ওমান

Team Image

ওমান : হঠাৎ আয়োজকের মর্যাদা এবং সুপার টুয়েলভে খেলার উচ্চাশা

২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অধিভূক্ত দলের মর্যাদা পায় ওমান। এরপর ২০১৪ সালে মর্যাদা লাভ করে সহযোগী সদস্যের। ২০১৯ সালে প্রথম ওয়ানডে খেলার মর্যাদা লাভ করে। যা বলবৎ থাকবে ২০২২ সাল পর্যন্ত।

প্রথম প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্ট খেলে তারা ২০০২ সালে এসিসি ট্রফিতে। ২০০৪ সালে এসিসি ট্রফিতে হয় রানারআপ। এরপর এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল আয়োজিত এসিসি টি-টোয়েন্টি কাপে চ্যাম্পিয়ন হয় দুবার। ২০০৫ আইসিসি ট্রফিতে পঞ্চম হওয়ার কারণে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে সরাসরি খেলার সুযোগ পায় ওমান। ২০০৯ বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে ৯ম স্থান অর্জন করে।

২০১৫ সালে বাছাই পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে জয়লাভ করায় ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারেরমত খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ওমান। তার আগেই অবশ্য তারা টি-টোয়েন্টির মর্যাদা লাভ করে। ২০১৮ সালে এসে আইসিসির এক সিদ্ধান্তে টি-টোয়েন্টিতে স্থায়ী মর্যাদা লাভ করে মরু দেশটি।

বিশ্বকাপে খেললেও ওমানের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই হয় ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানি। স্থানীয় ক্রিকেটার একেবারে নাই বললেই চলে। ২০১০ সালের এক হিসেবে দেখা গেছে, দেশটিতে জাতীয় লিগ খেলা ৭৮০ জন ক্রিকেটারের মধে মাত্র ১০০ জনই হচ্ছে স্থানীয়। অর্থ্যাৎ মাত্র ১৩ ভাগ আরব ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত। যে কারণে ক্লাব এবং জাতীয় পর্যায়ে স্থানীয় আরবদের জন্য কোটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। দেশটিতে যেন ক্রিকেটের প্রচলন ঘটে, সে লক্ষ্যে।

তবে পারফরম্যান্সের উন্নতি ঘটানোর দিক থেকে ওমান খুবই ধারাবাহিক একটি দল। যে দলটি ২০১৬ সালে তানজানিয়া, নাইজেরিয়ার মত দেশগুলোর সঙ্গে আইসিসি ডিভিশন-৫ এ খেলায় অংশ নিতো, অথচ, তারাই কি না সহযোগী সদস্য হয়েছিল ২০১৪ সালে। এরপর মাত্র ৪ বছরেই ওমান এখন ওয়ানডেতে একটি প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেট শক্তি। আর টি-টোয়েন্টিতে তারা এ নিয়ে দ্বিতীয়বার অংশগ্রহণ করছে।

মাসকাটে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম ছিল না ওমানের। তবুও নিজেদের ক্রিকেট চালিয়ে নেয়ার জন্য আল আমেরাত ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হয় ২০১২ সালে। মাত্র তিন হাজার মানুষ বসতে পারে এই স্টেডিয়ামে।

২০০৮ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয় ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড নামে এই স্টেডিয়ামের। ২০১২ সালে যাত্রা শুরু হয় স্টেডিয়ামটির। আর নির্মাণের এক দশক যেতে না যেতেই বিশ্বকাপের আয়োজক ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড। করোনার কারণে ভারতে বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব নয়। এ কারণে ওমান এবং আরব আমিরাতকেই বেছে নেয়া হয়েছে আয়োজক হিসেবে।

২০১৬ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ওমান। প্রথম আসরে প্রথম পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচেই তারা ২ উইকেটে হারিয়ে দেয় আইরিশদের। অভিষেকেই এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স খোদ ওমানই অবাক। যদিও পরের দুই ম্যাচে নেদারল্যান্ডস এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সুবিধা করতে পারেনি তারা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তারা ম্যাচটি খেলতেই পারেনি। যার ফলে বিদায় নিতে হয় প্রথম রাউন্ড থেকই।

ওমান তাদের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছে অভিজ্ঞদের নিয়ে। দীর্ঘ ৪-৫ বছর ধারাবাহিকভাবে খেলে আসছে। অধিনায়ক জিসান মাকসুদ ঘরের মাঠের বিশ্বকাপে ওমানের মূল ভরসা। তার নেতৃতে ঘরের মাঠ আল আমেরাতে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের দল মুম্বাইয়ের সঙ্গে কিছুদিন আগেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে একটি সিরিজ খেলেছে ওমান।

অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার খাওয়ার আলিসহ বাঁ-হাতি স্পিনার আমির কালিমের উপর নিজেদের স্পিন বোলিংয়ের গুরু দায়িত্ব দিয়েছে ওমান। ব্যাটিংয়ের দায়িত্ব থাকবে অধিনায়ক জিসান মাকসুদের পাশাপাশি ওপেনিং ব্যাটসম্যান জিতেন্দার সিংয়ের কাঁধে। কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি দিলিপ মেন্ডিস।

Captain Image

জিশান মাকসুদ

জন্ম: ২৪ অক্টোবর, ১৯৮৭; বয়স: ৩৩

ব্যাকগ্রাউন্ড

জন্ম নিয়েছিলেন পাকিস্তানের পাঞ্জাবে। তবে জিশান মাকসুদ ওমানের হয়ে পা রাখেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ২০১৪ সালে ওমানের হয়ে আইসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ফোরে খেলেন তিনি। পরের বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। ওয়ানডে অভিষেক হয় তার চার বছর পর। ২০১৯ সালের এপ্রিলে, নামিবিয়ার বিপক্ষে।

অধিনায়কত্ব

মাকসুদ ওমানকে প্রথম নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পান ২০১৮ সালে। এশিয়া কাপ বাছাইপর্বে। এরপর থেকেই দলের নেতৃত্বভার আছে তার কাঁধেই।

যত সাফল্য

মাকসুদের নেতৃত্বেই আইসিসির ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ওমান। তার সময়ে ওমান তাদের প্রথম ছয় টি-টোয়েন্টির মধ্যে জেতে সবকটি ম্যাচেই। এখন পর্যন্ত এই ফরম্যাটে মাকসুদের অধিনায়কত্বে ওমান জিতেছে ১০ ম্যাচ, হেরেছে পাঁচটিতে। এদিকে, ওয়ানডে ফরম্যাটে মাত্র ৪ হারের বিপরীতে ওমানের জয় আছে ১১ ম্যাচে।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

আকিব ইলিয়াসের পর ওমানের হয়ে দ্বিতীয় সেঞ্চুরিয়ান জিশান মাকসুদ। আকিব সেঞ্চুরি হাঁকানোর দুদিন পরেই শতরানের দেখা পান ওমান অধিনায়ক।

Coach Image

দিলিপ মেন্ডিস

জন্ম: ২৫ আগস্ট, ১৯৫২ বয়স: ৬৯

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ কোচ ওমানের দিলিপ মেন্ডিস। ফুটবলে যেন ওমানের সমস্ত মনোযোগ। তবে ২০১১ সালে ক্রিকেটে উন্নতি এবং দেশটিতে ভদ্রলোকের এই খেলা আরও জনপ্রিয় করার আশায় কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় লঙ্কান কিংবদন্তি ক্রিকেটার দিলিপ মেন্ডিসকে। সে থেকে টানা ১০ বছর ওমানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

দীর্ঘ ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে ক্রিকেটের সঙ্গেই বিভিন্ন সময় যুক্ত ছিলেন দিলিপ। তবে কোচিং পেশা নিয়ে খুব একটা কখনো ভাবেননি হয়তো। নয়তো ৬৯ বছর বয়সে মাত্র দুটি জাতীয় দলকে কি আর কোচিং করান? ওমানের কোচ হওয়ার আগে ১৯৯১-৯২ সালে শ্রীলঙ্কার কোচ ছিলেন তিনি।

সাফল্য

এ যুগের অনেকেই হয়তো দিলিপ মেন্ডিসকে চিনবে না। তবে জয়াসুরিয়া, সাঙ্গাকারা, জয়াবর্ধনেদের আগে কম জনপ্রিয় ছিলেন না এই দিলিপ। অর্জুনা রানাতুঙ্গাদের আগের সময়ে তিনি ছিলেন লঙ্কার স্টার ক্রিকেটার।

শ্রীলঙ্কার প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়ের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। এর আগে, দলটির টেস্ট স্ট্যাটাস এনে দিতে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। খেলোয়াড়ি জীবনে এত সফল দিলিপ শ্রীলঙ্কার ম্যানেজার হিসেবে পেয়েছিলেন বিশ্বকাপের ছোঁয়া। লঙ্কানদের ১৯৯৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের ম্যানেজার ছিলেন তিনি।

এরপর ২০১১ সালে ওমান দলের কোচ হয়েও অনেক সাফল্য পেয়েছেন তিনি। ওমান প্রথমবার কোনো বৈশ্বিক আসরে (টি-টোয়েন্টি) সুযোগ করে নেয় তার অধীনেই। এবার তো তার অধীনে দলটি খেলবে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। এছাড়াও এই বর্ষীয়ান কোচের হাত ধরেই ২০১৯ সালে তিন বছরের জন্য ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ওমান।

সম্ভাবনা

গেল বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়ে প্রথম ম্যাচেই আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ওমান। তবে শেষ পর্যন্ত প্রথম পর্ব থেকেই বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয় দলটির। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব ঘরের মাঠেই খেলবে দলটি। চার দলের গ্রুপ থেকে দুটি দল উঠবে সুপার টুয়েলভে। যেহেতু বাংলাদেশ বাদে গ্রুপের বাকি দুই প্রতিপক্ষ পাপুয়া নিউ গিনি এবং স্কটল্যান্ড তাদের সমশক্তির। ঘরের মাঠে সুবিধা এবং দিলিপ মেন্ডিসের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ওমান তাই সুপার টুয়েলভে উঠে গেলে চমকে যাওয়ার মতো কিছুই থাকবে না।

ওমান স্কোয়াড

জিশান মাকসুদ (অধিনায়ক), আকিব ইলিয়াস, জতিন্দর সিং, খাওয়ার আলি, মোহাম্মদ নাদিম, আয়ান খান, সুরাজ কুমার, সন্দিপ গোউদ, নেস্টার ধাম্বা, কলিমুল্লাহ, বিলাল খান, নাসিম খুশি, সুফিয়ান মেহমুদ, ফাইয়াজ বাট ও খুররাম খান।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

আকিব ইলিয়াস

২২

৪০৮

২২.৬৬

২/০

৬০

১১৪.৬০

জতিন্দর সিং

২৮

৬৯৭

২৭.৮৮

৩/০

৬৮*

১১৪.০৭

সুরাজ কুমার

১৬

১০৫

১৩.১২

০/০

৪২*

১১১.৭০

নাসিম খুশি

১৩

১১৯

১৭.০০

০/০

২৯

১৪৫.১২

খুররাম খান

৭৩

২৪.৩৩

০/০

৩১

১০০.০০

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

কলিমুল্লাহ

৫৬.৬৬

০/০

২/২৩

৭.৩৯

বিলাল খান

৩৫

৫১

১৬.২৫

৩/০

৪/১৯

৬.৭৮

নেস্টার ধাম্বা

-

-

-

-

-

-

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

৪/৫

সেরা

ইক. রেট

জিশান মাকসুদ

৩১

৫৪৭

২৪.৪৬

২/০

৫৬

১১১.৬৩

১৮

২৪.৮৩

১/০

৪/৭

৬.৭৭

খাওয়ার আলি

৩২

৬০১

২০.৭২

২/০

৭২*

৯৯.৬৬

৩৫

১৬.৮৫

২/০

৪/১৬

৬.৪৮

মোহাম্মদ নাদিম

২৫

৯৭

৮.৮১

০/০

২৯

৮৭.৩৮

২৪

২১.৬৬

১/০

৪/২৩

৬.৭৫

সন্দিপ গোউদ

১৫

৮৯

১৭.৮০

০/০

৩১*

৯৮.৮৮

২৪.০০

০/০

২/৩৬

৮.০০

সুফিয়ান মেহমুদ

১৯

১৯.০০

০/০

১৩

৪৬.৩৪

২৯.৫০

০/০

১/২০

২৫.৫০

ফায়াজ বাট

১৪

৫৭

২৮.৫০

০/০

২৫

১১৮.৭৫

১০

৩১.৩০

০/০

৩/১৬

৭.১৯ 

অয়ন খান

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওমান : পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : একবার   
  • চ্যাম্পিয়ন : নেই              
  • রানার্সআপ : নেই  
  • সেমিফাইনাল: নেই
  • দ্বিতীয় পর্ব : নেই
  • প্রথম পর্ব: একবার (২০১৬)

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন),

সংক্ষেপে ওমানের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০১৬

১৫৭

৬৫

বিশ্বকাপে ওমানের সেরা স্কোর

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

১৫৭

 ৮

জয়

আয়ারল্যান্ড

ধর্মশালা

২০১৬

বিশ্বকাপে ওমানের সেরা ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

জতিন্দর সিং      

৪৯

২৫

২৪.৫০

খাওয়ার আলি

৪২

৩৪

২১.০০

জিশান মাকসুদ

৩৮

3৮

১৯.০০

আমির আলি

৩৬

৩২

১৮.০০

আদনান ইলিয়াস

১৭

১৩

৮.৫০

বিশ্বকাপে ওমানের সেরা বোলার   

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

মুনিস আনসারি   

৮৭

৩/৩৭

২৯.০০

খাওয়ার আলি

৬.০

৪৪

১/২০

২২.০০

 

সময়সূচি

১৭ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

পাপুয়া নিউগিনি পাপুয়া নিউগিনি ১২৯/৯

ওমান ওমান ১৩১/০

ম্যাচ রিপোর্ট

১৩.৪ ওভার, (১০ উইকেটের ব্যবধানে জয়ী ওমান, ৩৮ বল হাতে রেখে)।

১৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৫৩/১০

ওমান ওমান ১২৭/৯

ম্যাচ রিপোর্ট

বাংলাদেশ ২৬ রানে জয়ী।

২১ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

ওমান ওমান ১২২/১০

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১২৩/২

ম্যাচ রিপোর্ট

স্কটল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী