নেদারল্যান্ডস

Team Image

নেদারল্যান্ডস: আরও একবার চমক দেখানোর অপেক্ষায়

২০০৭ প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। ২০০৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেই ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিযেছিল ডাচরা। নিজেদের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচেই তারা জন্ম দেয় অঘটনের। ইংল্যান্ডের মত মহা শক্তিশালী দলকে হারিয়ে বসে তারা।

সেবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে লর্ডসে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছিল নেদারল্যান্ডস। প্রথম ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড সংগ্রহ করেছিল ১৬২ রান। জবাব দিতে নেমে ১৬৩ রান করে ফেলে ডাচরা, ৬ উইকেট হারিয়ে। ৪ উইকেটে জয় নিয়ে উৎসব করদে করতে মাঠ ছাড়ে তারা।

২০০৯ সালে ধুমকেতুর মত উদয় ঘটার পর আবারও হারিয়ে যায় যেন ডাচরা। দুটি বিশ্বকাপ না খেলে ২০১৪ সালে আবারও যোগ্যতা অর্জন করে চূড়ান্ত পর্বে খেলার। যদিও প্রথম পর্বেই তারা চমক দেখায়। আরব আমিরাত এবং আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপ সেরা হয়েই সুপার টেনে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে তারা।

সুপার টেনে এস আবারও ইংলিশ হন্তারকে পরিণত হয় ডাচরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেন নেদারল্যান্ডস একটি বড় ধাঁধাঁর নাম ইংল্যান্ডের কাছে। গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি ইংল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ডাচরা স্কোরবোর্ডে তোলে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান। জবাব দিতে নেমে ১৭.৪ ওভারে অলআউট হয়ে ইংলিশরা সংগ্রহ করে মাত্র ৮৮ রান। ৪৫ রানের ব্যবধানে হেরে যায় স্টুয়ার্ট ব্রডের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডকে বিদায় করে নিজেরাও বিদায় নেয় সুপার টেন থেকে।

২০১৬ বিশ্বকাপে খেলেছিল তারা। তবে সেবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৯ রান করেও ১২ রানে ম্যাচ জিতে আরও একটি চমক দেখায়। যদিও ১৬ দলের মধ্যে ১২তম হয়ে প্রথম পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল তারা।

২০২১ সালে এসে আরও একবার নিজেদের চমক দেখানোর পালা। এবার সেই চমক দেখানোর উপাদান তাদের হাতে। কারণ, শুরুতেই বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডকে বারবার হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের, সেই আয়ারল্যান্ডকে পাচ্ছে প্রথম ম্যাচেই। সুতরাং, ডাচদের প্রত্যাশা প্রথম ম্যাচেই শুভ সূচনার। চমকের শুরুটাও কী তবে এই ম্যাচ থেকে হবে তাদের?

১৯৬৬ সালেই নেদারল্যান্ডস আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সহযোগী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত। তবে দেশটির ক্রিকেট ইতিহাস অনেক পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দীতে নেদারল্যান্ডসে ক্রিকেটের সূচনা ঘটে। ১৮৬০-এর দশকে রাজকীয় খেলা ক্রিকেট দেশটির অন্যতম বৃহৎ খেলার মর্যাদা পায়।

অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের মত অন্যসব খেলা ডাচ জনগোষ্ঠীর কাছে বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু আধুনিককালে নেদারল্যান্ডসে প্রায় ছয় হাজারের বেশি ক্রিকেটার রয়েছে। এর ফলে ক্রিকেট জনপ্রিয়তার দিক থেকে ২৫তম স্থানে রয়েছে দেশটি। রয়্যাল ডাচ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ১৮৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশেরও আগে, ১৯৯৬ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস প্রথমবার অংশগ্রহণ করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে পরপর ৩টি ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে ডাচরা। ২০০৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে ডাচদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। এরপর ধীরে ধীরে ক্রিকেটে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি।

এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষে ডাচরা অভিজ্ঞ ও তরুণদের নিয়ে দারুণ এক দল ঘোষণা করেছে। বাঁহাতি স্পিনার পিটার সিলারের উপরই নেতৃতের ভার রেখেছে রয়্যাল ডাচ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কাউন্টি ক্রিকেট খেলা রায়ান টেন ডেসকাট ফিরে এসেছেন এবার আবারও জাতীয় দলে। এছাড়া সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ফন ডার মারউইও আছেন ডাচদের বিশ্বকাপ দলে। মারউই নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই ডাচদের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে আসছেন।

Captain Image

পিটার সিলার

জন্ম: ২ জুলাই, ১৯৮৭ ; বয়স: ৩৪

ব্যাকগ্রাউন্ড

নেদারল্যান্ডসের অনূর্ধ্ব-১৫, ১৭, ১৯ পর্যায়ে খেলে জাতীয় দলে আসেন পিটার সিলার। সিনিয়র দলের হয়ে তার অভিষেক ২০০৫ সালে সি অ্যান্ড জি ট্রফি দিয়ে। একই বছর আইসিসি ট্রফিতেও খেলেছেন সিলার। পরের বছর ৬ জুলাই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের হয়ে খেলতে নেমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নাম লেখান তিনি। দুই বছর পর কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও অভিষেক হয়ে যায় তার।

অধিনায়কত্ব

ডাচ ক্রিকেটের দীর্ঘদিনের সেনানি পিটার বোরেন ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব পান সিলার।

যত সাফল্য

তার অধীনে এখন পর্যন্ত ৩৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে নেদারল্যান্ডস ১৬ হারের বিপরীতে জিতেছে ১৭ ম্যাচে। ওয়ানডেতে ৯ ম্যাচ খেলে ৩ হারের বিপরীতে জ্য় ৬ ম্যাচে। ওয়ানডেতে সিলারের নেতৃত্বে টেস্ট খেলুড়ে দেশ জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয় আছে ডাচদের।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

২০১১ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস সবকটি ম্যাচে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয়। সেই আসরে দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। এ ছাড়াও দেশের হয়ে ৫০ উইকেট নেয়ার কীর্তি আছে তার। সঙ্গে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার নাম আছে ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডে।

Coach Image

রায়ান ক্যাম্পবেল

জন্ম: ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ বয়স: ৪৯

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

দুটি ভিন্ন জাতীয় দলের হয়ে খেলা গুটিকয়েক ক্রিকেটারদের একজন ছিলেন রায়ান ক্যাম্পবেল। জন্ম নেন অস্ট্রেলিয়ায়। অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে খেলা ছাড়াও হংকংয়ের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ক্রিকেট ছাড়ার পর হংকং জাতীয় দলের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন ক্যাম্পবেল।

২০১০ এশিয়ান গেমসে দলটিকে তৈরি করার জন্যও দায়িত্ব বর্তায় তার ওপর। ২০১২ সালের এপ্রিলে দেশটিতে স্থায়ী হওয়ার পর কওলোন ক্রিকেট ক্লাবের খেলোয়াড়-কোচ দুই ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরে ২০১৩ সালে হংকং জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে কাজ শুরু করেন ক্যাম্পবেল। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে প্রধান কোচ হিসেবে তিনি নিয়োগ পান ডাচ জাতীয় দলে। এপ্রিলে ক্রিস অ্যাডামসের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

সাফল্য

পরিসর ছোট্ট হওয়া কোচ হিসেবে খুব বেশি সফলতা এখনো দেখাতে পারেননি রায়ান ক্যাম্পবেলের।  

সম্ভাবনা

টি-টোয়েন্টি  বিশ্বকাপে রাউন্ড ১-এ শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড এবং নামিবিয়ার সঙ্গে গ্রুপ এ-তে পড়েছে নেদারল্যান্ডস। সাম্প্রতিক সময়ে দলটির পারফরম্যান্স আশা জাগানিয়া। যেহেতু এই গ্রুপ থেকে দুটি দল সুপার টুয়েলভ-এ জায়গা করে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে, সেহেতু দলটির সামনেও মূল পর্বে খেলার আছে ভালো সম্ভাবনা।

ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিকেট খেলাকালীন অস্ট্রেলিয়ার রেডিও স্টেশন ৯৩.৭ এর ক্রীড়া প্রতিবেদক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন রায়ান ক্যাম্পবেল। ব্যক্তিগত জীবনে সাংবাদিকতা ছাড়াও ফক্স স্পোর্টস এবং টেন নেটওয়ার্কে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।

নেদারল্যান্ডস স্কোয়াড

পিটার সিলার (অধিনায়ক), কলিন অ্যাকারম্যান (সহ অধিনায়ক), ফিলিপ্পে বইসেভাইন, বাস ডে লিড, পল ভ্যান মেকারেন, বেন কুপার, ম্যাক্স ও’ডাউড, স্কট এডওয়ার্ডস, রায়ান টেন ডেসকাট, টিম ফন ডার গাগটেন, রিলফ ফন ডার মারওয়ে, ব্রেন্ডন গ্লোভার, ফ্রেড ক্লাসেন, লোগান ফন বিক, স্টিফেন মাইবার্গ।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

স্টিফেন বার্ড

১৪

৪১০

৩৪.১৬

৪/০

৯২

১২৫.০০

বেন কুপার

৫৬

১২৩০

২৯.২৮

৯/০

৯১*

১২৫.০০

বাস ডে লিড

১৩

২২১

২৪.৫৫

১/০

৮১*

১০৫.২৩

স্কট এডওয়ার্ডস

৩৩

৪০২

২২.৩৩

০/০

৪২*

১৩৭.২০

স্টিফেন মাইবুর্গ

৩৩

৭৪১

২৪.৭০

৫/০

৭১*

১১৬.৬৯

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সর্বোচ্চ

ইক. রেট

ফিলিপ্পে বইসেভাইন

৩৮.৮৩

০/০

২/৪৩

৮.৬২

ব্রেন্ডন গ্লোভার

১৯

২৮

১৬.০০

২/০

৪/১২

৬.৮৯

ফ্রেড ক্লাসেন

২১

২০

২৯.০৫

০/০

৩/৩১

৮.৩৯

লোগান ফন বিক

৩২.০০

০/০

৩/৯

৯.৪১ 

টিম ফন ডার গাগটেন

৩৯

৪০

২১.১৭

০/০

৩/৯

৭.১২ 

পল ফন মেকারেন

৪৫

৪৭

২২.৫৭

২/০

৪/১১

৭.১৬

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

রায়ান টেন ডেসকাট

২২

৫৩৩

৪৪.৪১

৩/০

৫৯

১৩৩.২৫

১৩

১৮.৮৪

০/০

৩/২৩

৭.০০

পিটার সিলার

৭৪

৫৬৮

১৭.৭৫

১/০

৯৬*

১১৪.০৫

৫৬

২২.৬৪

১/০

৪/১৯

৬.৮৭

কলিন অ্যাকারম্যান

১১

২৪৩

৩০.৩৭

০/০

৪৩*

১২৩.৯৭

২৯.৪০

০/০

১/৬

৫.৮৮

রিলফ ফন ডার মারওয়ে

৪৩

৪৫৪

২৬.৭০

২/০

৭৫

১৩১.৫৯

৫৪

১৭.৩৭

১/০

৪/৩৫

৬.২৮ 

ম্যাক্স ও'ডাউড

৪০

১০৩৮

২৮.৮৩

৬/১

১৩৩*

১২৫.২১

৩৯.৬৬

০/০

১/৭

৯.৩৯

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : তিনবার             
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই
  • রানার্সআপ : নেই  
  • সেমিফাইনাল: নেই  
  • দ্বিতীয় পর্ব : একবার (২০১৪)
  • প্রথম পর্ব: দুইবার (২০০৯, ২০১৬)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৯-২০১৬

১২

০৫

১৯৩

৩৯

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সেরা ৫টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১৯৩

জয়

আয়ারল্যান্ড

সিলেট

২০১৪

১৬৩

জয়

ইংল্যান্ড

লর্ডস

২০০৯

১৫২

জয়

আরব আমিরাত

সিলেট

২০১৪

১৫১

হার

নিউজিল্যান্ড

চট্টগ্রাম

২০১৪

১৪৫

হার

বাংলাদেশ

ধর্মশালা

২০১৬

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের সেরা ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

স্টেফান মাইবুর্গ    

১০

২৮০

৬৩

৩১.১১

টম কুপার

১০

২৪৬

৭২*

৪১.০০

পিটার বোরেন

১২

১৮৭

৪৯

১৭.০০

ওয়েসলি বারেসি  

১০

১৬০

৪৮

২০.০০

মাইকেল সোয়ার্ট

৭৬

২৬ 

১২.৬৬

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের  সেরা বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ফন ডার গাগটেন

১০

৩০.০

২০৭

১৩

৩/২১

১৫.৯২

আহসান মালিন

2৫.৫

0

১৭১

১২

৫/১৯

১৪.২৫

পল ফন মিকেরেন

৬.০

২৮

৪/১১

৪.৬৬

পিটার সিলার

১২

১৯.০

১৪৫

২/৯

২৯.০০

লোগান ফন বিক

১৭.০

১৬০

৩/৯

৩২.০০

 

সময়সূচি

১৮ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১০৬/১০

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১০৭/৩

ম্যাচ রিপোর্ট

আয়ারল্যান্ড ৭ উইকেটে জয়ী (২৯ বল হাতে রেখে)

২০ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৬৪/৪

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৬৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

নামিবিয়া ৬ উইকেটে জয়ী

২২ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ৪৪/১০

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ৪৫/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ৭.১ (শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়ী)

১৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

কার্দিনিয়া পার্ক

আরব আমিরাত আরব আমিরাত ১১১/৮ (২০.০)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১১২/৭ (১৯.৫)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: নেদারল্যান্ডস ৩ উইকেটে জয়ী

১৮ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১২২/৫ (১৯.৩)

নামিবিয়া নামিবিয়া ১২১/৬ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

নেদারল্যান্ডস ৫ উইকেটে জয়ী

২০ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ এএম

কার্দিনিয়া পার্ক

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৪৬/৯ (২০.০)

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১৬২/৬ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ১৬ রানে জয়ী শ্রীলঙ্কা

২৪ অক্টোবর, ২০২২, ১০:০০ পিএম

বেলেরিভ ওভাল

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৪৪/৮ (২০.০)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৩৫/১০ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ৯ রানে জয় পেল বাংলাদেশ

২৭ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ভারত ভারত ১৭৯/২ (২০.০)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১২৩/৯ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ভারত ৫৬ রানে জয়ী

৩০ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

পাকিস্তান পাকিস্তান ৯৫/৪ (১৩.৫)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ৯১/৮ (২০.০)

ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী

০২ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

অ্যাডিলেড ওভাল

জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ১১৭/১০ (১৯.২)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১২০/৫ (১৮.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ৫ উইকেটে জয় পেল নেদারল্যান্ডস

০৬ নভেম্বর, ২০২২, ০৬:০০ এএম

অ্যাডিলেড ওভাল

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১৪৫/৮ (২০.০ ওভার)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ১৫৮/৪ (২০ ওভার)

ফল: ১৩ রানে জয় পেল নেদারল্যান্ডস