অস্ট্রেলিয়া

Team Image

অস্ট্রেলিয়া : শ্বাশত ফেবারিট

ক্রিকেটের যা কিছু প্রথম, তার সব কিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। এ যেন এক অমোঘ বিধান। ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসের যাত্রা শুরু। সেখানে জড়িয়ে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নাম। ১৯৭১ সালে বৃষ্টির কল্যাণে ওয়ানডে ক্রিকেটের গোড়া পত্তন। তাতেও জড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ার নাম। প্রতিপক্ষ সেই ইংল্যান্ড।

কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এসে এর ব্যাতিক্রম হয়ে গেছে। এবার আর প্রথম থাকতে পারেনি তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আয়োজকের সঙ্গে জড়িত নেই অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ডের নাম। প্রথম চ্যাম্পিয়নও তারা নয়। প্রথমবারের ফাইনালিস্ট ভারত-পাকিস্তান এবং শিরোপা জিতেছে ভারত।

বরং, এখনও পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজকই হতে পারেনি। ২০২০ সালের আয়োজক ছিল; কিন্তু করোনার কারণে সেই বিশ্বকাপ একবছর পিছিয়ে আনা হয়েছে এবং আয়োজকের মর্যাদা লাভ করেছে ভারত। আগামী বছর প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হবে অস্ট্রেলিয়া।

টেস্ট এবং ওয়ানডেতে যে সাফল্য- টি-টোয়েন্টিতে অসিদের তেমন সাফল্যই নেই। তাদের ক্রিকেটাররা বিশ্বের ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলো কাঁপিয়ে ছাড়েন, কিন্তু নিজ দেশের হয় কেন যেন ম্রিয়মান হয়ে যান। যদিও ২০১০ সালে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঠিকই তারা ফাইনারে উঠেছিল। কিন্তু পল কলিংউডের ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যায় মাইকেল ক্লার্কের দল। এর আগে-পরে কখনও আর ফাইনাল খেলতে পারেনি অসিরা।

২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা খেলেছিল সেমফাইনালে। পরেরবার বিদায় নিতে হয়েছে একেবারে প্রথম পর্ব থেকেই। ২০১০ সালে হলো ফাইনালিস্ট। ২০১২ বিশ্বকাপে খেলেছিল সেমিফাইনাল। এরপর ২০১৪ এবং ২০১৬ সালে তারা খেলেছে সর্বোচ্চ সুপার টেনে।

এবার কী করে সেটাই দেখার বিষয়। যদিও সম্প্রতি বাংলাদেশে খেলতে এসে নিজেদের নখদন্তহীন অবস্থানটা একেবারে পরিস্কার করে দিয়ে গেছে অসিরা। বাংলাদেশের কাছে ৫ ম্যাচের সিরিজ হেরেছে ৪-১ ব্যবধানে। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে হেরে এসেছে ৪-১ ব্যবধানে। নিউজিল্যান্ডে গিয়ে হেরেছে ৩-২ ব্যবধানে। তার আগে ঘরের মাঠে ভারতের কাছে হেরেছে ২-১ ব্যবধানে। এর আগে ইংল্যান্ডের মাঠে গিয়ে টি-টোয়েন্টিতে হেরে এসেছে ২-১ ব্যবধানে।

টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়া সর্বশেষ সিরিজ জিতেছে করোনা শুরুর আগে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে গিয়ে সিরিজ জিতে এসেছে ২-১ ব্যবধানে। এরপর করোনার কারণে দুটি সিরিজ খেলা হয়নি। তারপর টানা ৫টি সিরিজ হেরেছে অসিরা।

এ পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে এসে কী করবে অ্যারোন ফিঞ্চের দল? এমনিতে র‌্যাংকিংয়ের অবস্থাও ভালো না। তারা রয়েছে ৭ নম্বরে। সরাসরি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে যে আটটি দল খেলছে, তাদের মধ্যে এগিয়ে আছে শুধু আফগানিস্তানের চেয়ে।

দলে কিন্তু তারকার অভাব নেই। অ্যারোন ফিঞ্চের নেতৃত্বে ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ, অ্যাস্টন অ্যাগার, প্যাট কামিন্স, জস হ্যাজলউড, মিচেল মার্শ, কেনে রিচার্ডসন, মার্কাস স্টোইনিজ, ম্যাথ্যু ওয়েড, অ্যাডাম জাম্পা, ড্যান ক্রিশ্চিয়ান, নাথাস এলিস জস ইংলিশ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ড্যানিলে শামস, মিচেল স্টার্ক, মিচেল সোয়েপসন।

২৩ অক্টোবর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ২৮ অক্টোবর খেলবে বাছাই পর্বে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, ৩০ অক্টোবর খেলবে ইংল্যান্ড, ৪ নভেম্বর খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানারআপ এবং ৬ নভেম্বর খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

ক্রিকেটের সব প্রথমের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ড একসঙ্গে হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে। তবে পরের ধাপে এসে বাদ পড়ে গেলো ইংল্যান্ড। ২০০৪-০৫ মৌসুমে এসে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টির প্রচলন। এখানেও একটি প্রতিপক্ষ হিসেবে থেকে গেলো অস্ট্রেলিয়া। বাকি প্রতিপক্ষটির নাম ছিল নিউজিল্যান্ড।

টি-টোয়েন্টিতে না হলেও ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দলটির নাম অস্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ ২০১৫ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন তারা। পাশাপাশি ১৯৯৯ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত টানা তিনবার এবং তার আগে ১৯৮৭ সালের বিশ্বকাপ ট্রফিটিও গিয়েছিল তাদের ঘরে।

এত এত বর্ণাঢ্য রেকর্ডের পরও কিন্তু এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফেবারিটের তালিকায় নেই অস্ট্রেলিয়ার নাম। এর কী কারণ, তা আগেই বর্ণনা দেয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে অসিদের এই অবস্থা! নিশ্চিত এরচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর হতে পারে না।

তবে, র‌্যাংকিং যাই হোক, দলটির নাম অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বখ্যাত সব তারকা পরিপূর্ণ দলটি। সুতরাং, যে কোনো সময় জ্বলে উঠতে পারে তারা। সেটা হতে পারে এবারের বিশ্বকাপ। অস্ট্রেলিয়ার ভক্তরা সেটাই দেখার প্রত্যাশায়।

 

Captain Image

অ্যারোন ফিঞ্চ

জন্ম: ১৭ নভেম্বর, ১৯৮৬ ; বয়স: ৩৪
ডাকনাম: ফিঞ্চি

ব্যাকগ্রাউন্ড

উইকেটরক্ষক হিসেবে ক্রিকেট জীবনের হাতেখড়ি হলেও, পরে পুরোদস্তর ব্যাটসম্যান বনে যান অ্যারোন ফিঞ্চ। তাকে সে সুযোগটা করে দেয় ভিক্টোরিয়া। মেলবোর্নের দলটির হয়ে পেশাদার ক্রিকেট জীবন শুরু করেন ফিঞ্চ। সেখানে পাওয়া সাফল্যেই ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক তার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হয়ে যায় তার টি-টোয়েন্টি অভিষেক। এরপর ২০১৩ সালে ওয়ানডে অভিষেক এবং ২০১৮ সালে এসে অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ব্যাগি গ্রিন ক্যাপ তোলার সৌভাগ্য অর্জন করেন এই ওপেনিং ব্যাটসম্যান।

অধিনায়কত্ব

২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব পান অ্যারোন ফিঞ্চ। লংগার ভার্সন ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে জর্জ বেইলি অধিনায়কত্ব ছাড়ায় এই দায়িত্ব এসে পড়ে তার কাঁধে। এরপর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলকে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ওয়ানডে ফরম্যাটেও নেতৃত্ব দেন অ্যারোন ফিঞ্চ। পরে তাকে অধিনায়ক করেই ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেয় অস্ট্রেলিয়া। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ফিঞ্চের অধীনেই খেলেছিল অসিরা। এ নিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপে ক্যাঙ্গারুদের নেতৃত্ব দেবেন এই ওপেনার।

যত সাফল্য

অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে রেকর্ড ৪৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন ফিঞ্চ। এর মধ্যে দলকে জয় এনে দিয়েছেন ২৩ ম্যাচে। বিপরীতে তার নেতৃত্বে অসিরা হেরেছে ২৪ ম্যাচে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ পর্বের বাধাই পেরোতে পারেনি। তবুও ফিঞ্চের ওপরেই আস্থা রেখেছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ফিঞ্চের অধীনে এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুইবার দক্ষিণ আফ্রিকা এবং একবার করে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানকে হারিয়েছে।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

টি-টোয়েতে অনেকগুলো রেকর্ডই নিজ দখলে রেখেছেন ফিঞ্চ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বপ্রথম দেড় ’শ পেরোনো ইনিংসটি আসে তার ব্যাট থেকেই। ২০১৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ৬৩ বলে ফিঞ্চ খেলেন ১৫৬ রানের ওই ইনিংস।

এর পাঁচবছর পর আবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন তিনি। এবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ডানহাতি ওপেনার খেলেন ৭৬ বলে ১৭২ রানের ইনিংস। এখনও অব্দি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটাই ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এই ফরম্যাটে ফিঞ্চ ছাড়া দেড় ’শ পেরোনো ইনিংস আর কেবলমাত্র আগফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাইয়ের। অর্থাৎ, একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দুইবার দেড় শ রানের মাইলফলক ছোঁয়া ব্যাটসম্যানও ফিঞ্চ।

ব্যক্তিগত জীবন

অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়করা সচরাচর স্লেজিংয়ে পটু হলেও নিপাট ভদ্রলোক হিসেবেই খ্যাতি আছে অ্যারোন ফিঞ্চের। অস্ট্রেলিয়ার অকাল প্রয়াত ক্রিকেটার ফিল হিউজের সবচেয়ে কাছের বন্ধুদের একজন ছিলেন তিনি।

Coach Image

জাস্টিন ল্যাঙ্গার

জন্ম: ২১ নভেম্বর, ১৯৭০ বয়স: ৫০

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের একজন জাস্টিন লি ল্যাঙ্গার। বর্তমান শতাব্দির প্রথম দশকে বর্তমান পাকিস্তান কোচ ম্যাথু হেইডেনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তার ইনিংস উদ্বোধন পেয়েছিল জনপ্রিয়তার নতুন মাত্রা। বিশ্বের সফলমতম একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ২০০৭ সালে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার ঘোষণা দেন ল্যাঙ্গার।

২০০৯ সালে অবসর নেন সবধরনের ক্রিকেট থেকেই। একই বছর নতুন অধ্যায় শুরু করেন তিনি। কাজ শুরু করেন দেন অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ এবং ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে। ২০১২ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন শেষে বিগ ব্যাশের ফ্র্যাঞ্চাইজি দল পার্থ স্কোর্চার্চ এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

২০১৬ সালে তৎকালীন অস্ট্রেলিয়া হেড কোচ ড্যারেন লেম্যান অ্যাশেজের জন্য স্কাউটিংয়ে নামলে জাতীয় দলের ভারপ্রাপ্ত কোচের চাকরি পান ল্যাঙ্গার। পরে বল টেম্পারিং ক্যালেঙ্কারিতে ২০১৮ সালে লেম্যানের চাকরি যাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচের দায়িত্ব বর্তায় তার ওপর।  

সাফল্য

ক্রিকেট নিয়ে তীক্ষ্ণ ক্ষুরধার জ্ঞান থাকার কারণেই যে বছর সবধরনের ক্রিকেট ছাড়েন ল্যাঙ্গার, সে বছরই অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব পেয়ে যান ল্যাঙ্গার। এরপর ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও পার্থ স্কোর্চার্সের হয়েও তার সাফল্য ছিল দেখার মতো। বিগ ব্যাশে এখন পর্যন্ত তিনবার শিরোপা জিতেছে স্কোর্চার্স, প্রতিবারই প্রধান কোচ হিসেবে পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাবেক এই অসি তারকা। অস্ট্রেলিয়ার কোচ হিসেবে বড্ড কঠিন সময়ে দায়িত্ব বুঝে পেয়েছিলেন তিনি। তবে এ সময়েও দলকে অ্যাশেজ জেতানোর কীর্তি আছে তার।

সম্ভাবনা

অস্ট্রেলিয়া অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল তো বলেই দিয়েছেন, এবারের বিশ্বকাপ উঠতে যাচ্ছে তাদের হাতেই। ম্যাক্সওয়েলের কথা খুব একটা ফেলে দেয়ার মতো নয়। অন্তত ল্যাঙ্গারের জন্য হলেও। টি-টোয়েন্টি  ফরম্যাটে বেশ জনপ্রিয় ল্যাঙ্গার। বিগ ব্যাশের মতো প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে দলকে তিনবার চ্যাম্পিয়ন করা তো চাট্টিখানি কথা নয়। এদিকে, টানা তিন বছরে অস্ট্রেলিয়া দলের সবকিছুই এখন নখদর্পণে তার। নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে ওয়ার্নার-স্টার্কদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনতে পারলে ল্যাঙ্গারের অস্ট্রেলিয়া যে বড় সাফল্য পেতে যাচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।  

ব্যক্তিগত জীবন

বর্ণাঢ্য ক্রিকেট ক্যারিয়ার ছাড়াও অনেক অঙ্গনে পদচারণা আছে জাস্টিন ল্যাঙ্গারের। লেখক হিসেবে আছে তার পাঁচটি বই। ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক ল্যাঙ্গার একজন সফল মার্শাল আর্টিস্টও। ব্ল্যাক বেল্টের সর্বোচ্চ ডিগ্রির র‍্যাঙ্ক শোদান-হোতে নাম আছে তার। ব্যক্তি জীবনে তিনি বিয়ে করেছেন হাই স্কুলের প্রেমিকা সুইকে। চার মেয়ের জনক তিনি। তার চাচা রব ল্যাঙ্গারও একটা সময় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের বেশ পরিচিত মুখ ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াড

অ্যারোন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), অ্যাশটন অ্যাগার, প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, জশ ইংলিশ, মিচেল মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কেন রিচার্ডসন, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, মিচেল সোয়েপসন, ম্যাথু ওয়েড, ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যাডাম জাম্পা

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

ডেভিড ওয়ার্নার

৮১

২২৬৫

৩১.৪৫

১৮/১

১০০*

১৩৯.৭২

অ্যারোন ফিঞ্চ

৭৬

২৪৭৩

৩৭.৪৬

১৫/২

১৭২

১৫০.২৪

স্টিভ স্মিথ

৪৫

৭৯৪

২৯.৩৭

৪/০

৯০

১২৯.৫২

ম্যাথু ওয়েড

৪৮

৬৫৫

১৯.২৬

৩/০

৮০

১২৩.৮১

জশ ইংলিশ

-

-

-

-

-

(অভিষেক হয়নি)

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

মিচেল স্টার্ক

৪১

৫১

২১.৮২

০/০

৩/১১

৭.২২

প্যাট কামিন্স

৩০

৩৭

২০.৬২

০/০

৩/১৫

৬.৯৩

অ্যাস্টন অ্যাগার

৩৯

৫২

২১.৬৯

০/২

৬/৩০

৬.৭৪

জশ হ্যাজলউড

১৭

২১

২৫.৩৩

১/০

৪/৩০

৭.৯৮

কেন রিচার্ডসন

২৬

২৯

২৪.৩১

০/০

৩/১৮

৭.৯২

মিচেল সোয়েপসন

১১

১৫.৭৩

০/০

৩/১২

৭.৫২

অ্যাডাম জাম্পা

৫০

৫২

২৩.৪২

০/০

৩/১৪

৬.৯৬

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা.রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

৭২

১৭৮০

৩১.৭৮

৯/৩

১৪৫*

১৫৮.৯২

৩১

২৬.১৬

০/০

৩/১০

৭.৫০

মিচেল মার্শ

৩০

৭০০

২৮.০০

৪/০

৭৫

১২০.২৭

১৫

১৭.৮৬

০/০

৩/২৪

৭.৬৫

মার্কাস স্টয়নিস

২৮

৩৭৬

২৫.০৬

১/০

৭৮

১৩৩.৮০

১০

৩৫.৯০

০/০

২/২৭

৮.৪৮

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ছয়বার
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই  
  • রানার্সআপ : একবার (২০১০)
  • সেমিফাইনাল : দুইবার (২০০৭,২০১২)
  • দ্বিতীয় পর্ব : দুইবার (২০১৪, ২০১৬)
  • প্রথম পর্ব: একবার (২০০৯)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৭-২০১৬

২৯

১৬

 ১৩

১৯৭

৮৬

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

মাঠ

সাল

১৯৭

জয়

পাকিস্তান

গ্রস আইলেট

২০১০

১৯৩

জয়

পাকিস্তান

মোহালি

2০১৬

১৯১

১০

জয়

পাকিস্তান

গ্রস আইলেট

২০১০

১৮৪

জয়

ভারত

ব্রিজটাউন

২০১০

১৭৮

হার

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ঢাকা

২০১৪

১৭৫

১০

হার

পাকিস্তান

ঢাকা

2০১৪

১৭৩

হার

ভারত

ডারবান

২০০৭

১৬৭

হার

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দ্য ওভাল

২০০৯

১৬৮

জয়

শ্রীলঙ্কা

ব্রিজটাউন

২০১০

১৬৪

হার

পাকিস্তান

জোহানেসবার্গ

২০০৭

 বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

শেন ওয়াটসন

২৪

৫৩৭

৮১

২৮.২৬

0

ডেভিড ওয়ার্নার

২৩

৪৭৩

৭২

২১.৫০

মাইক হাসি

২১

৪৩৭

৬০*

৫৪.৬২

ম্যাথু হেইডেন

২৬৫

৭৩*

৮৮.৩৩

গ্লেন ম্যাক্সওয়েল

১৩

২৬৪

৭৪

২৯.৩৩

ক্যামেরুন হোয়াইট

১৫

২৫৮

৮৫*

৩৬.৮৫

ডেভিড হাসি

১০

২৩৪

৫৯

২৬.০০

অ্যারন ফিঞ্চ

২১৬

৭১

৩৬.০০

ব্রাড হাডিন

১৫

১৭৮

৪২

১৪.৮৩

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট

১৬৯

৪৫

৩৩.৮০

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

শেন ওয়াটসন

২৪

৭৫.২

৬০৮

২২

৩/২৬

২৭.৬৩

মিচেল জনসন

১৪

৫২.১

৩৫১

২০

৩/১৫

১৭.৫৫

মিচেল স্টার্ক

১০

৪০.০

৩১০

১৫

৩/২০

২০.৬৬

ডার্ক ন্যানেস 

২৬.০

১৮৩

১৪

৪/১৮

১৩.০৭

স্টুয়ার্ট ক্লার্ক

২৪.০

১৪৪

১২

৪/২০

১২.০০

স্টিভ স্মিথ

১১

২৩.০

১৬৩

১১

৩/২০

১৪.৮৭

ব্রেট লি

৩২.০

২৬৬

১০

৩/২৭

২৬.৬০

শন টেইট

২৩.৪

১৩১

৩/২০

১৪.৫৫

জেমস ফকনার

১৬.৫

১৩৩

৫/২৭

১৬.৬২

নাথান ব্রাকেন

২৮.২

১৯৬

৩/১৬

২৪.৫০

 

সময়সূচি

২৩ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১১৮/৯

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১২১/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে জয়ী

২৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৫৪/৬

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৫৫/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৭ (অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী)

৩০ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১২৫/১০

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১২৬/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১১.৪ (ইংল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী)

০৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ৭৮/২

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৭৩/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী (৮২ বল হাতে রেখে)

০৬ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৬১/২

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৫৭/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভারঃ ১৬.১ (অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী)

১১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৭/৫

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৭৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে জয়ী)

১৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৩/২

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৭২/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৫ (অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী)

২২ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১১১/১০ (১৭.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২০০/৩ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: নিউজিল্যান্ড ৮৯ রানে জয়ী

২৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৫৮/৩ (১৬.৩)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৫৭/৬ (২০.০)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী

২৮ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ০/০ (০.০)

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ০/০

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত

৩১ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৯/৫ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৩৭/১০ (১৮.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪২ রানে জয়ী

০৪ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

অ্যাডিলেড ওভাল

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৬৮/৮ (২০.০)

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৬৪/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪ রানে জয়ী