ভারত

Team Image

ভারত : সব সময়ের ফেবারিট

ট-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই প্রথম আসরে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত ধরে শিরোপা জিতেছিল ভারতীয়রা। এরপর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে ফাইনালে উঠলেও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত থাকতে হয়। ২০১৬ সালে ঘরের মাঠেও ফাইনালে উঠতে পারেনি বিরাট কোহলি অ্যান্ড কোং।

ফাইনাল খেলতে না পারলেও ভারত আইসিসির যে কোনো আসরেই থাকে সব সময়ের ফেবারিট। কারণ, দলটি এতটাই সমন্বিত যে, যে কোনো প্রান্তে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে ভারতীয়রা। একাদশের প্রতিটি খেলোয়াড়ই এক একজন তারকা। অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং কোচ রবি শাস্ত্রির ভারতের সামনে এবার দ্বিতীয়বারেরমত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম সুযোগ।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে হয়তো এখন শীর্ষে নেই তারা। রয়েছে দুই নম্বরে। দীর্ঘদিন টেস্ট এবং ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে রাজত্ব করার পর সেগুলোও হারিয়েছে। টেস্টে রয়েছে দুইয়ে, ওয়ানডেতে চারে, টি-টোয়েন্টিতে দুইয়ে।

সম্প্রতি দুই নম্বর ভারতীয় জাতীয় দল তৈরি করে শ্রীলঙ্কায় টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পাঠিয়েছিল ভারত। কিন্তু লঙ্কানদের কাছে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছিল শিখর ধাওয়ানের দলকে। সিরিজ হেরেছিল ২-১ ব্যবধানে। এর আগে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তারা কোনো সিরিজ হেরেছিল। প্রতিপক্ষ ছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর টানা আটটি সিরিজ হারেনি। এর মধ্যে একটি হয়েছিল ড্র এবং ৭টিতেই জিতেছে তারা।

ভারতের টি-টোয়েন্টি সাফল্যে সব সময়ই বিরাট অবদান রাখে আইপিএল। এবার তো আইপিএলের পাঠ চুকিয়েই তারা শুরু করবে বিশ্বকাপের অভিযান। যে কারণে পুরো ভারতীয় দল রয়েছে পুরোপুরি টি-টোয়েন্টি মেজাজে। প্রতিটি খেলোয়াড়ই নামবে টি-টোয়েন্টির আমেজ নিয়ে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপের দু’বার চ্যাম্পিয়ন ভারতীয়রা। ২০১১ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজন করে ২৮ বছরের আক্ষেপের অবসান ঘটিয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত। সেবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারেরমত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে তারা। মাঝে ২০১৫ বিশ্বকাপ গেলো। সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ধোনির দলকে। ঘরের মাঠে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল কোহলিদের।

২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ভারতের বিশ্বকাপ মিশন। ৩১ অক্টোবর ভারতের পরবর্তী প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। ৩ নভেম্বর তারা খেলবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ৫ নভেম্বর খেলবে বাছাই পর্বে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং ৮ নভেম্বর খেলবে ‘এ’ গ্রুপ রানারআপদের সঙ্গে।

সদ্য আইপিএল শেষ করা দলটির প্রায় প্রতিটি খেলোয়াড়ই রয়েছেন দারুণ ফর্মে। অধিনায়ক বিরাট কোহলির দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু এবার দারুণ ফর্মে। একই সঙ্গে ফর্মে বিরাট কোহলিও। দলের অন্যতম সদস্য রোহিত শর্মা এবং তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবার কিছুটা ব্যাকফুটে। প্লে-অফই খেলতে পারেনি তারা।

এছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাহুল চাহার, রবিন্দ্র জাদেজা, মোহাম্মদ শামি, রিশাভ পান্ত, লোকেশ রাহুল, বরুন চক্রবর্তি, জসপ্রিত বুমরাহ, ইশান কিশান, ভুবনেশ্বর কুমার, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল এবং সুর্যকুমার যাদব। প্রতিজনই আইপিএল খেলে পুরোপুরি পাকাপোক্ত।

সত্তর ও আশির দশকের ক্রিকেট পরাশক্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কপিল দেবের নেতৃত্বে ভারত বিশ্বকাপ জিতেছিল ১৯৮৩ সালে। তবে এর আগে ১৯৭৫ ও ১৯৭৯- এ দুই বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল ভারতকে। ১৯৮৩ সালে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বজয়ের পর ২০০৩ সালে আরও একবার আশা জাগিয়েছিল ভারতীয়রা।

প্রথম পর্বে একটি পরাজয় ছাড়া বাকি সময়টুকু চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সমান পাল্লা দিয়ে তারা উঠেছিল ফাইনালে। কিন্তু ওই দিন বোলিং-ব্যাটিং বিপর্যয়ে তারা অসিদের কাছে ধরাশায়ী হয়। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১২৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত।

ওই বিশ্বকাপ ছিল কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকারের জন্য আরেকটি স্মরণীয় আসর। কারণ টুর্নামেন্ট সেরার পাশাপাশি এ আসরেই তিনি গড়েছিলেন এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬৭৩ রানের অনন্য এক রেকর্ড। এর বাইরে ভারত ১৯৮৭ ও ১৯৯৬ বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল তরা।

তবে ২০০৭ বিশ্বকাপে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। পরেরবার ফেবারিট হিসেবেই শুরু করেছিল ভারতীয়রা এবং শেষ পর্যন্ত সেই বিশ্বকাপও ঘরে তুলে নিয়েছে তারা। ২০১৫ সালেও ভারত ছিল ফেবারিট। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে বিতর্কিতভাবে জয়ের পর সেমিতে গিয়ে আর পারেনি। বিদায় নিতে হয়েছিল।

২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় কোহলি এবং ধোনির ভারতকে। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেরা আয়োজক হয়ে কী করতে পারবে ভারতীয়রা, সেটাই দেখার বিষয়।

Captain Image

বিরাট কোহলি

জন্ম: ৫ নভেম্বর, ১৯৮৮ ; বয়স: ৩২
ডাকনাম: চিকু

ব্যাকগ্রাউন্ড

দিল্লির হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করেন বিরাট কোহলি। এরপর আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে। একের পর এক রেকর্ড গড়ে ক্রিকেট ইতিহাসের সফলতম একজনদের কাতারে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে ভারতের যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন কোহলি। একই বছর ভারত জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকও হয়ে যায় তার। ২০১০ সালে হয় টি-টোয়েন্টি অভিষেক। পরের বছর ভারতীয় জাতীয় দলের টেস্ট ক্যাপও ওঠে তার মাথায়। ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

অধিনায়কত্ব

বলা হয়, ভারতের সফলতম অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি নেতৃত্ব ছাড়ার আগেই বিরাট কোহলি পরবর্তী নেতা হিসেবে তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন। ভারতকে যুব বিশ্বকাপ জেতানো কোহলি, আরো পরিপক্ব হয়ে ওঠেন ধোনির সান্নিধ্যে থেকেই। ইতিহাস, পরিসংখ্যানও বলছে কোহলির সফলতার কথা।

২০১৭ সালে ধোনি রঙিন পোশাকের ক্রিকেট থেকে অধিনায়কত্ব ছাড়লে তার ভার এসে পড়ে কোহলির কাঁধে। এরপর থেকেই দুরন্ত গতিতে ছুটে চলছেন চরম আগ্রাসী ক্রিকেটার কোহলি। তার অধীনে ভারত ৪৫ টি-টোয়েন্টি খেলে জিতেছে ২৭টিতে। বিপরীতে ১৪ হার থাকলেও, এই ফরম্যাটে বিশ্বের তৃতীয় সফল অধিনায়ক তিনি।

যত সাফল্য

কঠোর পরিশ্রম আর অধ্যাবসায়ের জোরে ক্যারিয়ারের সূচনালগ্ন থেকেই সাফল্যের পরিপূরক হয়ে ওঠেন বিরাট কোহলি। বিশেষ করে নেতা হিসেবে। ভারতীয় যুব দলকে বিশ্বকাপ জেতানোর পথে তার নেতৃত্বের ধরণ তখনই আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। জাতীয় দলে সেই ধারা ধরে রেখেই নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন তিনি।

তার অধীনে ভারত এখনও পর্যন্ত তিনটি আইসিসি ইভেন্টে অংশ নিয়েছে। তবে জেতেনি কোনো শিরোপা। ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে উঠলেও, পাকিস্তানের কাছে হেরে যায় ভারত। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তার নেতৃত্বে ভারত হারে নিউজিল্যান্ডের কাছে।

একই দলের কাছে ২০২১ সালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও হারে ভারত। কোহলির নেতৃত্বে কোনো শিরোপা জেতা না হলেও, ভারত ঈর্শণীয় সব সাফল্য পেয়েছে তার হাত ধরেই। অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মতো তাদের মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারানো কিংবা দলটির বিপক্ষে পরপর দুটি টেস্ট সিরিজ জয়- সবই এসেছে কোহলির নেতৃত্বেই।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

ক্রিকেট মাঠের রেকর্ড আর বিরাট কোহলি- শব্দ দুটি যেন একে অপরের পরিপূরক। টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ব্যাটসম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন তিনি ছিলেন র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে। আইসিসির গেল দশকের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কোহলি।

এ সময়ে তিনবার হয়েছেন আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার। একবার বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার। আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন ছয়বার। এর মধ্যে চারবারই অধিনায়ক হিসেবে। টেস্ট দলে জায়গা পেয়েছেন তিনবার। তিনবারই অধিনায়ক হিসেবে। এ ছাড়াও আরো অসংখ্য রেকর্ড আছে তার নামের পাশে।

ব্যক্তিগত জীবন

২০১৩ সালে বলিউড অভিনেত্রী অনুশকা শর্মার সঙ্গে মন দেয়া-নেয়া শুরু করেন কোহলি। শুরুতে বিষয়টি গোপন রাখলেও, ২০১৭ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন দুই জগতের এই দুই তারকা। এরপর ২০২১ সালে একটি কন্যা সন্তানের জনক-জননী হন এই তারকা দম্পতি।

Coach Image

রবি শাস্ত্রি

জন্ম: ২৭ মে, ১৯৬২; বয়স: ৫৯

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

মাঠের ক্রিকেট ছাড়ার পর এই খেলার এমন কোনো অংশ নেই, যেখানে পা পড়েনি ভারতের বর্তমান প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রির। কোচিং, দলের ম্যানেজার, টিম ডিরেক্টর থেকে শুরু করে তার পদচারণা ছিল ক্রিকেট ধারাভাষ্যেও। সত্যি বলতে, ধারাভাষ্যকার শাস্ত্রির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি।

তবে ২০১৭ সালে স্থায়ীভাবে ভারতীয় জাতীয় দলকে কোচিং করানোর প্রস্তাব আসতেই তা লুফে নেন শাস্ত্রি। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও, বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাকে রেখে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

সেবারের আসর শেষে তার সঙ্গে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত নতুন করে চুক্তি করে বিসিসিআই। ভারতীয় জাতীয় দলকে কোচিং করানোর আগে অন্য কোনো দলকে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা ছিল না শাস্ত্রির। তবে ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা ভারত দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি।  

সাফল্য

রবি শাস্ত্রির অধীনে ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনাল খেলে ভারত। ২০১৯ বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল। তার সময়ে আইসিসির কোনো শিরোপা না জিতলেও, দাপুটে ক্রিকেটই উপহার দিয়েছে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজ জয় তার অধীনেই তুলে নেয় বিরাট কোহলি অ্যান্ড কোং।

পরে সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে গত বছর (২০২০) আবার অসিদের তাদের মাঠেই টেস্ট সিরিজ হারিয়ে এসেছে ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মত দলকে পেছনে ফেলে ভারত ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। যদিও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শিরোপা জয় করা সম্ভব হয়নি। সদ্য সমাপ্ত ইংল্যান্ড সফরেও শাস্ত্রীর দলের শক্তি দেখেছে বিশ্ব। শেষ টেস্ট বাতিল হওয়ার আগে সিরিজে তার দল এগিয়ে ছিল ২-১ ব্যবধানে।

সম্ভাবনা

কোচিং ক্যারিয়ার খুব বেশিদিনের না হলেও, তার অধীনে ভারত পেয়েছে চোখ ধাঁধান সাফল্য। আইসিসির দুটি ইভেন্টে শিরোপা জিততে না পারার আফসোস থাকলেও, ধারাবাহিকভাবে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে যে কোনো কন্ডিশনে দারুণ খেলছে ভারত।

টানা সফলতা থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ভারতকে এনে দিতে চান তিনি। গুঞ্জন উঠেছে, এই বিশ্বকাপ শেষেই ভারতের কোচের দায়িত্ব ছাড়বেন শাস্ত্রি। তো তার আগে যদি, ভারতকে আরেকটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেন, তবে ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড় এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী কোচের তকমা সেঁটে যাবে তার নামের পাশে।  

ব্যক্তিগত জীবন

রঙিন মেজাজের ভারতীয় ক্রিকেটের বেশ আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তিত্ব রবি শাস্ত্রি। ব্যক্তিগত জীবনে এক মেয়ের বাবা তিনি। তবে অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনে সংসারটা টেকেনি তার। বিয়ের ২২তম বছরে স্ত্রী ঋতু সিংয়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায় তার।

ভারতীয় স্কোয়াড

বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল, সূর্যকুমার যাদব, রিশাভ পান্ত, ইশান কিশান, হার্দিক পান্ডিয়া, রবিন্দ্র জাদেজা, রাহুল চাহার, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, বরুণ চক্রবর্তি, জসপ্রিত বুমরাহ, ভুবনেশ্বর কুমার, মোহাম্মদ শামি। 

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

বিরাট কোহলি

৯০

৩১৫৯

৫২.৫৬

২৮/০

৯৪*

১৩৯.০৪ 

রোহিত শর্মা

১১১

২৮৬৪

৩২.৫৪

২২/৪

১১৮

১৩৮.৯৬ 

লোকেশ রাহুল

৪৯

১৫৫৭

৩৯.৯২

১২/২

১১০*

১৪২.১৯

সূর্যকুমার যাদব

১৩৯

৪৬.৩৩

২/০

৫৭

১৬৯.৫১

রিশাভ পান্ত

৩৩

৫১২

২১.৩৩

২/০

৬৫*

১২৩.০৭ 

ইশান কিশান

৮০

৪০.০০

১/০

৫৫

১৪৫.৪৫

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

রাহুল চাহার

১৯.৫৭

০/০

৩/১৫

৭.৬১

অক্ষর প্যাটেল

১২

৩২.১১

০/০

৩/১৭

৬.৮৮

বরুণ চক্রবর্তি

৩০.৫০

০/০

১/১৮

৫.৩০

জসপ্রিত বুমরাহ

৫০

৫৯

২০.২৫

০/০

৩/১১

৬.৬৬ 

মোহাম্মদ শামি

১২

১২

৩৫.৬৬

০/০

৩/৩৮

২১.৮০ 

ভুবনেশ্বর কুমার

৫১

৫০

২৫.১০

১/১

৫/২৪

৬.৯০

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

রবিন্দ্র জাদেজা

৫০

২১৭

১৫.৫০

০/০

৪৪*

১১২.৪৩

৩৯

২৯.৫৩

০/০

৩/৪৮

৭.১০ 

হার্দিক পান্ডিয়া

৪৯

৪৮৪

১৯.৩৬

০/০

৪২*

১৪৫.৩৪

৪২

২৬.৪৫

১/০

৪/৩৮

৮.১৭ 

রবিচন্দ্রন অশ্বিন

৪৬

১২৩

৩০.৭৫

০/০

৩১*

১০৬.৯৫

৫২

২২.৯৪

২/০

৪/৮

৬.৯৭

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ৬ বার
  • চ্যাম্পিয়ন : একবার (২০০৭)
  • রানার্সআপ : একবার (২০১৪)
  • সেমিফাইনাল : একবার (২০১৬)
  • দ্বিতীয় পর্ব : তিনবার (২০০৯,১০,১২)
  • প্রথম পর্ব: নেই

(প্রথম পর্ব-গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব-সুপার এইট, সুপার টেন),

সংক্ষেপে ভারতের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৭-২০১৬

৩৩

২০

১১

২১৮/৪

৭৯

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

২১৮

জয়

ইংল্যান্ড

ডারবান

২০০৭

১৯২

হার

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

মুম্বাই

২০১৬

১৮৮

জয়

অস্ট্রেলিয়া

ডারবান

২০০৭

১৮৬

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

গ্রস আইলেট

২০১০

১৮০

হার

নিউজিল্যান্ড

জোহানেসবার্গ

২০০৭

১৮০

জয়

বাংলাদেশ

নটিংহাম

২০০৯

১৭৬

জয়

দক্ষিণ আফ্রিকা

ঢাকা

২০১২

১৭০

জয়

ইংল্যান্ড

কলম্বো

২০১২

১৬৩

হার

শ্রীলঙ্কা

গ্রস আইলেট

২০১০

১৬১

জয়

অস্ট্রেলিয়া

মোহালি

২০১৬

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

বিরাট কোহলি

১৬

৭৭৭

৮৯*

৮৬.৩৩

রোহিত শর্মা

২৮

৬৭৩

৭৯*

৩৯.৫৮  

যুবরাজ সিং

৩১ 

৫৯৩

৭০

২৩.৭২

এমএম ধোনি

৩৩

৫২৯

৪৫

৩৫.২৬

গৌতম গম্ভীর

২১

৫২৪

৭৫

২৬.২০

সুরেশ রায়না

২৬

৪৫৩

১০১

২৫.১৬

বিরেন্দর শেবাগ

১৮৭

৬৮

২৩.৩৭

ইউসুফ পাঠান

১১

১২২

৩৩*

১৭.৪২

রবিন উথাপ্পা

১১৩

৫০

১৮.৮৩

আজিঙ্কা রাহানে

৯৪

৪০

২৩.৫০

বিশ্বকাপে ভারতের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

রবি অশ্বিন

১৫

৫৪.০

৩৩৪

২০ 

৪/১১

১৬.৭০

ইরফান পাঠান

১৫

৪৩.০

১ 

৩২ ১

১৬

৩/১৬

২০.০৬

হরভজন সিং

১৯

6৯.০

4

৪৬৮

১৬ 

৪/১২

২৯.২৫

আশিস নেহরা

১০

৩৯.০

২৬৯

১৫

৩/১৯

১৭.৯৩

আরপি সিং

২৯.০

১৮৬

১৪

৪/১৩

১৩.২৮

রবিন্দ্র জাদেজা

১৭

৫৭.০

৪২৮

১৪

৩/৪৮

৩০.৫৭

যুবরাজ সিং

৩১

৩১.৪

২৩০

১২

৩/২৪

১৯.১৬

জহির খান

১২

3৮.৪

৩২২

১২

4/১৯

2৬.৮৩

অমিত মিশ্র

২২.০

১৪৭

১০

৩/২৬

১৪.৭০

লক্ষ্মিপতি বালাজি

১২.০

৮৮

৩/১৯

৯.৭৭

সময়সূচি

২৪ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ভারত ভারত ১৫১/৭

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫২/০

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৭.৫ (পাকিস্তান ১০ উইকেটে জয়ী)

৩১ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১১১/২

ভারত ভারত ১১০/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৪.৩ (নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী)

০৩ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৪/৭

ভারত ভারত ২১০/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (ভারত ৬৬ রানে জয়ী)

০৫ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ৮৫/১০

ভারত ভারত ৮৯/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ৬.৩ (ভারত ৮ উইকেটে জয়ী)

০৮ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৩২/৮

ভারত ভারত ১৩৬/১

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৫.২ (ভারত ৯ উইকেটে জয়ী)

২৩ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ভারত ভারত ১৬০/৬ (২০.০)

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫৯/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ী

২৭ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ভারত ভারত ১৭৯/২ (২০.০)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১২৩/৯ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ভারত ৫৬ রানে জয়ী

৩০ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

ভারত ভারত ১৩৩/৯ (২০.০)

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৩৪/৫ (১৯.৪)

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৫ উইকেটে জয়ী

০২ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

অ্যাডিলেড ওভাল

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৪৫/৬ (১৬.০)

ভারত ভারত ১৮৪/৬ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ভারত ৫ রানে জয়ী

০৬ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ভারত ভারত ১৮৪/৫ (২০.০)

জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ১১৫/১০ (১৭.২)

ফলঃ ভারত ৭১ রানে জয়ী

১০ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

অ্যাডিলেড ওভাল

ভারত ভারত ১৬৮/৬ (২০)

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৭০/০ (১৬.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ইংল্যান্ড ১০ উইকেটে জয়ী