নামিবিয়া

Team Image

নামিবিয়া : প্রথম আসরটাকেই স্মরণীয় করে রাখার মিশন

২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলেছিল আফ্রিকান দেশ নামিবিয়া। সেবার ৬ ম্যাচের সবগুলোতেই হেরেছে তারা। এরপর কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল নামিবিয়ানরা। ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি কোনো বিশ্বকাপেই দেখা মেলেনি তাদের। অবশেষে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারেরমত খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নামিবিয়ানরা।

১৯৯২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্যের মর্যাদা লাভকারী নামিবিয়ার ক্রিকেট কিন্তু সে অর্থে এগোয়নি। কানাডায় অনুষ্ঠিত ২০০১ সালের আইসিসি ট্রফির মাধ্যমে নামিবিয়া ২০০৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। টরন্টো ক্রিকেট, স্কেটিং ও কার্লিং ক্লাবে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের কাছে পরাজিত হলেও নামিবিয়া প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যেতে কোনো বাধার মুখে পড়েনি।

এরপর ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে নামিবিয়ায় আইসিসি ৬-জাতি চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে চতুর্থ স্থান দখল করে। ওই বছর সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত ২০০২ সালের আফ্রিকান কাপে গ্রুপ পর্বের খেলায় কেবলমাত্র তানজানিয়াকে পরাজিত করে ও গ্রুপে চতুর্থ স্থান দখল করে।

এর কয়েক সপ্তাহ পর জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার ম্যাচেই পরাজিত হয়। জিম্বাবুয়ে সফরের তুলনায় সফরকারী কেনিয়ার বিপক্ষে চার ম্যাচের একদিনের সিরিজে বেশি সফল হয়েছিল তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া একদিনের ক্রিকেট স্ট্যান্ডার্ড কাপে অংশ নিলেও পাঁচ ম্যাচের সবগুলোতেই পরাজিত হয়। জানুয়ারি, ২০০৩ সালে বাংলাদেশ নামিবিয়া সফর করে ও পাঁচটি একদিনের সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে জয় পায়।

নামিবিয়ায় ক্রিকেট কিন্তু বেশ পুরনো খেলা। সেখানে প্রথম ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯০৯ সালে। তখন দেশটি ছিল জার্মানির অধীনে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তারা জার্মানদের থেকে মুক্তি লাভ করে। চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দখলে। এরপর অবশ্য ক্রিকটের উন্নতি ঘটে।

১৯৩০ সালে গঠিত হয় ‘সাউথ ওয়েস্ট আফ্রিকা ক্রিকেট ইউনিয়ন’। ১৯৬১ সাল থেকে ‘সাউথ আফ্রিকান কান্ট্রি ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন’ আয়োজিত বার্ষিক প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করে তৎকালীন দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকা।

১৯৬৬ সালে বিদ্রোহী সংগঠন ‘সোয়াপ্রোর’ সশস্ত্র বাহিনী ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি অফ নামিবিয়া’ নেতৃত্ব দেয় স্বাধীনতা আন্দোলনের। একইসঙ্গে খেলাধুলাও বয়কট করে তারা। ১৯৮৯ সালে সাউথ আফ্রিকান ক্রিকেট বোর্ডের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে সাউথ ওয়েস্ট আফ্রিকা ক্রিকেট ইউনিয়ন। ওই বছর নভেম্বরে নিজেদের প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে বতসোয়ানা যায় নামিবিয়া ক্রিকেট দল।

১৯৯২ সালে আইসিসির ১৯তম সহযোগী সদস্য দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে নামিবিয়া। দেশটির ক্রিকেটের প্রথম অর্জন ২০০১ আইসিসি ট্রফির ফাইনালে খেলা।

দীর্ঘদিন পর আবারও নামিবিয়ান ক্রিকেটের উত্থান ঘটতে যাচ্ছে এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। মূলতঃ গত কয়েক বছর যুব ক্রিকেটের ব্যাপক উন্নয়ন হয় দেশটিতে। নামিবিয়ার বয়সভিত্তিক দলগুলো বেশ ভাল করার ফলে ক্রিকেটার উঠে আসছে। জাতীয় দলের সাপ্লাই লাইনও বেশ সমৃদ্ধ হচ্ছে তাদের। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে নামিবিয়ানরা।

এবারের বিশ্বকাপে নামিবিয়ান দলে সবচেয়ে বড় চমক সাবেক প্রোটিয়া ক্রিকেটার ডেভিড ওয়াইজ। ৩৬ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দীর্ঘদিন খেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে। হয়তো এবার নামিবিয়াকে ভালো কিছু উপহার দেবেন তিনি।

Captain Image

গেরহার্ড ইরাসমাস

জন্ম: ১১ এপ্রিল, ১৯৯৫; বয়স: ২৬

ব্যাকগ্রাউন্ড

২০১১ সালে নামিবিয়া জাতীয় দলের হয়ে খেলা শুরু করেন গেরহার্ড ইরাসমাস। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অভিষেক এর ৮ বছর পর। ২০১৯ সালের এপ্রিলে ওমানের বিপক্ষে দেশের হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন তিনি। একই বছর আফ্রিকার দেশ ঘানার বিপক্ষে হয় তার টি-টোয়েন্টি অভিষেক। ২০১৮ সালে নামিবিয়ার হয়ে আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন টু টুর্নামেন্টের দলে ডাক পাওয়া এই ব্যাটার ২০১৮ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি কাপেও নামিবিয়ার হয়ে খেলেছেন।

অধিনায়কত্ব

২০১৯ সালের মার্চে নামিবিয়ার নেতৃত্ব পান ইরাসমাস। ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার পর দলটিকে প্রথম ম্যাচেই নেতৃত্ব দেন তিনি। একই বছরের মে মাসে টি-টোয়েন্টি দলকেও নেতৃত্ব দেন। এখন পর্যন্ত নামিবিয়ার হয়ে ১৮ ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন ইরাসমাস এবং সবগুলো ম্যাচেই ছিলেন অধিনায়ক। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আবার নিজের প্রথম ম্যাচ বাদে বাকি ১৮ ম্যাচেই নেতৃত্ব দিয়েছেন নিজের দেশকে। মনে হবে যেন নেতৃত্ব দেয়ার জন্যই জন্ম হয়েছে তার।

যত সাফল্য

তার নেতৃত্বে নামিবিয়া জেতে প্রথম ছয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সবকটিতেই। অধিনায়ক হিসেবে তার সাফল্য বেশ ঈর্ষণীয়ই বটে। নামিবিয়া এখন পর্যন্ত তার নেতৃত্বে ১৮ ম্যাচ খেলে জিতেছে ১৪টিতে। ওয়ানডে ফরম্যাটেও ৮ ম্যাচ খেলে তার অধীনে নামিবিয়া জিতেছে পাঁচটিতে।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

২০১৯ সালে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছিলেন ইরাসমাস। ৯ ম্যাচ খেলে সেই আসরে ২৬৮ রান করেন তিনি। ওই আসরের টুর্নামেন্ট সেরাও হন তিনি।

Coach Image

পিয়েরে ডি ব্রুইন

জন্ম: ৩১ মার্চ, ১৯৭৭ বয়স: ৪৪  

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

প্রায় দেড় দশকের খেলোয়াড়ি জীবনে জাতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কখনো খেলা হয়নি পিয়েরে ডি ব্রুইনের। টাইটান্স, ডলফিনের মতো বড় ক্লাবগুলোতে খেলা এই অলরাউন্ডার ২০০৯-১০ আফ্রিকান ক্রিকেট মৌসুম শেষে খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় বলে দেন। আর ২২ গজকে বিদায় বলেই ডি ব্রুইন মন দেন কোচিংয়ে।

২০১৬ সালে কাউন্টি ক্লাব লেস্টারশায়ারের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। স্থলাভিষিক্ত হন অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ডের। এর আগে, ক্লাবটির দ্বিতীয় একাদশ এবং সহকারী স্কিল কোচ হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল তার। ২০১৭ সালে লেস্টারশায়ারের হেড কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেন ডি ব্রুইন। পরের বছরই নামিবিয়া জাতীয় দলের প্রধান কোচ করা হয় এই প্রোটিয়াকে।

সাফল্য

অল্প কদিনের কোচিং ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সাফল্য লেখা হয়নি ডি ব্রুইনের নামের পাশে। তবে নামিবিয়াকে ২০১৯ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লিগ ডিভিশন-২ তে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি। এটাই তার কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্য।

সম্ভাবনা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার ১২-এ উঠতে পারলেই যেন অসাধ্য সাধন হবে নামিবিয়ার। কেননা প্রথম রাউন্ডে দলটির বাকি তিন প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। শক্তির ব্যবধানে তিনটি দলই তাদের চেয়ে এগিয়ে। তবে যেহেতু নামিবিয়া ২০১৯ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লিগ ডিভিশন-২ তে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দল, সেই শিরোপা জয়ের আত্মবিশ্বাস থেকে বাছাইপর্বে দলটি অঘটন ঘটিয়ে দিলেও অবাক হওয়ার থাকবে না কিছুই।

ব্যক্তিগত জীবন

প্রিটোরিয়ায় জন্ম নেয়া ডি ব্রুইনের জমজ একটি ভাই আছে। তার নাম এতিয়েন ডি ব্রুইন। এতিয়েনও ভাইয়ের মতো ক্রিকেট খেললেও, কখনো জাতীয় দলে সুযোগ পাননি।  

নামিবিয়া স্কোয়াড

গেরহার্ড ইরাসমাস (অধিনায়ক), জেজে স্মিট (সহ অধিনায়ক), ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক, কার্ল বারকেন্সটক, বেন শিকঙ্গো, বার্নার্ড স্কল্টজ, নিকোল লফটি ইটন, ক্রেইগ উইলিয়ামস, মাইকেল ফন লিঙ্গেন, স্টিফেন বার্ড, রুবেন ট্রাম্পেলম্যান, জেন গ্রিন (উইকেটরক্ষক), ডেভিড ওয়াইজ, পিকিইয়া ফ্রান্স, মিকাউ ডু পেরেজ (উইকেটরক্ষক)।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

স্টিফেন বার্ড

১৪

৪১০

৩৪.১৬

৪/০

৯২

১২৫.০০

কার্ল বারকেন্সটক

৮০

২৬.৬৬

১/০

৫৯

১৮১.৮১

মিকাউ ডু পেরেজ

৬২

-

০/০

৩৩*

১০৬.৮৯

জেন গ্রিন

১৬

৭৯

৯.৮৭

০/০

১৮*

১০১.২৮

নিকোল লফটি ইটন

২৪

১২.০০

০/০

১৮

৯২.৩০

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

শেন গেটকেক

২৩

১৬

২৮.৯৩

০/০

৩/২০

৮.৪১ 

বার্নার্ড স্কল্টজ

১৭

২৬

১৩.১৫

১/০

৪/১২

৫.৪৫

বেন শিকঙ্গো

১৪

১২

১৪.৯১

০/০

২/৪

৫.৪২

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

গেরহার্ড ইরাসমাস

১৯

৪৮৪

৪০.৩৩

৫/০

৭২

১৪১.১০

১২

১৪.২৫

০/০

৩/১২

৫.৩১

জ্যান ফ্রাইলিঙ্ক

১৭

৫৯

১৯.৬৬

০/০

১৯*

১১৩.৪৬

২৬

১১.৫৭

১/০

৪/২১

৫.৭৬

জেজে স্মিট

১৫

২৮১

৩১.২২

১/০

৫৯

১৬২.৪২

১৬

১৪.৬২

০/০

৩/১৯

৬.২৯

ক্রেইগ উইলিয়ামস

১৬

৩৪৪

২৮.৬৬

২/০

৮১

১২৪.৬৩ 

২০.১১

০/০

৩/৯

৬.২৪

পিকিইয়া ফ্রান্স

১৮

৬.০০

০/০

১৩

৯০.০০

৪১.০০

০/০

১/৩

৬.৩০ 

রুবেন ট্রাম্পেলম্যান

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

মাইকেল ভ্যান লিঙ্গেন

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

ডেভিড ওয়াইজ

২৩

১১২

১১.২০

০/০

২৮

১২১.৭৩

২৭

২২.০০

০/১

৫/২৩

৭.৬৮

 

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নামিবিয়া : পরিসংখ্যান

** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা এবারই প্রথম

টি-টোয়েন্টিতে সেরা ১০টি জয় 

রানের ব্যবধানে

ব্যবধান

লক্ষ্য

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১২৪ রান

২৪১

বতসোয়ান

উইনধোক

২০১৯

৯৩ রান

১৯৪

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

৮৭ রান

১৮২

কেনিয়া

দুবাই

২০১৯

৮৭ রান

১৯২

সিঙ্গাপুর

দুবাই

২০১৯

৭৮ রান

১৭৫

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

উইকেটের ব্যবধানে

ব্যবধান

লক্ষ্য

ওভার

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১০ উইকেট

৪৭

৩.৫

বতসোয়ানা

কাম্পালা

২০১৯

৯ উইকেট

৯২

১০.৫

ঘানা

কাম্পালা

২০১৯

৮ উইকেট

৮৬

১১.১

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

৭ উইকেট

১৩৫

১৪.৫

উগান্ডা

উইনধোক

২০২১

৬ উইকেট

১০৭

১৩.১

বার্মুডা

দুবাই

২০১৯

সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: ৬ জন

খেলোয়াড়

সময়কাল

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

স্ট্রা. রেট

১০০

৫০

গেরহার্ড ইরাসমাস

২০১৯-২০২১

১৯

৪৮৪

৭২

৪০.৩৩

১৪১.১০

স্টিফেন বার্ড

২০১৯-২০২১

১৪

৪১০

৯২

৩৪.১৬

১২৫.০০

ক্রেইগ উইলিয়ামস

২০১৯-২০২১

১৬

৩৪৪

৮১

২৮.৬৬

১২৪.৬৩

এন ড্যাভিন

২০১৯-২০১৯

১৬

৩৩৫

৫৪

২২.৩৩

১৫৫.০৯

জেপি কোর্তজে

২০১৯-২০২১

১৫

২৮৬

১০১*

২০.৪২

১২০.১৬

জেজে স্মিট

২০১৯-২০২১

১৫

২৮১

৫৯

৩১.২২

১৬২.৪২

 সেরা ৬টি ইনিংস

খেলোয়াড়

রান

বল

স্ট্রা. রেট

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

জেপি কোর্তজে

১০১*

৪৩

২৩৪.৮৮

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

স্টিফেন বার্ড

৯২

৫৮

১৫৮.৬২

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

ক্রেইগ উইলিয়ামস

৮১

৪৯

১৬৫.৩০

উগান্ডা

উইনধোক

২০২১

গেরহার্ড ইরাসমাস

৭২

৪৬

১৫৬.৫২

সিঙ্গাপুর

দুবাই

২০১৯

ক্রেইগ উইলিয়ামস

৬৮*

৩১

২১৯.৩৫

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

গেরহার্ড ইরাসমাস

৬২*

৩৬

১৭২.২২

উগান্ডা

উইনধোক

২০২১

সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী: ৬ জন

খেলোয়াড়

সময়কাল

ম্যাচ

রান

উইকেট

সেরা

 গড়

ইক.রেট

ইয়ান ফ্রাইলিংক

২০১৯-২০২১

১৭

৩০১

২৬

৪/২১

১১.৫৭

৫.৭৬

বার্নার্ড স্কল্টজ

২০১৯-২০২১

১৭

৩৪২

২৬

৪/১২

১৩.১৫

৫.৪৫

ক্রিস্টি ভিলজোয়েন

২০১৯-২০১৯

১২

২৩৬

২০

৫/৯

১১.৮০

৬.৩৪

জেজে স্মিট

২০১৯-২০২১

১৫

২৩৪

১৬

৩/১৯

১৪.৬২

৬.২৯

গেরহার্ড ইরাসমাস

২০১৯-২০২১

১৯

১৭১

১২

৩/১২

১৪.২৫

৫.৩১

বেন শিকঙ্গো

২০১৯-২০২১

১৪

১৭৯

১২

২/৪

১৪.৯১

৫.৪২

 এক ইনিংসে সেরা ৬টি বোলিং

খেলোয়াড়

ওভার

উইকেট

ইক. রেট

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

ক্রিস্টি ভিলজোয়েন

৪.০

২.২৫

বতসোয়ানা

কাম্পালা

২০১৯

বার্নার্ড স্কল্টজ

৪.০

৩.০০

কেনিয়া

দুবাই

২০১৯

ক্রিস্টি ভিলজোয়েন

৪.০

৩.৭৫

উগান্ডা

কাম্পালা

২০১৯

ইয়ান ফ্রাইলিংক

৩.০

৭.০০

সিঙ্গাপুর

দুবাই

২০১৯

ক্রেইগ উইলিয়ামস

২.০

৪.৫০

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

গেরহার্ড ইরাসমাস

৩.০

৪.০০

বতসোয়ানা

উইনধোক

২০১৯

সময়সূচি

১৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ৯৬/১০

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০০/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

৭ উইকেটে জয়ী শ্রীলঙ্কা, ১৩.৩ ওভার (৩৯ বল হাতে রেখে)

২০ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৬৪/৪

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৬৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

নামিবিয়া ৬ উইকেটে জয়ী

২২ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১২৫/৮

নামিবিয়া নামিবিয়া ১২৬/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৩ (নামিবিয়ার ৮ উইকেটে জয়)

২৭ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১০৯/৮

নামিবিয়া নামিবিয়া ১১৫/৬

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯.১ (নামিবিয়া ৪ উইকেটে জয়ী)

৩১ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৬০/৫

নামিবিয়া নামিবিয়া ৯৮/৯

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (আফগানিস্তান ৬২ রানে জয়ী)

০২ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৪৪/৫

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৮৯/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (পাকিস্তান ৪৫ রানে জয়ী)

০৫ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৬৩/৪

নামিবিয়া নামিবিয়া ১১১/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (নিউজিল্যান্ড ৫২ রানে জয়ী)

০৮ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৩২/৮

ভারত ভারত ১৩৬/১

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৫.২ (ভারত ৯ উইকেটে জয়ী)

১৬ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০৮/১০ (১৯.০)

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৬৩/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

৫৫ রানে জয়ী নামিবিয়া

১৮ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১২২/৫ (১৯.৩)

নামিবিয়া নামিবিয়া ১২১/৬ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

নেদারল্যান্ডস ৫ উইকেটে জয়ী

২০ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

কার্দিনিয়া পার্ক

আরব আমিরাত আরব আমিরাত ১৪৮/৩ (২০.০)

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৪১/৮ (২০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: আরব আমিরাত ৭ রানে জয়ী।