পাপুয়া নিউগিনি

Team Image

পাপুয়া নিউগিনি: প্রথমবারেই স্মরণীয় করে রাখতে চায় বিশ্বকাপ

২০১৯ সালের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের কোন এক সকাল। রাজধানী পোর্ট মোর্সবাইয়ের জ্যাকসন ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে এসে নামে দেশটির জাতীয় ক্রিকেট দল। প্রায় ৪ হাজার ভক্ত-সমর্থক তখন বিমানবন্দরের বাইরে দেশের পতাকা এবং জার্সি হাতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তুলেছে, স্বাগত জানাচ্ছে ক্রিকেট দলকে। প্রথমবারেরমত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দেশটি।

সমর্থক যারা বিমানবন্দরের বাইরে জাতীয় দলকে বরণ করে নেয়ার জন্য অপেক্ষমান ছিল, তাদের অধিকাংশের চোখেই পানি। কত যে অপেক্ষার পর এই মাহেন্দ্রক্ষণটি উপস্থিত হয়েছে তাদের জীবনে, তা বলাই বাহুল্য। একের পর এক চেষ্টা আর একের পর এক হতাশার গল্প লিখতে লিখতে অবশেষে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রটি বিশ্বকাপে প্রথমবারেরমত খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে!

যদিও তারা যোগ্যতা অর্জন করেছিল ২০২০ সালের অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে। কিন্তু পাপুয়া নিউগিনির সমর্থকদের অপেক্ষার প্রহর আরও দীর্ঘায়িত করে দেয় করোনা মহামারি। ২০২০ সালের বিশ্বকাপই অনুষ্ঠিত হয়নি। চলে আসে ২০২১ সালে এবং আয়োজক দেশ ভারত। এখানেও করোনার ভাগড়া। আয়োজক মর্যাদা ভারতেরই, কিন্তু অনুষ্ঠিত হচ্ছে যথাক্রমে ওমান এবং আরব আমিরাতে। অনেক ঘাটের পানি খেয়ে অবশেষে পাপুয়া নিউগিনি ওমানের একাডেমি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামার অপেক্ষায়।

২০১৯ সালে বিশ্বকাপ দুবাইয়ে বিশ্বকাপের খেলার যোগ্যতা অর্জন করে নিজেদের দেশে ফিরে যাওয়ার পর আনন্দ অশ্রু লুকাতে পারেননি দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী গ্রেগ ক্যাম্পবেল। ‘বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন, এই অনুভূতি তো ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। অনেককেই দেখেছিলাম কান্না করছে। সবার চোখে আনন্দ অশ্রু। দুবাই থেকে যখন দল দেশে ফিরে আসে তখন বিমানবন্দরে প্রায় ৪ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল। সবার চোখেই ছিল আনন্দাশ্রু, সবাই আবেগে ভেসে গিয়েছিল।’

আইসিসির যে কোনো বড় ইভেন্টে এবারই প্রথম পাপুয়া নিউগিনি। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে এই প্রথম কোন বড় মঞ্চে আবির্ভাব ঘটবে পাপুয়া নিউগিনির।

১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে পাপুয়া নিউগিনি। দেশটিতে ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এর একবছর পরই তারা লাভ করে আইসিসির সহযোগী সদস্যের মর্যাদা। কিন্তু ২০১২ সালের আগে ক্রিকেটের কোনো আসরেই ঠিকভাবে নিজেদের নিয়ে আসতে পারেনি তারা। মূলতঃ ২০১২ সাল থেকেই আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোর বাছাই পর্ব খেলে আসছে তারা। ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা প্রায়ই অর্জন করে ফেলেছিল তারা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে বঞ্চিত হয়।

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটেই মোটামুটি সাফল্য রয়েছে পাপুয়া নিউগিনির। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত আটবার অংশ নিয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। দেশটির নারী ক্রিকেট দলও পিছিয়ে নেই পুরুষ দলের চেয়ে। ২০২২ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা পেতে মাত্র একটি ম্যাচ দূরে ছিল তারা। যদিও বাংলাদেশের কাছে হেরে শেষ হয়ে যায় তাদের স্বপ্ন।

বিশ্বকাপে খেলার চেয়েও পাপুয়া নিউগিনির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন ২০১৪ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস অর্জন। হংকংকে হারিয়ে নিজেদের প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ম্যাচে জয় পান তিনি। যে কারণে ছয় দলের বিরল তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে দলটি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাপুয়া নিউগিনির সবচেয়ে বড় শক্তি ফিল্ডিং। টেস্টখেলুড়ে অনেক দেশের চেয়েও শক্তিশালি ফিল্ডিং দেশটির। ফিল্ডিংয়ে তাদের দ্রুতগতি এবং ক্ষিপ্রতা প্রতিপক্ষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এমনকি প্রতিপক্ষের প্রচুর ব্যাটসম্যান রান আউটের শিকার হন এ কারণে।

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে পাপুয়া নিউগিনির অধিনায়ক আসাদ ভালা ফিল্ডিং নিয়ে বলেন, ‘আমাদের গর্ব হচ্ছে ফিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট। অন্যান্য বিভাগেও আমরা সমানতালে ভালো করতে চাই। পুরো দলটাকেই অলরাউন্ড দল হিসেবে তৈরি করতে চাই। আমরা নিজেদের সেরা নিয়ে মাঠে হাজির হবো এবং নিজেদের দেশকে গর্বিত করার চেষ্টা করবো।’

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ওমানের মুখোমুখি হচ্ছে পাপুয়া নিউগিনি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটাই তাদের প্রথম ম্যাচ। ওই ম্যাচ নিয়ে অধিনায়ক আসাদ ভালা বলেন, ‘সত্যি বলতে, এটা হচ্ছে আমাদের জন গৌরবময় এবং ঐতিহাসিক একটি মুহূর্ত। অনেকদিন পর আমাদের এমন একটি মুহূর্ত সামনে এলো। অনেকবারই আমরা বিশ্বকাপ খেলার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আর সম্ভব হয়নি। এবার আমরা সেটা অর্জন করেছি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলার আগে আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে। প্রথম ম্যাচের জন্য ছেলেরা সবাই উদগ্রীব হয়ে আছে। করোনা মহামারির মধ্যে অনেক মানুষ মারা গেছে, অনেকেই চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছে- তাদের জন্যই আমরা এই বিশ্বকাপটা খেলতে চাই। তাদের জন্য বিশ্বকাপটাকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই।’

২০১৩ ও ২০১৫ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার থেকে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়েছিল পাপুয়া নিউগিনিকে। ২০১৯-এ অবশ্য তেমন কিছুর মুখোমুখি হতে হয়নি তাদের। পূর্ব-এশিয়ার গ্রুপ ‘বি’ থেকে উঠে এসেছে তারা। ছয় ম্যাচের পাঁচটি জয় করে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় তারা। এর মধ্যে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। তাদের একমাত্র হারটি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।

Captain Image

আসাদ ভালা

জন্ম: ৫ আগস্ট, ১৯৮৭; বয়স: ৩১

ব্যাকগ্রাউন্ড

অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়েই আসাদ ভালার বড় মঞ্চে পা রাখা। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপেও খেলেছেন তিনি। এরপর সিনিয়র দলের হয়ে ২০০৫ সালে আয়ারল্যান্ডে তিনি আইসিসি ট্রফিতেও খেলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভালার অভিষেক হয় ২০১৪ সালে। পরের বছর হয়ে যায় টি-টোয়েন্টি অভিষেকও।

অধিনায়কত্ব

২০১৮ সালের আগস্টে পাপুয়া নিউগিনির নেতৃত্ব পান আসাদ ভালা।

যত সাফল্য

তার নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ২১ ম্যাচ খেলে ১৫ জয়ের বিপরীতে পাপুয়া নিউগিনি হেরেছে মাত্র ৫ ম্যাচে। তার নেতৃত্বে প্রথম ম্যাচেই জেতে পাপুয়া নিউগিনি। সেটাও আবার শক্তির দিক থেকে ঢের এগিয়ে থাকা আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। ভালার নেতৃত্বে স্কটল্যান্ডকে হারানোর সুখস্মৃতিও আছে পাপুয়া নিউগিনির।

ব্যক্তিগত রেকর্ড

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকান ভালা। ২০১৫-১৭ আইসিসি কন্টিনেন্টাল কাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ম্যাচ জেতানো ১২৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। এরপর ২০১৮ সালে পাপুয়া নিউগিনির ক্রিকেট অ্যাওয়ার্ডে তাকে টনি এলি মেডেল দেয়া হয়। যা দেশটির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্বীকৃতি।

Coach Image

কার্ল সান্দ্রি

জন্ম: ১১ জুলাই, ১৯৮৩, বয়স: ৩৮

কোচিং ক্যারিয়ার ও অভিজ্ঞতা

অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নিলেও কার্ল সান্দ্রি খেলেছেন ইতালি জাতীয় দলের হয়ে। ক্রিকেটে ইউরোপের দেশটি বেশ অপরিচিত হলেও, সান্দ্রি কম-বেশ আলো কেড়েছেন নিজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দিয়ে।

যে সুবাদে বিগ ব্যাশের দল সিডনি থান্ডার্সের হয়ে খেলার সুযোগও পেয়েছিলেন। কোচ হিসেবে অন্য কোথাও কাজ করার আগেই পাপুয়া নিউগিনির জাতীয় দলের দায়িত্ব পেয়ে যান তিনি। 

পাপুয়া নিউগিনি স্কোয়াড

আসাদ ভালা (অধিনায়ক), চার্লস আমিনি, সিমন আতাই, সেসে ভাউ, কিপলিং ডরিগা (উইকেটরক্ষক), জ্যাক গার্ডনার, হিরি হিরি, জেসন কিলা, নোসাইনা পুকানা, ড্যামিয়ান রাভো, লেগা সিয়াকা, চাঁদ সোপার, গাউদি টোকা, টনি উরা, কাবুয়া ভাগি মুরেয়া ও নরম্যান ভানুয়া।

ব্যাটসম্যান

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সর্বোচ্চ

স্ট্রা. রেট 

কিপলিং ডরিগা

১৭

১০৬

১০.৬০

০/০

৪৩*

১০২.৯১

টনি উরা

২৩

৬৭১

৩৭.২৭

৪/১

১০৭*

১৪০.৯৬

হিরি হিরি

২.২৫

০/০

৬০.০০

সিমন আতাই

০.০০

০/০

০.০০

গাউদি টোকা

-

-

-

-

-

-

বোলার

নাম

ম্যাচ

উইকেট

গড়

/

সেরা

ইক. রেট

নরম্যান ভানুয়া

২৫

৩৫

১৪.৪২

১/১

৫/১৭

৬.১৮

নোসাইনা পুকানা

১৯

১৯

১৭.২৬

০/০

৩/২১

৫.৭৭

ড্যামিয়ান রাভো

১৭

২৪

৯.২০

১/১

৫/১৫

৫.২৪

চাঁদ সোপার

১৩

১৪

১০.৯২

০/০

৩/১৩

৪.৬৩

কাবুয়া ভাগি মুরেয়া 

-

-

-

-

-

-

অলরাউন্ডার

নাম

ম্যাচ

রান

গড়

৫০/১০০

সেরা

স্ট্রা. রেট

উইকেট

গড়

/

ফিগার

ইক. রেট

আসাদ ভালা

২৬

৪৬০

২৩.০০

২/০

৬৮

১০৭.৭২

২০

১২.৪৫

০/০

৩/৭

৫.৫৫

চার্লেস আমিনি

২৩

৩৭৭

২৬.৯২

২/০

৬০

১১৬.৩৫

১৯

১৯.৩১

০/০

২/১৩

৫.৮১

লেগা সিয়াকা

 ২৬

২৯৬

১৪.৮০

০/০

৩৯

১০৯.২২

৬.২২

০/০

৩/১৬

৪.৬৬

সেসে ভাউ

২৩

৩৫৬

২৫.৪২

০/০

৪০*

১০৫.৩২

১৯.৭৫

০/০

২/৪

৫.৬৪

জেসন কিলা

১২

৬০

৩০.০০

০/০

২৭*

১৯৩.৫৪

৩৩.০০

০/০

১/৫

৫.৮২

জ্যাক গার্ডনার

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

-

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাপুয়া নিউগিনি : পরিসংখ্যান

** টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাপুয়া নিউগিনির এবারই প্রথম অংশগ্রহণ।

সেরা ১০টি জয়

রানের ব্যবধানে

ব্যবধান

লক্ষ্য

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

 সাল

১৩৩ রান

২১৭

ফিলিফিন্স

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

৮১ রান

১৯৮

নামিবিয়া

দুবাই

২০১৯

৫৯ রান

১৮২

ভানুয়াতু

অ্যাপিয়া

২০১৯

৪৫ রান

১১৯

কেনিয়া

দুবাই

২০১৯

৪৩ রান

১৮১

সিঙ্গাপুর

দুবাই

২০১৯

উইকেটের ব্যবধানে

ব্যবধান

লক্ষ্য

ওভার

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

 সাল

১০ উইকেট

৫৭

৩.০

ভানুয়াতু

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

১০ উইকেট

৯০

১০.২

বার্মুডা

দুবাই

২০১৯

৯ উইকেট

২৪

৩.১

সামোয়া

অ্যাপিয়া

২০১৯

৮ উইকেট

৯৪

১৪.১

নেপাল

ডাবলিন

২০১৫

৮ উইকেট

১২৫

১৫.২

ভানুয়াতু

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

 সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: ৫টি

খেলোয়াড়

সময়কাল

ম্যাচ

রান

সর্বোচ্চ

গড়

 স্ট্রা. রেট

১০০

৫০

টনি পালা উরা

২০১৫-২০১৯

২৩

৬৭১

১০৭*

৩৭.২৭

১৪০.৯৬

৫৪

৩১

আসাদ ভালা

২০১৫-২০১৯

২৬

৪৬০

৬৮

২৩.০০

১০৭.৭২

৩৯

১৩

চার্লস আমিনি

২০১৫-২০১৯

২৩

৩৭৭

৬০

২৬.৯২

১১৬.৩৫

১৬

১৩

সেসে বাউ

২০১৬-২০১৯

২৩

৩৫৬

৪০*

২৫.৪২

১০৫.৩২

২১

১১

নরম্যান ভানুয়া

২০১৫-২০১৯

২৫

৩২১

৫৪

২২.৯২

১৫২.১৩

১২

২৩

ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস ৫টি

খেলোয়াড়

রান

বল

স্ট্রা. রেট

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

টনি পালা উরা

১০৭*

৬০

১৭৮.৩৩

ফিলিফিন্স

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

টনি পালা উরা

৭১

৪২

১৬৯.০৪

নামিবিয়া

দুবাই

২০১৯

আসাদ ভালা

৬৮

৩৯

১৭৪.৩৫

ফিলিপিন্স

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

টনি পালা উরা

৬৫

৩৭

১৭৫.৬৭

ভানুয়াতু

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

চার্লস আমিনি

৬০

৩০

২০০.০০

ফিলিফিন্স

পোর্ট মোর্সবাই

২০১৯

সর্বোচ্চ উইকেট শিকার ৫টি

খেলোয়াড়

সময়কাল

ম্যাচ

ওভার

রান

উইকেট

সেরা

গড়

ইক. রেট

নরম্যান ভানুয়া

২০১৫-২০১৯

২৫

৮১.৪

৫০৫

৩৫

৫/১৭

১৪.৪২

৬.১৮

ড্যামিয়েন রাভু

২০১৯-২০১৯

১৭

৪২.১

২২১

২৪

৫/১৫

৯.২০

৫.২৪

আসাদ ভালা

২০১৫-২০১৯

২৬

৪৪.৫

২৪৯

২০

৩/৭

১২.৪৫

৫.৫৫

নোসাইনা পোকানা

২০১৬-২০১৯

১৯

৫৬.৫

৩২৮

১৯

৩/২১

১৭.২৬

৫.৭৭

চার্লস আমিনি

২০১৫-২০১৯

২৩

৬৩.১

৩৬৭

১৯

২/১৩

১৯.৩১

৫.৮১

এক ইনিংসে সেরা বোলিং ৫টি

খেলোয়াড়

ওভার

রান

উইকেট

ইক. রেট

প্রতিপক্ষ

ভেন্যু

সাল

ড্যামিয়েন রাভু

৪.০

১৫

৩.৭৫

ভানুয়াতু

অ্যাপিয়া

২০১৯

নরম্যান ভানুয়া

৪.০

১৭

৪.২৫

ভানুয়াতু

অ্যাপিয়া

২০১৯

ড্যামিয়েন রাভু

৪.০

১৮

৪.৫০

সিঙ্গাপুর

দুবাই

২০১৯

নরম্যান ভানুয়া

৪.০

২১

৫.২৫

সামোয়া

অ্যাপিয়া

২০১৯

আসাদ ভালা

৪.০

১.৭৫

কেনিযা

দুবাই

২০১৯

সময়সূচি

১৭ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

পাপুয়া নিউগিনি পাপুয়া নিউগিনি ১২৯/৯

ওমান ওমান ১৩১/০

ম্যাচ রিপোর্ট

১৩.৪ ওভার, (১০ উইকেটের ব্যবধানে জয়ী ওমান, ৩৮ বল হাতে রেখে)।

১৯ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

স্কটল্যান্ড স্কটল্যান্ড ১৬৫/৯

পাপুয়া নিউগিনি পাপুয়া নিউগিনি ১৪৮/১০

স্কটল্যান্ড ১৭ রানে জয়ী

২১ অক্টোবর, ২০২১, ০৪:০০ পিএম

ওমান ক্রিকেট একাডেমি গ্রাউন্ড

বাংলাদেশ বাংলাদেশ ১৮১/৭

পাপুয়া নিউগিনি পাপুয়া নিউগিনি ৯৭/১০

ম্যাচ রিপোর্ট

বাংলাদেশ ৮৪ রানে জয়ী