আয়ারল্যান্ড

Team Image

আইরিশ থ্রিলার অব্যাহত থাকবে এবারও?

আয়ারল্যান্ড, টেস্ট আঙ্গিনার নবীন সদস্য। মাত্র কয়েক বছর আগে টেস্ট অঙ্গনে পা রেখেছে দেশটি। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাস বেশ পুরনো। ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিল। সুপার এইটে এই আইরিশদের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ।

২০১১ বিশ্বকাপে রীতিমত থ্রিলাল লিখতে শুরু করে তারা। ব্যাঙ্গালুরুতে ইংল্যান্ডের করা ৩২৭ রানও টপকে যায় আয়ারল্যান্ড। যদিও বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল তারা। ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ৩০০ প্লাস রান তাড়া করে নেদারল্যান্ডসকেও হারিয়েছিল আইরিশরা।

২০১৫ বিশ্বকাপে ক্রিস গেইলদের ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩০৪ রানের বাধা টপকে গিয়েছিল গ্রেট ব্রিটেনের এই দেশটি। হারিয়েছিল আরব আমিরাত এবং জিম্বাবুয়েকেও।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে (২০০৭) খেলার যোগ্যতা অর্জন করেনি। পরের আসরেই স্বগৌরবে উপস্থিতি জানান দেয় আইরিশরা। নিশ্চিত করে সুপার এইট। বাংলাদেশ, ভারত এবং আয়ারল্যান্ড ছিল ‘এ’ গ্রুপে। যেখানে তারা বাংলাদেশকে হারিয়েছে অনায়াসে। বাংলাদেশের ৮ উইকেটে করা ১৩৭ রানের জবাবে আয়ারল্যান্ড ১০ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয়।

ওই একটি জয়ের সুবাধেই সুপার এইটে জায়গা করে নেয় আইরিশরা। সুপার এইটে যদিও শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরের সব আসরেই অংশ নিয়েছে আয়ারল্যান্ড। কিন্তু কোনোবারই গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি।

রাজনৈতিক কারণে আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়ন ১৯৯৩ সালের আগ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অনুমোদন পায়নি। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। আইরিশ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে রয়েছে আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়ন।

পেশাদার ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট বিশ্বের অন্যত্র অবস্থানকারী খেলোয়াড়দের নিয়ে মূলতঃ দলটি গঠন করা হয়ে থাকে। বর্তমানে আইরিশ ক্রিকেট ইউনিয়ন, নয় দেশটির ক্রিকেট পরিচালনা করে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড।

তবে আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাস অনেক পুরনো। ১৮৫৫ সালে প্রথম ক্রিকেট খেলতে নামে আয়ারল্যান্ড। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় তারা।

বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ড আইসিসি ট্রফি, ইউরোপীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আইসিসি আন্তঃমহাদেশীয় কাপে অংশ নেয় আয়ারল্যান্ড। এর মধ্যে ইউরোপীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ তিনবার জয় করে ও বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন।

২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত আইসিসি আন্তঃমহাদেশীয় কাপ জয় করেছে তিনবার। ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের কাউন্টির ফ্রেন্ডস প্রভিডেন্ট ট্রফিতেও অংশ নিয়েছে তারা।

আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ১৯২৮, ১৯৬৯ এবং ২০০৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান, বাংলাদেশকে হারানোর জিম্বাবুয়ের সাথে টাই করে সুপার এইটে উত্তীর্ণ হওয়া।

২০১৬ সালের সর্ব শেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম পর্ব খেলে বিদায় নেয় আয়ারল্যান্ড। কিন্তু এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে দারুণ একটি দল গঠন করেছে আইরিশরা। এবারের বিশ্বকাপে প্রথম পর্বে (বাছাই পর্ব) শ্রীলঙ্কা , নেদারল্যান্ড ও নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলবে পল স্টার্লিংরা।

ওপেনিং ব্যাটার অ্যান্ড্রু বালবিরনিকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপে দল পাঠিয়েছে আয়ারল্যান্ড। প্রায় সব দেশে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে বেড়ানো পল স্টার্লিংয়ের উপর থাকবে বাড়তি ফোকাস। সে সঙ্গে ২০১১ বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকানো কেভিন ও’ব্রায়েনের ওপর থাকবে আলাদা দায়িত্ব। দলটিতে রয়েছে কাউন্টিতে খেলা বেশ কিছু অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

জর্জ ডকরেল, অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রায়েন এই দুই অভিজ্ঞ স্পিনারের সঙ্গে অলরাউন্ডার সিমি সিং নিয়ে দারুণ এক স্পিন বোলিং অ্যাটাক তৈরি করেছে আইরিশরা। কেভিন ও’ব্রায়েন, পল স্টার্লিংসহ অল রাউন্ডার জর্জ ডকরেলই হচ্ছেন তাদের সব আশা-ভরসার কেন্দ্রবিন্দু।

Captain Image

অ্যান্ড্রু বালবিরনি

জন্ম: ২৮ ডিসেম্বর, ১৯৯০; বয়স: ৩০

ব্যাকগ্রাউন্ড

আয়ারল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে আলোচনায় আসেন অ্যান্ড্রু বালবিরনি। ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় তার। আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ওয়ানে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন তিনি।

২০১৫ সালে একই দলের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও দেশের হয়ে খেলতে নামেন এই ব্যাটার। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর আইরিশরা ক্রিকেটের এই কুলিন ফরম্যাটে প্রথম খেলতে নামে ২০১৮ সালে। পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দলের সদস্য ছিলেন বালবিরনি।

অধিনায়কত্ব

যুব দল থেকেই অধিনায়কত্ব করে আসছেন বালবিরনি। তার নেতৃত্বে আয়ারল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল যুব বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব খেলে পরে মূল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে। ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের নেতৃত্বভার এসে পড়ে তার কাঁধে। উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড অধিনায়কত্ব ছাড়লে প্রথম তাকে টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়। একই বছর গ্যারি উইলসনের জায়গায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের নেতৃত্বও তুলে দেয়া হয় বালবিরনির হাতে।

যত সাফল্য

বালবিরনির নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি সিরিজ জিতেছে আয়ারল্যান্ড। সেটা টি-টোয়েন্টি দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এছাড়া আর কোনো সিরিজ জিততে পারেনি আইরিশরা। তবে তার নেতৃত্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে ওয়ানডেতে একবার হারানোর সুখস্মৃতি আছে দলটির। জাতীয় দলের হয়ে এখনো সেভাবে সফলতা পাওয়া না হলেও, যুব দলের হয়ে বালবিরনির রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। তার নেতৃত্বে ২০১০ যুব বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে চ্যাম্পিয়ন হয় আয়ারল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

নেদারল্যান্ডসে চলমান আইসিসি ইন্টারকন্টিনেটাল কাপে প্রথম ফার্স্ট-ক্লাস সেঞ্চুরির দেখা পান বালবিরনি। এরপর থেকেই ব্যাট হাতে নিয়মিত রান পেতে থাকেন এই ডানহাতি ব্যাটার। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে ইন্টার-প্রভিন্সিয়াল ট্রফি টুর্নামেন্টে ছয় ম্যাচে ২৬৪ রান নিয়ে আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তিনি। একই বছর ইন্টার-প্রভিন্সিয়াল চ্যাম্পিয়নশিপেও মাত্র চার ম্যাচে ৩০২ রান নিয়ে লেইন্সটার লাইটনিংয়ের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন তিনি।

Coach Image

গ্রাহাম ফোর্ড

জন্ম: ১৬ নভেম্বর, ১৯৬০ বয়স: ৬০

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

কখনো জাতীয় দলের হয়ে না খেলা গ্রাহাম ফোর্ডের কোচিংয়ে হাতেখড়ি ৩২ বছর বয়সেই। ঘরোয়া ক্রিকেটে যেই নাটালের হয়ে খেলতেন, সেই দলের কোচ হিসেবেই এই পেশায় যাত্রা শুরু তার। এরপর বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন দলের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

১৯৯৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের হয়ে নজর কাড়েন ফোর্ড। পরে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে বব উলমারের সহকারী হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলের সঙ্গে তাকেও যুক্তরাজ্যে পাঠানো হয়। বিশ্বকাপ শেষে বব উলমার সরে গেলে, প্রোটিয়া দলের হেড কোচের দায়িত্ব বর্তায় তার ওপর। এরপর ২০০৫ সালে কাউন্টি ক্লাব কেন্টের ডিরেক্টর হিসেবে, ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লাব ডলফিনসের প্রধান কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পান।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রধান কোচ হয়ে ফোর্ড দ্বিতীয়বার ফেরেন শ্রীলঙ্কার হয়ে। ২০১২ সালে জিওফ মার্শের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। দুই বছরের মাথায় সেই দায়িত্ব ছাড়লেও, ২০১৬ সালে আবার লঙ্কানদের হেড কোচ হিসেবে কাজ করেন তিনি। এর মাঝে দুই মৌসুম কাউন্টি ক্লাব সারের হেড কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন। সবশেষ ২০১৭ সালে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের হেড কোচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তিনি। একটানা কখনো কোনো কাজ না করলেও, আইরিশদের হয়ে চার বছর কাজ করছেন তিনি।

সাফল্য

বব উলমারের পর দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব নিয়েই দলটিকে একের পর এক সফলতা এনে দিতে থাকেন তিনি। বিশ্বকাপের পর তার অধীনেই দক্ষিণ আফ্রিকা ১১ সিরিজের ৮টি জিতে নেয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরপর দুই সিরিজ হেরে যাওয়ায় বরখাস্ত হতে হয় তাকে।

সম্ভাবনা

এবারের বিশ্বকাপ বেশ অভিজ্ঞ কোচদের একজন গ্রাহাম ফোর্ড। আয়ারল্যান্ড দল হিসেবেও আছে ভালো ছন্দে। শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস, নামিবিয়ার গ্রুপ থেকে রাউন্ড-১ পেরিয়ে সুপার ১২-এ জায়গা করে নিতে খুব একটা কষ্ট হওয়ার কথা নয় ফোর্ড বাহিনীর।

ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিকেট কোচিংয়ের চেয়ে পরিবারকে সময় দিতেই বেশি ভালোবাসেন গ্রাহাম ফোর্ড। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) একবার কোচিং করানোর সুযোগ পেয়েও শুধুমাত্র পরিবারের জন্য ভারতে যাননি তিনি। এ ছাড়াও শ্রীলঙ্কার হয়ে দুইবার চুক্তি শেষের আগেই চাকরি শুধুমাত্র পারিবারিক কারণেই ছেড়েছিলেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ।

আয়ারল্যান্ড স্কোয়াড

অ্যান্ড্রু বালবিরনি (অধিনায়ক), মার্ক অ্যাডায়ার, কার্টিস ক্যামফের, গ্যারেথ ডিলানি, জর্জ ডকরেল, শানে গেটকেক, গ্রাহাম কেনেডি, জশ লিটল, অ্যান্ড্রি ম্যাকব্রাইন, ব্যারি ম্যাকারথি, কেভিন ও’ব্রায়েন, নেইল রক, সিমি সিং, পল স্টার্লিং, হ্যারি টেকটর, লরকান টাকার, বেন হোয়াইট, ক্রেইগ ইয়াং।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

অ্যান্ড্রু বালবিরনি

৫১

১০৮২

২৪.০৪

৪/০

৮৩

১২৮.৫০

নেইল রক

২৬

১৩.০০

০/০

২২

৯২.৮৫

হ্যারি টেকটর

২৫

৪১৩

২২.৯৪

১/০

৬০

১২৭.৮৬

লরকান টাকার

২০

১৬৬

১০.৩৭

০/০

২২*

১০৫.০৬ 

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

৪/৫

সেরা

ইক. রেট

শেন গেটকেক

২৩

১৬

২৮.৯৩

০/০

৩/২০

৮.৪১

জশ লিটল

২১

১৭

৩৬.১১

০/০

৩/২৯

৮.৫২

অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রায়ান

২০

১৩

১৮.৩৮

০/০

২/৭

৭.২৪

ব্যারি ম্যাকার্থি

১৫

১৪

৩৭.৫০

১/০

৪/৩৩

৯.৮৭

বেন হোয়াইট

৩৩.৬৬

০/০

২/২৩

৭.২১

ক্রেজ ইয়াং

৩৮

৩১

২৯.৮৭

১/০

৪/১৩

৭.৯৮

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সেরা

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

পল স্টার্লিং

৮৬

২৪০১

৩০.৭৮

১৮/১

১১৫*

১৩৮.৫৪

১৯

৩৫.২৬

০/০

৩/২১

৭.৬১

কেভিন ও'ব্রায়ান

১০৪

১৮২২

২০.৯৪

৪/১

১২৪

১৩৩.০৮

৫৮

১৯.৫৫

১/০

৪/১৩

৭.৫৩

মার্ক অ্যাডায়ার

২৪

১৮৯

১৩.৫০

০/০

৩৮

১১২.৫০

৪২

১৪.৩৩

২/০

৪/২৩

৬.৮৫

গ্যারেথ ডিলানি

২৩

৪৩৬

২৪.২২

২/০

৮৯*

১৫০.৩৪

১৯

২৪.৫৭

০/০

২/২১

৭.৪১

জর্জ ডকরেল

৮৩

৩৪৫

১৫.০০

০/০

৩৪*

১২০.৬২

৭৬

২১.৬০

১/০

৪/২০

৭.১২

সিমি সিং

৩১

২৪৫

১১.১৩

১/০

৫৭*

১১২.৯০

২৮

২৩.৫৩

০/০

৩/১৫

৭.৪৬

কার্টিস ক্যামফের

৩.০০

০/০

৭৫.০০

-

০/০

০/২৫

১২.৫০

গ্রাহার কেনেডি

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ড দল: পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : পাঁচবার   
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই              
  • রানার্সআপ : নেই  
  • সেমিফাইনাল: নেই
  • দ্বিতীয় পর্ব :একবার (২০০৯)
  • প্রথম পর্ব: চারবার (২০১০, ২০১২, ২০১৪, ২০১৬)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে আয়ারল্যান্ডের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৯-২০১৬

১৫

১৮৯

৬৮

বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সেরা ৫টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১৮৯

হার

নেদারল্যান্ডস

সিলেট

২০১৪

১৬৪

জয়

জিম্বাবুয়ে

সিলেট

২০১৪

১৫৪

হার

ওমান

ধর্মশালা

২০১৬

১৩৮

জয়

বাংলাদেশ

নটিংহাম

২০০৯

১৩৫

হার

শ্রীলঙ্কা

লর্ডস

২০০৯

বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড     

১৫

২৫৩

৪৭

২১.০৮

কেভিন ও’ব্রায়ান

১৫

১৯৯

৪২*

১৮.০৯

পল স্টার্লিং

১১

১৬২

৬০

১৮.০০

নেইল ও’ব্রায়ান

১১

১৬১

৪০

২০.১২

গ্যারি উইলসন

১৩

১৩৮

৩৮

১৫.৩৩

বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সেরা বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

জর্জ ডকরেল  

২৩.১

১৬২

১১

৩/৭

১৪.৭২

অ্যালেক্স কুসাক  

১২

৩২.০

২৯৪

১১

৪/১৮

2৬.৭২

কেভিন ও’ব্রায়ান

১৫

৩০.০

২৩৩

২/১৭

২৫.৮৮

কাইল ম্যাককালান

১৯.৩

১৩৭

২/২৬

১৭.১২

বয়েড র‍্যানকিং

১০

৩৩.০

২৩৩

২/২৫

২৯.১২

 

সময়সূচি

১৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১০৬/১০

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১০৭/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

আয়ারল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী (২৯ বল হাতে রেখে)

২০ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৭১/৭

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১০১/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

শ্রীলঙ্কা ৭০ রানে জয়ী

২২ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১২৫/৮

নামিবিয়া নামিবিয়া ১২৬/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৩ (নামিবিয়ার ৮ উইকেটে জয়)

১৭ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

বেলেরিভ ওভাল

জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ১৭৪/৭ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৪৩/৯ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: জিম্বাবুয়ে ৩১ রানে জয়ী

১৯ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১৭৬/৫ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৮০/৪ (১৯.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী

২১ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৬/৫ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৫০/১ (১৭.৩)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: আয়ারল্যান্ড ৯ উইকেটে জয়ী

২৩ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

বেলেরিভ ওভাল

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৩৩/১ (১৫.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১২৮/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ৯ উইকেটে জয়ী শ্রীলঙ্কা

২৬ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১০৫/৫ (১৪.৩)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৫৭/১০ (১৯.২)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: আয়ারল্যান্ড ৫ রানে জয়ী (ডি/এল)

২৮ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ০/০

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ০/০ (০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত

৩১ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৯/৫ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৩৭/১০ (১৮.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪২ রানে জয়ী

০৪ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

অ্যাডিলেড ওভাল

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৮৫/৬ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৫০/৯ (২০.০)

ফল: নিউজিল্যান্ড ৩৫ রানে জয়ী