পাকিস্তান

Team Image

পাকিস্তান : আনপ্রেডিক্টেবল চরিত্রই ভরসা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সৌন্দয্য যদি বাড়িয়ে থাকে ক্যারিবীয় ক্রিকেটাররা, তাহলে এর আলাদা মাহাত্ম্য তৈরি করেছে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর প্রথম দুই আসরেই পাকিস্তান সেই মাহাত্ম্য সৃষ্টির আসল কাজটা করেছিল। প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনালে তো বহু আকাঙ্খিত ভারত-পাকিস্তান লড়াই হয়ে গেলো। ফুটবলে যেমন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখার জন্য উদগ্রীব থাকে ভক্তরা, তেমনি ক্রিকেটে উদগ্রীব থাকে ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান লড়াই দেখার আশায়।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেটা একবারই সম্ভব হয়েছিল, ২০০৭ সালে। প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই। পাকিস্তানকে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় হারিয়ে ট্রফি জিতে ক্রিকেট বিশ্বে নিজের আগমণ ধ্বনি প্রকাশ করেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার আগে একই বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল তারা। সেখানে দু’দলেরই ইনিংস হয়ে যায় সমান। শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারের সুপার বোলিংয়ে পাকিস্তানকে হারায় ভারত।

কিন্তু পরের বিশ্বকাপেই ইউনিস খানের নেতৃত্বে, শহিদ আফ্রিদির অসাধারণ পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে ট্রফি নিজেদের হাতে তুলে নেয় পাকিস্তানিরা। প্রথমবার বিশ্বকাপ হারানোর ক্ষত ভুলে যায় দুই বছর পরই। যদিও এবার প্রতিপক্ষ ভারত নয়, ছিল শ্রীলঙ্কা। লংকানদের করা ১৩৮ রানের ইনিংস মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তানিরা।

শহিদ আফ্রিদি একাই হারিয়ে দেন লঙ্কানদের। বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। ব্যাট হাতে ১৩৯ রানের লক্ষ্যে যখন ৬২ রানে ২ উইকেট পড়ে যায়, আফ্রিদি তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৪০ বলে খেলেন অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস। ২টি করে বাউন্ডারি আর ছক্কার মার মারেন তিনি।

এরপর আর কোনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অবশ্য খুব বেশিদুর এগুতে পারেনি পাকিস্তানিরা। পরের দু’বার, ২০১০ এবং ২০১২ সালে খেলেছিল সেমিফাইনাল। ২০১৪ এবং ২০১৬ সালে বিদায় নিয়েছে সুপার টেন থেকেই। এবার কী করবে তারা?

একটা সময় ছিল যখন নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচও অলৌকিকভাবে জিতে যেত পাকিস্তান। এ কারণেই হয়তো ওদের ডাকা হতো ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ পাকিস্তান; কিন্তু গত এক দশকে রীতিটা উল্টে গেছে। এখন হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচও হেরে যায় পাকিস্তান। আর ব্যাকফুটে থাকাগুলো তো হারেই। ম্যাচ ফিক্সিং, অধিনায়কত্ব সংকট, অন্তর্কোন্দল- সব মিলিয়ে যা-তা অবস্থা পাকিস্তান দলের।

তবে আগের সেই সমস্যাগুলো যেন পাকিস্তান দলে এখন অনেকটাই কমে গেছে। বিশেষ করে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির পর পাকিস্তান দলটিতে একটা স্থিতি চলে এসেছে। দীর্ঘদিন দলের নেতৃত্বে ছিলেন মিসবাহ-উল হক। ২০১৫ বিশ্বকাপ খেলে মিসবাহ এবং অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ইউনিস খান বিদায় নেয়ার পর পাকিস্তান দলে চলেছে সরফরাজ যুগ। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর সেই দায়িত্ব বর্তেছে বাবর আজমের কাঁধে।

সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে পাকিস্তান। ব্যাটসম্যান ফাখর জামান, পেসার হাসান আলিদের হাত ধরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তানিরা।

২০১৯ বিশ্বকাপে সরফরাজের অধীনে সুপার এইটও নিশ্চিত করতে পারেনি সরফরাজ আহমেদের দল। বরং, তার নেতৃত্ব হয়েছিল তুমুল সমালোচনার শিকার। এরপরই তরুণ ব্যাটসম্যান বাবর আজমকে বেচে নেয়া হয় নেতৃত্বের জন্য।

বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। জয়-পরাজয়ের অনুপাত প্রায়ই সমান। কখনো পরাজয়, কখনো জয়- এভাবেই চলছে দলটির এগিয়ে যাওয়ার পালা। যদিও ইংল্যান্ড সফরে পুরোপুরি নাস্তানাবুদ হয়ে এসেছে তারা। এরপর অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে ৪ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ তারা জিতে এসেছে ১-০ ব্যবধানে। মূলতঃ বৃষ্টির কারণে সিরিজটিই অনুষ্ঠিত হতে পারেনি ঠিকমত।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে তারা বরাবরই থাকে উপরের দিকে। এবার রয়েছে তিন নম্বর পজিশনে। এছাড়া দলটিতে সমাবেশ ঘটেছে অভিজ্ঞ ও তরুণের দারুণ সমন্বয়। আসিফ আলি, হারিস রউফ, হাসান আলি, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ হাফিজ, শাদাব খান, মোহাম্মদ হাসনাইন। তারকার অভাব নেই। বিশ্বকাপে নিজেদের ফেবারিট ভাবতেই পারে তারা।

যদিও পাকিস্তান দলটি এখন সঠিক একজন অভিভাবক শূণ্যতায় ভূগছে। মাত্র মাসখানেক আগে হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেছেন প্রধান কোচ মিসবাহ-উল হক এবং বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুস। এসব ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক এবং ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা।

এরই মধ্যে খবর হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথ্যু হেইডেনকে প্রধান কোচ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ভারনন ফিল্যান্ডারকে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে তারা। কিন্তু বিশ্বকাপে এই দুই বিদেশি কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না সন্দেহ। সে ক্ষেত্রে সাবেক অফ স্পিনার সাকলায়েন মোস্তাককেই দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।

সব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা পাকিস্তান ৩৪ ম্যাচে ১৯টিতে জয় সঙ্গী করে ২০২১ সালের মিশন শুরু করবে। এর বিপরীতে আছে ১৪টি হার এবং একটি ম্যাচ টাই। ১৯৯২ সালে কিংবদন্তি ইমরান খানের (বর্তমান প্রধানমন্ত্রী) নেতৃত্বে পাকিস্তান একবারই বিশ্বকাপ (ওয়ানডে) জিতেছিল।

১৯৯২ বিশ্বকাপ জেতার পর ১৯৯৯ আসরেও ফাইনালে উঠেছিল পাকিস্তান। ‘টু ডব্লিউ’ জুটি ওয়াসিম আকরাম আর ওয়াকার ইউনুসের সঙ্গে ব্যাটিংয়ের প্রাণ ইনজামাম-উল-হক ছিলেন তখনকার দলে। দুর্দান্ত এক দল নিয়েও ফাইনালে পুরোপুরি ভেঙে পড়ে তারা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র ১৩২ রানে অল আউট হয়ে ফাইনালের মজাটাই নষ্ট করে দেয়।

পরের দুই বিশ্বকাপে পাকিস্তান ২বার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১১ সালে খেলে সেমিফাইনালে। ২০১৫ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ২০১৯ সালে বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকে।

Captain Image

বাবর আজম

জন্ম: ১৫ অক্টোবর, ১৯৯৪ ; বয়স: ২৬

ব্যাকগ্রাউন্ড

বেশি না, মাত্র ছয় বছর আগে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখেন বাবর আজম। এরপর থেকেই ক্রিকেট বিশ্বকে ব্যাট হাতে মুগ্ধ করে চলেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রানবন্যা ছুটিয়ে ২০১৫ সালে জাতীয় দল থেকে ডাক পান বাবর। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হয়ে যায় তার ওয়ানডে অভিষেক। পরের বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও পাক দলের হয়ে অভিষেক হয় তার। পাকিস্তানের যুব দলের হয়েও নিয়মিত ছিলেন ডানহাতি এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান। ২০১৭ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি।

অধিনায়কত্ব

ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বাবর আজমের মতো এত ধারাবাহিক ব্যাটসম্যান খুব কমই দেখেছে বিশ্ব। ফলে একটা সময় তাকে তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ২০১৯ সালে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়েই অধিনায়ক বাবরের পথচলা শুরু হয়। এরপর একে একে টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটের নেতৃত্বও এসে পড়ে তার কাঁধে। অধিনায়ক হিসেবে বেশ সফলও এই তারকা ব্যাটসম্যান। তার নেতৃত্বে পাকিস্তান ২৮ টি-টোয়েন্টির মধ্যে জিতেছে ১৫ ম্যাচে। ছয় টেস্ট খেলে জিতেছে পাঁচ ম্যাচেই। এই সময়ে ব্যাটসম্যান হিসেবেও দুর্দান্ত ছিলেন বাবর।

যত সাফল্য

খুব বেশিদিন হয়নি পাকিস্তান দলের অধিনায়কত্ব পেয়েছেন বাবর। এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আইসিসির কোনো ইভেন্টে দেশকে নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তিনি। বড় টুর্নামেন্টে প্রথম হলেও, বাবরের অধিনায়কত্বে পাকিস্তান ঘরের মাঠে ও বাইরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজ হারিয়েছিল।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ১৯টি সেঞ্চুরির মালিক বাবর ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দেশের পক্ষে টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। ওয়ানডে ফরম্যাটে তার রেকর্ড আরো ঈর্ষণীয়। ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৯- এই তিন বছর দেশের পক্ষে এই ফরম্যাটে সবচেয়ে বেশি রান আসে তার ব্যাট থেকেই। ২০১৯ সালে এক বিশ্বকাপের দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭৪ রানের রেকর্ড গড়েন বাবর।
এশিয়ান ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্রুততম তিন হাজার রানের মাইলফলক পাড়ি দেয়া ব্যাটসম্যান বাবর। ওয়ানডেতে ২৫ ইনিংস পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১৩০৬ রানের মালিকও এই তারকা। এ ছাড়াও একটি নির্দিষ্ট দেশে টানা পাঁচ সেঞ্চুরির মালিক বর্তমান পাক অধিনায়ক।

ব্যক্তিগত জীবন

পাকিস্তানের পাঞ্জাবি পরিবারের জন্ম নেয়া বাবর আজম শুরুতে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বল বয় ছিলেন। এরপর দুই ভাই- কামরান আকমল এবং উমর আকমলদের দেখাদেখি ক্রিকেট খেলা শুরু করেন তিনি।

Coach Image

সাকলাযেন মোস্তাক

সাকলাযেন মোস্তাক (অন্তর্বর্তীকালীন)

পাকিস্তান স্কোয়াড

বাবর আজম, শাদাব খান, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আসিফ আলি, শোয়েব মাকসুদ, আজম খান, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ নওয়াজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, শাহিন আফ্রিদি, হারিস রউফ, হাসান আলি, ইমাদ ওয়াসিম ও মোহাম্মদ হাসনাইন।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

বাবর আজম

৬১

২২০৪

৪৬.৮৯

২০/১

১২২

১৩০.৬৪

আসিফ আলি

২৯

৩৪৪

১৬.৩৮

০/০

৪১*

১২৩.৭৪

আজম খান

৬.০০

০/০

৫*

৮৫.৭১

শোয়েব মাকসুদ

২৬

২৭৩

১৩.৬৫

০/০

৩৭

১১৬.৬৬

খুশদিল শাহ

১৩০

২১.৬৬

০/০

৩৬*

১০৯.২৪

মোহাম্মদ রিজওয়ান

৪৩

১০৬৫

৪৮.৪০

৮/১

১০৪*

১২৯.০৯

 বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

হারিস রউফ

২৩

২৮

২৫.০৭

০/০

৩/২৯

৮.৯৪

হাসান আলি

৪১

৫২

২১.৭৩

১/০

৪/১৮

৮.২৯ 

মোহাম্মদ হাসনাইন

১৭

১৭

২৮.৮২

০/০ 

৩/৩৭

৭.৬২

শাহিন শাহ আফ্রিদি

৩০

৫৩

২৭.৫০

০/০

৩/২০

৮.১৭

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

মোহাম্মদ হাফিজ

১১৩

২৪২৯

২৬.৪০

১৪/০

৯৯*

১২০.৯৬ 

৬০

২২.২৬

১/০

৪/১০

৬.৫৪

শাদাব খান

৫৩

২২৬

১৫.০৬

০/০

৪২

১২৬.৯৬

৫৮

২৩.০৩

১/০

৪/১৪

৭.৪০

ইমাদ ওয়াসিম

৫২

৩২৮

১৩.১২

০/০

৪৭

১৪৬.৪২

৫১

২৩.০৯

১/১

৫/১৪

৬.৪০ 

মোহাম্মদ নওয়াজ

২৪

৭০

১১.৬৬

০/০

২৫*

১০০.০০

২০

৩২.০৪

০/০

২/১১

৭.০৬

মোহাম্মদ ওয়াসিম

১.০০

০/০

১*

৩৩.৩৩

৩৪.৫০

০/০

১/২০

১০.৮৯

 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান: পরিসংখ্যান

  • বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ : ছয়বার  
  • চ্যাম্পিয়ন : একবার (২০০৯)    
  • রানার্সআপ : একবার (২০০৭)  
  • সেমিফাইনাল: দুইবার (২০১০, ২০১২)
  • দ্বিতীয় পর্ব : দুইবার (২০১৬, ২০১৬)
  • প্রথম পর্ব: নেই

(প্রথম পর্ব: গ্রুপ পর্ব), (দ্বিতীয় পর্ব: সুপার এইট, সুপার টেন)

সংক্ষেপে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ

সময়কাল

ম্যাচ

জয়

হার

টাই

ফল হয়নি

সর্বোচ্চ রান

সর্বনিম্ন রান

২০০৭-২০১৬

৩৪

১৯

১৪

 ১

২০১

৮২

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০টি ইনিংস

রান

উইকেট

ফল

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

২০১

জয়

বাংলাদেস

কলকাতা

২০১৬

১৯১

হার

অস্ট্রেলিয়া

গ্রস আইলেট

২০১০

১৯১

জয়

অস্ট্রেলিয়া

ঢাকা

২০১৪

১৯০

জয়

বাংলাদেশ

ঢাকা

২০১৪

১৮৯

জয়

শ্রীলঙ্কা

জোহানেসবার্গ

২০০৭

১৭৮

জয়

বাংলাদেশ

পাল্লেকেলে

২০১২

১৭৭

জয়

নিউজিল্যান্ড

পাল্লেকেলে

২০১৪

১৭৫

জয়

নেদারল্যান্ডস

লর্ডস

২০০৯

১৭২

জয়

বাংলাদেশ

গ্রস আইলেট

২০১০

১৭২

হার

অস্ট্রেলিয়া

মোহালি

২০১৬

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০ ব্যাটসম্যান

খেলোয়াড়

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

১০০

৫০

শোয়েব মালিক  

২৮

৫৪৬

৫৭

৩২.১১

শহিদ আফ্রিদি

৩৪

৫৪৬

৫৪*

১৮.৮২

কামরান আকমল

৩০

৫২৪

৭৩

2০.৯৬

উমর আকমল

২০

৪৮৬

৯৪

৩৪.৭১

মোহাম্মদ হাফিজ

২২

৪২৬

৬৪

২০.২৮

মিসবাহ-উল-হক

২০

৩৬৮

৬৬*

৩০.৬৬

সালমান বাট

১৪

৩৪৩

৭৩

২৬.৩৮

ইমরান নাজির

১৩

৩০০

৭২

২৫.০০

ইউনিস খান

১৪

২৯৯

৫১

২.৯.৯০

আহমেদ শেহজাদ

২৫০

১১১*

৩১.২৫

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সেরা ১০ বোলার

খেলোয়াড়

ম্যাচ

ওভার

মেডেন

রান

উইকেট

সেরা

গড়

শহিদ আফ্রিদি  

৩৪

 ১৩৫.০

৯০৭

৩৯

৪/১১

২৩.২৫

 ০

সাইদ আজমল

২৩

৮৯.২

৬০৭

৩৬

৪/১৯

১৬.৮৬

উমর গুল

২৪

৮২.৪

৬০৪

৩৫

৫/৬

১৮৭.২৫

মোহাম্মদ আমির  

১৭

৬২.০

৪৪৫

১৭

৩/২৩

২৬.১৭

মোহাম্মদ হাফিজ

২৪

৬১.০

৪৫৬

১৩

২/২২

৩৫.০৭

মোহাম্মদ সামি

২১.০

২০১

১০

৩/২৯

২০..১০

মোহাম্মদ আফিস

৩০.৫

২৫৫

১০

৪/১৮

২৫.৫০

সোহেল তানভির

১৩

৪৪.০

৩২৫

৩/৩১

৩৬.১১

আব্দুল রাজ্জাক

১১

২২.৩

১৫৭

 ৩/২০

২২.৪২

আব্দুর রেহমান

১১.০

৮৭

২/১৯

১৪.৫০

 

সময়সূচি

২৪ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

ভারত ভারত ১৫১/৭

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫২/০

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৭.৫ (পাকিস্তান ১০ উইকেটে জয়ী)

২৬ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৩৪/৮

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৩৫/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৮.৪ (পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী)

২৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

আফগানিস্তান আফগানিস্তান ১৪৭/৬

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৪৮/৫

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (পাকিস্তান ৫ উইকেটে জয়ী)

০২ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

আবুধাবি শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

নামিবিয়া নামিবিয়া ১৪৪/৫

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৮৯/২

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (পাকিস্তান ৪৫ রানে জয়ী)

০৭ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১১৭/৬

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৮৯/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ২০ (পাকিস্তান ৭২ রানে জয়ী)

১১ নভেম্বর, ২০২১, ০৮:০০ পিএম

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম

অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়া ১৭৭/৫

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৭৬/৪

ম্যাচ রিপোর্ট

ওভার: ১৯ (অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটে জয়ী)

২৩ অক্টোবর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

ভারত ভারত ১৬০/৬ (২০.০)

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫৯/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ী

২৭ অক্টোবর, ২০২২, ০৫:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

জিম্বাবুয়ে জিম্বাবুয়ে ১৩০/৮ (২০.০)

পাকিস্তান পাকিস্তান ১২৯/৮ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: জিম্বাবুয়ে ১ রানে জয়ী

৩০ অক্টোবর, ২০২২, ০১:০০ পিএম

পার্থ স্টেডিয়াম

পাকিস্তান পাকিস্তান ৯৫/৪ (১৩.৫)

নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ডস ৯১/৮ (২০.০)

ফল: পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী

০৩ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৮৫/৯ (২০.০)

দক্ষিণ আফ্রিকা দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৮/৯ (১৪)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: পাকিস্তান ৩৩ রানে জয়ী (ডিএল মেথড)

০৬ নভেম্বর, ২০২২, ১০:০০ এএম

অ্যাডিলেড ওভাল

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১২৭/৮ (২০.০)

পাকিস্তান পাকিস্তান ১২৮/৫ (১৮.১)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: ৫ উইকেটে জয় পেল পাকিস্তান

০৯ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৫৩/৩ (১৯.১)

নিউজিল্যান্ড নিউজিল্যান্ড ১৫২/৪ (২০.০)

ম্যাচ রিপোর্ট

ফল: পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী

১৩ নভেম্বর, ২০২২, ০২:০০ পিএম

মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড

পাকিস্তান পাকিস্তান ১৩৭/৮ (২০.০)

ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড ১৩৮/৫ (১৯.০)

ফল: পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড