নিউজিল্যান্ড

Team Image

নিউজিল্যান্ড : এবার ফাইনালের হাতছানি!

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সেমিফাইনালের গেরো কাটিয়েছিল ২০১৫ সালেই। সেবার অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারতে হয়েছিল। ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালেও উঠেছিল কিউইরা। কিন্তু ফাইনালে স্রেফ দুর্ভাগ্যের শিকার হতে হলো। লর্ডসে মূল ম্যাচ টাই, সুপার ওভারও টাই। এরপর বাউন্ডারির অদ্ভূত হিসেবে শিরোপা বঞ্চিত থাকতে হলো নিউজিল্যান্ডকে।

ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুইবার ফাইনাল খেললেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একবারও ফাইনাল খেলতে পারেনি তারা। ‍৬টি আসরের মধ্যে দু’বার খেলেছে সেমিফাইনাল। ২০০৭ সালে এবং ২০১৬ সালে। এবার কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে দলটি যে শক্তি নিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে কিউইরা, তাতে দলটির সমর্থকরা আশাবাদী হতেই পারে, ভালো কিছুর প্রত্যাশায়।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড একসময় সেমিফাইনালের দল হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১৫ নিজ দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে এসে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর পর ২০১৯ সালের বিশ্বকাপেও খেলেছে তারা।

২০১৫ সালের আগ পর্যন্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপের ৬টিতেই সেমিফাইনাল খেলেছে কিউইরা। প্রতিবারই তারা আটকে গেছে শেষ চারেই। ২০১১ সালে উপমহাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। তার আগে ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের দলকে।

১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড আটকে গিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। তার আগে একই ঘটনা ঘটেছিল ১৯৯২ বিশ্বকাপেও। সেবারও সেমির বাধা টপকাতে পারেনি পাকিস্তানের কাছে হেরে। তার আগে প্রথম দুই বিশ্বকাপে, ১৯৭৫ এবং ১৯৭৯ বিশ্বকাপেও সেমিফাইনাল খেলেছিল নিউজিল্যান্ড।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে নিউজিল্যান্ড এবার রয়েছে চতুর্থ স্থানে। তবে আইসিসি র‌্যাংকিং যাই হোক, কিউইদের এবারের দলটি সত্যিই ফেবারিট। শিরোপা জিততে পারবে কি না জানা নেই, সে নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারবে না। তবে কিউইরা যে এবার টি-টোয়েন্টিতে শিরোপা জিততে আরব আমিরাত যাচ্ছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ড দলটি কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে দুর্দান্ত। খুবই ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল। কিন্তু মাঠে নিজেদের সময়মত প্রমাণ করতে না পারাটাই তাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। তবে, সর্বশেষ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ঠিকই জ্বলে উঠেছিল ব্ল্যাক ক্যাপসরা। বিরাট কোহলিদের হারিয়ে জিতেছিল শিরোপা।

টি-টোয়েন্টিতে কিউইদের সর্বশেষ পারফরম্যান্স বিচার করা খুবই জটিল। কারণ, সর্বশেষ ৫ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে তারা যে দলটিকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছিল, সেই দলটির একজনও নেই বিশ্বকাপের দলে। আবার পাকিস্তান গিয়ে নিরাপত্তার অজুহাতে তারা না খেলেই ফিরে এসেছে।

তবে তার আগে ঘরের মাঠে টানা চারটি সিরিজ খেলে সবগুলোতেই জিতেছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে ২-০ ব্যবধানে। পাকিস্তানকে হারিয়েছে ২-১ ব্যবধানে। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে ৩-২ ব্যবধানে এবং বাংলাদেশকে হারিয়েছে ৩-০ ব্যবধানে।

২৬ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবার বিশ্বকাপ খেলতে নামবে কিউইরা। এরপর ৩১ অক্টোবর ভারত, ৩ নভেম্বর বাছাই পর্বে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, ৫ নভেম্বর বাছাই পর্বে ‘এ’ গ্রুপ রানারআপ এবং সর্বশেষ ৭ নভেম্বর খেলব আফগানিস্তানের বিপক্ষে।

কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বে এবারের নিউজিল্যান্ড দলটি দুর্দান্ত। ওপেনিংয়ে মার্টিন গাপ্টিল বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনার হিসেবে পরিচিত। তরুণ ব্যাটার ডেভন কনওয়ে তো রীতিমত বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া রয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশেষজ্ঞ টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, মিচেল স্যান্টনার, লকি ফার্গুসন, কাইল জেমিসন, ইশ সোদি প্রমুখ। ব্যাটার গ্লেন ফিলিপস, মার্ক চাপম্যান, জিমি নিশাম, ড্যারিল মিচেল- এদের মধ্যে দু’তিনজন দাঁড়িয়ে যেতে পারলেই নিউজিল্যান্ডকে আটকানোর সাধ্য থাকবে না কারো।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব আসরে অংশ নিয়ে নিউজিল্যান্ড এখন পর্যন্ত ৩০টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ১৫টিতে জয় এবং ১৩টিতে হার রয়েছে। ২টি হয়েছে টাই।

Captain Image

কেন উইলিয়ামসন

জন্ম: ৮ আগস্ট, ১৯৯০; বয়স: ৩১

ব্যাকগ্রাউন্ড

মাত্র ১৭ বছর বয়সেই নর্দান ডিস্ট্রিক্টের হয়ে পেশাদার ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু করেন কেন উইলিয়ামসন। ব্যাট হাতে সেখানে মুগ্ধতা ছড়ানোর পুরস্কার হিসেবে ২০১০ সালেই নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলে ডাক পেয়ে যান তিনি। আগস্টে ভারতের বিপক্ষে হয় তার ওয়ানডে অভিষেক। একই বছর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট ক্যাপও মাথায় তোলেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। অভিষেক থেকেই দলের ব্যাটিং স্তম্ভে পরিণত হওয়ায় পরের বছর আরেক ফরম্যাট টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়ে যায় এই ভদ্রলোকের।

অধিনায়কত্ব

ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ২০১৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে বিশ্রাম দেয়া হলে অধিনায়কত্বের ভার পড়ে তরুণ উইলিয়ামসনের কাঁধে। এর আগেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুইবার দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামা হয়েছিল তার। ব্যাট হাতে ক্ষুরধার হওয়ার পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও নিজের মুন্সিয়ানা দেখানোয়, ম্যাককালামের অবসরের পর ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়কই করা হয় উইলিয়ামসনকে। এখনো পর্যন্ত একই সঙ্গে কিউইদের তিন ফরম্যাটের নেতৃত্বই দিচ্ছেন তিনি।

যত সাফল্য

২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলা ছাড়া এই ফরম্যাটে অধিনায়ক হিসেবে দলকে তেমন বড় কোনো সাফল্য এনে দিতে পারেননি উইলিয়ামসন। তার নেতৃত্বে কিউইরা এই ফরম্যাটে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়েকে সিরিজ হারাতে পেরেছে। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে বাদে বাকি সব সিরিজ জয় আবার ঘরের মাঠে।

তবে অন্য ফরম্যাটে উইলিয়ামসন অধিনায়ক হিসেবে জায়গা পাবেন সেরাদের সেরার কাতারে। ভাগ্য সহায় হলে হয়তো ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপাটাও উঠত তার হাতেই। তবে সুপার ওভারের নাটকীয়তার পর বাউন্ডারির গোঁজামিলের কারণে নিউজিল্যান্ডকে তাদের ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেননি উইলিয়ামসন।

দুই বছর পর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ দিয়ে সেই আক্ষেপ অবশ্য কিছুটা হলেও ঘুচিয়েছেন তিনি। আইসিসির প্রথম টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা অধিনায়ক হিসেবে উইলিয়ামসন আজীবন থেকে যাবেন ইতিহাসের পাতায়।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

নিউজিল্যান্ডের প্রয়াত ক্রিকেটার কিংবদন্তি মার্টিন ক্রো একবার উইলিয়ামসনের ব্যাটিং দেখে বলেছিলেন, আমরা সম্ভবত আমাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যানকে দেখতে পাচ্ছি। উইলিয়ামসন এখন পর্যন্ত ব্যাট হাতে যা যা ইতিহাস করেছেন, তাতে ক্রোয়ের কথাই সত্যি হিসেবে ধরা দিচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ (২০ বছরে) সেঞ্চুরিয়ান উইলিয়ামসন টেস্টে দেশের হয়ে দ্রুততম ৬ হাজার রান তোলার মালিক। দেশের হয়ে এক বর্ষপঞ্জিতে সর্বোচ্চ ১১৭২ রানের রেকর্ডও ২০১৫ সালে গড়েছিলেন তিনি। অনেকেই বলেন, উইলিয়ামসন অন্য দুই ফরম্যাটের মতো টি-টোয়েন্টিতে অতটা সাবলীল নন। তবে রেকর্ড বলছে ভিন্ন কথা। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এক আসরে সবচেয়ে বেশি রান তোলার রেকর্ড আছে তার। ২০১৪-১৫ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি খেলোয়াড়ের খেতাবও জিতেছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন

ব্যাট হাতে এখন হয়তো মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন উইলিয়ামসন, তবে ছেলেবেলায় কমবেশি অনেক খেলায় পারদর্শী ছিলেন তিনি। জমজ ভাই লোগান আর তিনি একই সঙ্গে রাগবি, হকি, বাস্কেটবল, ভলিবল, এমনকি ফুটবলেও নাম কামিয়েছেন অনেক। আর তা হবে নাই বা কেন! খেলাপ্রিয় পরিবার থেকে উঠে আসলে এমন তো হবেই। উইলিয়ামসনের বাবা অনূর্ধ্ব- ১৭ এবং ক্লাব ক্রিকেটে ছিলেন নিয়মিত। তার মা ছিলেন বাস্কেটবল খেলোয়াড়। এছাড়াও উইলির তিন বোন ভলিবল খেলোয়াড় হিসেবে বেশ প্রতিষ্ঠিত। ব্যক্তি জীবনে এক কন্যা সন্তানের জনক উইলিয়ামসন।

Coach Image

গ্যারি স্টিড

জন্ম: ৫ মার্চ, ১৯৭৫ বয়স: ৪৬  

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে গ্যারি স্টিডের পথচলা মাত্র ৯ মাসের। এ সময় পাঁচ টেস্ট খেলা এই টপ-অর্ডার ব্যাটসম্যান কখনো একক ডিজিটে আউট হননি। তবুও তার ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত হয়নি। পরে কোচিং পেশায় মন দেন এই ভদ্রলোক। স্টিডের কোচিং শুরুটা নিউজিল্যান্ড হাই পারফরম্যান্স সেন্টার থেকে।

এরপর ২০০৮ সালের জুলাইয়ে তাকে মহিলা দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়। সফলভাবে সেই দায়িত্ব পালন শেষে নিউজিল্যান্ড ঘরোয়া ক্লাব ক্যান্টারবুরির প্রধান কোচের ভূমিকায় নাম লেখান তিনি। এই অভিজ্ঞতা শেষ করে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদে আসীন হন তিনি। ২০১৮ সালের আগস্টে ব্ল্যাকক্যাপসের সফলতম কোচ মাইক হেসনের স্থলাভিষিক্ত হন স্টিড।

সাফল্য

খেলোয়াড়ি জীবনে আহামরি কোনো সাফল্য না পেলেও, কোচ হিসেবে যেখানেই গিয়েছেন সেখানেই স্টিড পেয়েছেন সফলতার ছোঁয়া। নিউজিল্যান্ডের নারী ক্রিকেট দলকে দুটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে তুলেছিলেন স্টিড। ২০০৮ সালে দায়িত্ব নেয়ার পরের বছরই ওয়ানডে বিশ্বকাপে ফাইনালে তিনি তুলেছিলেন দলকে। পরের বছর আবার টি-টোয়েন্টি  বিশ্বকাপের ফাইনালেও কিউই নারীদের তুলেছিলেন।

এরপর ক্যান্টাবুরির হয়ে তার সাফল্য তো আকাশ ছোঁয়া। ২০১৩ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত এই চার মৌসুমে দলটিকে চারটি ঘরোয়া শিরোপা এনে দেন স্টিড। তার এই সাফল্য দেখেই নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড তাকে প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

সেই দায়িত্ব পেয়ে এক বছরের মাথায় আরেকটি ফাইনাল। এবার ছেলেদের তুললেন ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে। তবে কপালটা মন্দ তার। আগের দুইবারের মতো এবারো দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারলেন না। তবে এ বছর স্টিডের সেই আক্ষেপ অনেকটা ঘুচেছে নিউজিল্যান্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জেতায়। কোনো আইসিসি ইভেন্টে এটাই নিউজিল্যান্ডের প্রথম শিরোপা।

সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্টিডের পথচলাটা অল্পদিনের হলেও, কোচিং অভিজ্ঞতার পাল্লা বেশ ভারী। তার পাওয়া সফলতাও বলছে, স্টিডের দল এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেকিছু ঘটাতে সক্ষম। কোচ হিসেবে নিউজিল্যান্ড নারী ও পুরুষ দলের হয়ে তিনটা ফাইনালে হার দেখেছেন স্টিড। এবার নিশ্চয়ই সেই দুঃসহ স্মৃতি থেকে শিক্ষা নিয়েই দলকে খেলাবেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন

ক্রিকেট খেলুড়ে পরিবার থেকে উঠে এসেছেন স্টিড। তার বাবা ডেভিড স্টিড ক্যান্টারবুরির হয়ে দীর্ঘ ১৮ বছর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন। এ ছাড়াও তার ফুফু জেনিস এলেন স্টিড নিউজিল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের হয়ে খেলেছেন ৯ টেস্ট।

নিউজিল্যান্ড স্কোয়াড

কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), টড অ্যাসল, ট্রেন্ট বোল্ট, মার্ক চ্যাপম্যান, ডেভন কনওয়ে, লকি ফার্গুসন, মার্টিন গাপটিল, কাইল জেমিসন, ড্যারিল মিচেল, জিমি নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, মিচেল স্যান্টনার, টিম সেইফার্ট (উইকেটরক্ষক), ইশ সোধি, টিম সাউদি।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

কেন উইলিয়ামসন

৬৭

১৮০৫

৩১.৬৬

১৩/০

৯৫

১২৫.০৮

ডেভন কনওয়ে

১৪

৪৭৩

৫৯.১২

৪/০

৯৯*

১৫১.১১

মার্টিন গাপটিল

১০২

২৯৩৯

৩২.২৯

১৭/২

১০৫

১৩৬.৮২

গ্লেন ফিলিপস

২৫

৫০৬

২৮.১১

২/১

১০৮

১৪৯.৭০

টিম সেইফার্ট

৩৫

৬৯৫

২৪.৮২

৫/০

৮৪*

১৩৩.১৪ 

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

টিম সাউদি

৮৩

৯৯

২৫.১৭

১/১

৫/১৮

৮.৩৯

টড অ্যাস্টল

১১.৭১

১/০

৪/১৩

৮.১৯

ট্রেন্ট বোল্ট

৩৪

৪৬

২৩.৩৪

১/০

৪/৩৪

৮.৫৩

লকি ফার্গুসন

১৩

২৪

১৩.১৬

০/১

৫/২১

৬.৮৬

কাইল জেমিসন

৭০.২৫

০/০

২/১৫

৯.৮০ 

ইশ সোধি

৫৭

৭৩

২১.৭২

২/০

৪/২৮

৮.০৭ 

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

মার্ক চ্যাপম্যান

৩০

৫৩৫

২২.২৯

১/০

৬৩*

১১৭.৩২

২৩.৭৫

০/০

১/৯

৭.৩০

ড্যারিল মিচেল

১৫

১৪৮

১৬.৪৪

০/০

৩৪*

১৩৭.০৩

২২.০০

০/০

২/২৭

৯.৮৫

জিমি নিশাম

২৯

৩২৪

২১.৬০

০/০

৪৮*

১৫৭.২৮

১৮

২৭.৩৮

০/০

৩/১৬

৯.৪৫

মিচেল স্যান্টনার

৫২

৩৩৫

১৫.২২

০/০

৩৭

১২৬.৮৯

৬০

২১.৪৫

২/০

৪/১১

৭.৩৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড: পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ছয়বার 
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই             
  • রানার্সআপ : নেই
  • সেমিফাইনাল: দুইবার (২০০৭, ২০১৬)
  • দ্বিতীয় পর্ব : চারবার (২০০৯, ২০১০, ২০১২, ২০১৪)
  • প্রথম পর্ব: নেই

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন),

সংক্ষেপে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৭-২০১৬

৩০

১৫

১৩

১৯৮

৬০

বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১৯৮

জয়

আয়ারল্যান্ড

নটিংহাম

২০০৯

১৯১

জয়

বাংলাদেশ

পাল্লেকেলে

২০১২

১৯০

১০

জয়

ভারত

জোহানেসবার্গ

২০১৭

১৮০

জয়

পাকিস্তান

মোহালি

২০১৬

১৭৪

টাই

শ্রীলঙ্কা

পাল্লেকেলে

২০১২

১৭০

হার

দক্ষিণ আফ্রিকা

চট্টগ্রাম

২০১৪

১৬৪

হার

শ্রীলঙ্কা

জোহানেসবার্গ

২০০৭

১৬৪

জয়

ইংল্যান্ড

ডারবান

২০০৭

১৬৪

হার

পাকিস্তান

পাল্লেকেলে

২০১২

১৫৭

হার

দক্ষিণ আফ্রিকা

ব্রিজটাউন

২০১০

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

ব্রেন্ডন ম্যাককালাম     

২৫

৬৩৭

১২৩

২৮.৯৫

রস টেলর

২৮  

৫৬২

৬২*

২৮.১০

মার্টিন গাপটিল

২১

৪০৯

৮০

২২.৭২

কেন উইলিয়ামসন

১৩

৩০৫

৫১

২৭.৭২

স্কট স্টাইরিস

১৬

২৩৩

৪২

১৯.৭১

জেকব ওরাম 

১৮

১৮৯

৩৫

১৩.৫০

ক্রেইগ ম্যাকমিলান

১৬৩

৫৭

৪০.৭৫

জেমস ফ্রাইলিংক

8  

১৩৪

৫০

২৬.৮০

ড্যানিয়েল ভেট্টোরি

১৭

১৩৪

৩৮

১৪.৮৮

কলিন মুনরো

১২৫

৪৬

২০.৮৩

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের সেরা ১০ বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

নাথান ম্যাককালাম  

২২

৬৭.১

0

৩৯৯

২৩

৩/১৫

১৭.৩৪

ড্যানিয়েল ভেট্টোরি

১৭

৬৭.১

৩৯২

২০

৪/২০

১৯.৬০

কাইল মিলস

১৫

৫২.৫

৪২৬

১৬

৩/৩৩

২৬.৬২

টিম সাউদি

১০

৩৫.০

৩১৪

১৪

৩/১৬

২২.৪২

শেন বন্ড

১১

৪৩.০

৩২৫

১২

২/১২

২৭.০৮

মিচেল স্যান্টনার

১৮.১

১১৪

১০

৪/১১

১১.৪০

ইশ সোধি

১৯.৪

১২০

১০

৩/১৮

১২.০০

স্কট স্টাইরিস

১৬

২৬.০

১৭০

১০  

৩/৫

১৭.০০

ইয়ান বাটলার

১৮.০

১২৭

৩/১৯

১৪.১১

মিচেল ম্যাকলেনঘান

২৭.০

১৯২

৩/১৭

২৪.০০

সময়সূচি

২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৩৪/৮

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৩৫/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৪ (পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী)

৩১ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১১১/২

ভারত ভারত ১১০/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৪.৩ (নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী)

০৩ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৭২/৫

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১৫৬/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (নিউজিল্যান্ড ১৬ রানে জয়ী)

০৫ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৬৩/৪

নামিবিয়া নামিবিয়া ১১১/৭

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০.০ (নিউজিল্যান্ড ৫২ রানে জয়ী)

০৭ নভেম্বর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১২৪/৮

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১২৪/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.১ (নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী)

১০ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৬৭/৫

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৬৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী)

১৪ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৩/২

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৭২/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৫ (অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জয়ী)

২২ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১১১/১০ (১৭.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ২০০/৩ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: নিউজিল্যান্ড ৮৯ রানে জয়ী

২৬ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ০/০

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ০/০ (০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: বৃষ্টির কারণে খেলা পরিত্যক্ত

২৯ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

শ্রীলংকা শ্রীলংকা ১০২/১০ (১৯.২)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৬৭/৭ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: নিউজিল্যান্ড ৬৫ রানে জয়ী।

০১ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৫৯/৬ (২০.০)

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৭৯/৫ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ইংল্যান্ড ২০ রানে জয়ী

০৪ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

অ্যাডিলেড ওভাল

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৮৫/৬ (২০.০)

আয়ারল্যান্ড আয়ারল্যান্ড ১৫০/৯ (২০.০)

ফল: নিউজিল্যান্ড ৩৫ রানে জয়ী

০৯ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫৩/৩ (১৯.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৫২/৪ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী