উল হকরা। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলটির অভিভাবকত্বের দায়িত্বে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ফিল সিমন্স।

এবার বিশ্বকাপে আফগানদের অভিভাবকত্ব করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার ল্যান্স ক্লুজনার। সম্প্রতি তারা ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী ব্যাটিং কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে।

একঝাঁক উদীয়মান তারকা রয়েছে আফগান ক্রিকেটে। যারা সারা বিশ্বকে চমকে দিতে পারে যে কোনো মুহূর্তে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর লেগ স্পিনার রশিদ খান রয়েছেন আফগান দলে। অফ স্পিনার মুজিব-উর রহমানও সমান তালে প্রতিপক্ষের জন্য হয়ে ওঠেন ভয়ঙ্কর।

উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ক্রিকেটের সঙ্গে পরিচিত হলেও দেশটিতে প্রাতিষ্ঠানিকতা পায় ১৯৯৫ সালে। এ বছরই প্রথম আফগানিস্তান ক্রিকেট ফেডারেশন গঠিত হয়। এরপর ২০০১ সালে আইসিসির সহযোগি সদস্য এবং ২০০৩ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সদস্য হয় আফগানিস্তান।

দেশটিতে একটি জাতীয় ক্রিকেট দলই গঠন হয়েছে প্রথম ২০০১ সালে। এরপর ২০০৯ সালে তারা প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অংশ নেয়। যদিও ২০১১ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করতে পারেনি। তবে ২০১৩ সালে এসে আইসিসির ওয়ানডে মর্যাদা লাভ করে আফগানরা। এর আগেই ২০১০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জণ করে তারা। যা ছিল দেশটির ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম কোন বড় আসরে খেলার অভিজ্ঞতা। এরপর ২০১২ এবং ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তারা।

Captain Image

মোহাম্মদ নবি

জন্ম: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৫; বয়স: ৩৬

ব্যাকগ্রাউন্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে আফগানিস্তানের উঠে আসার গল্প যদি বলা হয়, তবে তা অসম্পূর্ণ থাকবে মোহাম্মদ নবিকে ছাড়া। যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশটির ক্রিকেটে ব্যাপক উন্নতি, খেলাটিকে সে দেশে আরও জনপ্রিয় করতে নবির ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে নবির পুরো পরিবার পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখানেই ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় ছোট্ট নবির। পরে ২০০০ সালে যখন তার পরিবার আফগানিস্তান ফেরে, তখন মোহাম্মদ শাহজাদ, আসগর আফগান, শাপুর জাদরানদের সঙ্গে খেলা শুরু করেন নবি।

২০০৩ সালে আফগানিস্তান জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০০৭ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও অভিষেক হয় তার। আফগানদের হয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে না পারলেও, দেশটির ওয়ানডে অভিষেক এবং টেস্ট অভিষেকের দিন মাঠেই ছিলেন এই অলরাউন্ডার।

অধিনায়কত্ব

দলের বাজে ফর্মের কারণে ২০১৩ সালের মার্চে নওরোজ মোগলকে জাতীয় দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে নেতৃত্ব তুলে দেয়া হয় মোহাম্মদ নবির হাতে। দায়িত্ব বুঝে পেতেই আফগানদের বড় বড় সাফল্য এনে দিতে থাকেন নবি। তারই নেতৃত্বে আফগানিস্তান তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্ট খেলে।

এরপর নবির নেতৃত্বেই ২০১৪ সালে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি এবং ২০১৫ সালে প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলে আফগানরা। ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আফগানরা মাত্র এক ম্যাচ জেতায় নেতৃত্ব ছাড়েন তিনি। তবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ক্ষোভে রশিদ খান নেতৃত্ব ছাড়লে আবারও দায়িত্ব এসে পড়ল নবির কাঁধেই।

যত সাফল্য

অধিনায়কত্ব পেতেই চমক দেখানো শুরু করেন নবি। তার নেতৃত্বে আফগানরা তাদের প্রথম তিন টি-টোয়েন্টিতেই দেখে জয়। কোনো ম্যাচ হারেনি প্রথম চার ওয়ানডে ম্যাচেও। নবির সময়ে আফগানিস্তান ১২ টি-টোয়েন্টি খেলে হেরেছে-জিতেছে সমান ৬ টিতে। ওয়ানডে ফরম্যাটে নবির অধিনায়কত্বে ২০১৪ সালের এশিয়া কাপে প্রথম খেলে আফগানরা। সে আসরে দলটি হারিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। ওই জয়টি ছিল টেস্ট খেলুড়ে দলের বিপক্ষে তাদের মাত্র চতুর্থ জয়।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

আফগান ক্রিকেটের বেশ কয়েকটি রেকর্ডই আছে নবির দখলে। তার নেতৃত্বেই বিশ্বমঞ্চে প্রথম কোনো ম্যাচ জেতে আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলের হয়ে দ্রুততম ফিফটির মালিক তিনিই। এ ছাড়াও আফগানদের হয়ে প্রথম শততম ওয়ানডে খেলা এবং এই ফরম্যাটে প্রথম এক’শ উইকেট শিকারিও নবি। এ ছাড়াও বিশ্বের অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই খেলা নবির নামের পাশে আছে আরো অনেক রেকর্ড।

ব্যক্তিগত জীবন

সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় প্রাণে বাঁচতেই পরিবারের সঙ্গে লোগার থেকে পাকিস্তানের পেশওয়ারে পালিয়ে আসতে হয় নবিকে। তবে পাকিস্তানে পালিয়ে যেতে এক অর্থে লাভই হয় তার। পেশওয়ারে গিয়েই ক্রিকেটের প্রেমে পড়েন তিনি। সেখানেই হয় ক্রিকেটের হাতেখড়ি।

Coach Image

ল্যান্স ক্লুজনার

জন্ম: ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১; বয়স: ৫০  

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

ল্যান্স ক্লুজনার খেলোয়াড়ি জীবনে বেশ বিখ্যাত ছিলেন নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং ও মিডিয়াম পেস বোলিংয়ের কারণে। তার কোচিং ক্যারিয়ার শুরু হতে পারত বাংলাদেশ অধ্যায় দিয়ে। লেভেল-থ্রি কোচিং কোর্স সম্পন্ন করার পর তাকে বোলিং কোচ হিসেবে আনতে চেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে ক্লুজনারের স্ত্রী বাংলাদেশে স্থায়ী হতে চাননি বলে শেষ পর্যন্ত বিসিবির দেয়া সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি এই প্রোটিয়া কিংবদন্তি।

পরে ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্লাব ডলফিনের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। দলটির সঙ্গে কাজ করেন প্রায় চার বছর। অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার পূর্ণ হতে ক্লুজনার নেমে পড়েন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো পেলেন কোনো জাতীয় দলের দায়িত্ব। কাজ করেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে। মাঝে দক্ষিণ ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট কোভাই কিংসের হয়েও কাজ করা ক্লুজনার ২০১৯ সালে পান আফগানিস্তান জাতীয় দলের হেড কোচের দায়িত্ব।

সাফল্য

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোচ হিসেবে এখনো সেভাবে নিজেকে চেনাতে পারেননি ল্যান্স ক্লুজনার। ঘরোয়া ক্রিকেটে ডলফিনসের হয়ে অবশ্য টুকটাক সাফল্য আছে তার। ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ২০১৩-১৪ মৌসুমে তিনি এনে দেন টি-টোয়েন্টি  প্রতিযোগিতার শিরোপা। তুলেছিলেম রাম স্লাম টুর্নামেন্টের ফাইনালেও।  

সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তেমন কোনো সফলতা না থাকলেও, অন্য সব প্রোটিয়া কোচের মতো দল নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আছে ক্লুজনারের। আফগানিস্তান এমনিতেই বিশ্ব টি-টোয়েন্টির অন্যতম শক্তিধর দল। রশিদ খান-মোহাম্মদ নবিদের সঠিক পথ দেখিয়ে ক্লুজনার তাই বড় কোনো অঘটন ঘটিয়ে দিলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

ব্যক্তিগত জীবন

আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ভাষা জুলু অনর্গল বলতে পারতেন বলে ক্লুজনারের ডাকনাম হয়ে গিয়েছিল জুলু। খেলোয়াড়ি জীবনের পাট চুকিয়ে এই ভাষায় ধারাভাষ্য দিয়ে পেয়েছিলেন বেশ জনপ্রিয়তাও। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে সুনাম কুড়ান ক্লুজনারের নেশা মাছ ধরা। শিকার করতেও বেশ ভালোবাসেন তিনি।  

আফগান স্কোয়াড

রশিদ খান, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, হযরতুল্লাহ যাযাই, উসমান গনি, আসগর আফগান, মোহাম্মদ নবী, নাজিবুল্লাহ জাদরান, হাসমতুল্লাহ শহিদি, মোহাম্মদ শাহজাদ, মুজিব উর রহমান, করিম জানাত, গুলবাদিন নাইব, নাভিন উল হোক, হামিদ হাসান, শরফুদ্দিন আশরাফ, দৌলত জাদরান, শাপুর জাদরান, কায়েস আহমেদ। 

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

রহমানুল্লাহ গুরবাজ 

১৩

৪৪৬

৩৪.৩০

৩/০

৮৭

১৪৩.৮৭  

হযতুল্লাহ যাযাই 

১৫

৫৭০  

৪০.৭১

২/১

১৬২*

১৫৫.৩১

উসমান গনি

২৩

৫৫১

২৬.২৩

৩/০

৭৩

১১১.০৮ 

আসগর আফগান

৭২

১৩৪১

২১.৯৮

৪/০

৬২

১১০.১৮

নাজিবুল্লাহ জাদরান

৬৩

১০৬০

৩৩.১২

৪/০

৭২*

১৪২.২৮

হাসমতুল্লাহ শহিদি

-

০/০

১*

১০০.০০

মোহাম্মদ শাহজাদ

৬৫

১৯৩৬

৩১.২২

১২/১

১১৮*

১৩৪.৮১

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

মুজিব উর রহমান

১৯

২৫

১৭.৭২

১/০

৪/১৫

৬.১৫

নাভিন উল হক

১৩

১৫.০০

০/০

৩/২১

৬.৯৬

হামিদ হাসান

২২

৩২

২২.২৩

১/০

৪/২২

৬.৫৬

দৌলত জাদরান

৩৪

৪০

২৪.৫০

১/০

৪/৪৪

৭.৯৩

শাপুর জাদরান

৩৬

৩৭

২৪.৫১

০/০

৩/৪০

৭.৮৩

কায়েস আহমেদ

৮.৩৩

০/০

৩/২৫

৬.২৫

 অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

রশিদ খান

৫১

১৭৯

১৩.৭৬

০/০

৩৩

১২৮.৭৭

৯৫

১২.৬৩

৫/৪

৫/৩

৬.২১   

মোহাম্মদ নবি

৮১

১৩৯৬

২১.৮১

৪/০

৮৯

১৪৫.৭২

৭২

২৭.০০

৩/০

৪/১০

৭.২০

করিম জানাত

২৭

২৬৮

১৬.৭৫

১/০

৫৩

১১৩.০৮

২৯

২৬.৪১

০/১

৫/১১

৮.২২

গুলবাদিন নাইব

৪৮

৪৯৫

১৭.৬৭

১/০

৫৬*

১২১.৩২

১৭

৩৬.৫২

০/০

২/২৪

৮.২৭

শরফুদ্দিন আশরাফ

২৮

৭.০০

০/০

১৮

৯৩.৩৩

৪২.২০

০/০

৩/২৭

৭.৮১

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ: ৪ বার
  • চ্যাম্পিয়ন: নেই  
  • রানার্সআপ: নেই  
  • সেমিফাইনাল: নেই
  • দ্বিতীয় পর্ব: একবার (২০১৬)
  • প্রথম পর্ব: তিনবার (২০১০,১২,১৪)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে আফগানিস্তানের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০১০-২০১৬

১৪

০৫

০৯

১৮৬/৬

৭২

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১৮৬

জয়

জিম্বাবুয়ে

নাগপুর

২০১৬

১৭২

১০

হার

দক্ষিণ আফ্রিকা

মুম্বাই

২০১৬

১৭০

জয়

স্কটল্যান্ড

নাগপুর

২০১৬

১৫৪

জয়

হংকং

চট্টগ্রাম

২০১৪

১৫৩

হার

শ্রীলঙ্কা

কলকাতা

২০১৬

১৩৬

১০

হার

ভারত

কলম্বো

২০১২

১৩২

হার

নেপাল

চট্টগ্রাম

২০১৪

১২৭

হার

ইংল্যান্ড

দিল্লি

২০১৬

১২৩

জয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নাগপুর

২০১৬

১১৯

জয়

হংকং

নাগপুর

২০১৬

 বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

মোহাম্মদ শেহজাদ  

১৪

৩২৩

৬৮

২৩.০৭

আসগর আফগান

১৩

২৪৬

৬২

২২.৩৬

শফিকুল্লাহ

১১

১৮১

৫১*

২২.৬২

নুর আলি জাদরান

১৭৪

৫০

২১.৭৫

সামিউল্লাহ শেনওয়ারি

১৪

১৫৯

৪৩

১৪.৭৫

বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

মোহাম্মদ নবি

১৪

৫৩.০

১  

৩৭৫

১৭

৪/২০

২২.০০

রশিদ খান

২৮.০

১৮৩

১১

৩/১১

১৬.৬৩

শাপুর জাদরান

৯ 

২৮.০

২০৭

২/১৯

২৩.০০

হামিদ হাসান

২০.৩

১১৪

৩/২১

১৬.২৮

দৌলত জাদরান

১০

৩৪ 

২৭৫

১/২২

৪৫.৮৩

 

সময়সূচি

২৫ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৯০/৪

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ৬০/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১০.২ (আফগানিস্তান ১৩০ রানে জয়ী)

২৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৭/৬

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৪৮/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী)

৩১ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৬০/৫

নামিবিয়া নামিবিয়া ৯৮/৯

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (আফগানিস্তান ৬২ রানে জয়ী)

০৩ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৪/৭

ভারত ভারত ২১০/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (ভারত ৬৬ রানে জয়ী)

০৭ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১২৪/৮

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১২৪/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.১ (নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী)

২২ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১১২/১০ (১৯.৪)

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১১৩/৫ (১৮.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী

২৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ০/০

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ০/০ (০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত

২৮ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ০/০

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ০/০ (০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত

০১ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৪/৮ (২০.০)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৪৮/৪ (১৮.৩)

ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ উইকেটে জয়ী

০৪ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

অ্যাডিলেড ওভাল

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৬৮/৮ (২০.০)

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৬৪/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪ রানে জয়ী